Dhaka ১০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পাংশার সেনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বসে গরুর হাট ॥ বিকট শব্দে বাজে মাইক ॥ চরম বিঘিœত কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনা

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ১১:২৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০১৯
  • / ১৮৭৬ জন সংবাদটি পড়েছেন

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সেনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বসে গরুর হাট। হাট জমাতে স্কুল চলাকালীন বাজানো হয় বিকট শব্দে মাইক। মাঝে মধ্যে নাচগানেরও আয়োজন করা হয়। এতে করে চরমভাবে বিঘিœত হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা। বিগত কয়েক মাস ধরে বিরাজ করছে এ অবস্থা। তবে এসব নিয়ে মোটেই মাথা ব্যথা নেই স্কুল কর্তৃপক্ষের। যদিও শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, স্কুল চত্ত্বরে এভাবে মাইক বাজানোর কোনো সুযোগ নেই।
এলাকাবাসী জানায়, বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সেনগ্রাম কালীতলার হাট বসে প্রতি সোমবার। গত তিন চার মাস ধরে স্কুল সংলগ্ন বটগাছের নীচে মঞ্চ বানিয়ে মাইক বাজানো হচ্ছে। মাঝে মধ্যে নাচেরও আয়োজন করা হয়। এতে চরমভাবে বিঘিœত হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনা। স্কুল চলাকালীন গান বাজনা হওয়ায় তারা ক্লাস বাদ দিয়ে গান বাজনা দেখে। আর এতো জোড়ে মাইক বাজানো হয় পাঠদানেরও কোনো সুযোগ থাকেনা।
বিদ্যালয় সূত্র জানায়, ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ৩০৭ জন। শিক্ষক রয়েছেন ছয় জন। বর্তমানে স্কুলটির নিজস্ব জমি আছে ২৫ শতাংশ। সকাল নয়টায় ক্লাস শুরু হয়ে দুই শিফটে চলে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সেনগ্রাম কালীতলা বাজার সংলগ্ন রাস্তার পাশেই স্কুলটি। স্কুলটির সাথে শতবর্ষী প্রকান্ড একটি বটগাছ। স্কুলের বারান্দায় বসানো হয়েছে দুটি বিশাল সাউন্ড বক্স। বটগাছের মাথায় বাঁধা হয়েছে পাঁচটি মাইক। বক্স আর মাইকের শব্দে দুজন সামনা সামনি দাঁড়িয়েও কথোপকথনের মত অবস্থা নেই। স্কুল ভবনের দেয়াল ঘেঁষে একটি অস্থায়ী মঞ্চ। সেখানে চারজন যন্ত্র শিল্পী ঢোল, বাঁশি, হারমোনিয়াম ইত্যাদি বাজাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা যেন অনেক আগ্রহ নিয়ে গান বাজনা দেখছিলো। তখনও হাট জমে ওঠেনি। স্কুলের অপর ভবনটির বারান্দায় চেয়ার টেবিল বসানো হয়েছে খাজনা আদায়ের জন্য। আগত দর্শকদের বসার জন্য জমা রয়েছে লাল রংয়ের শতাধিক প্লাস্টিক চেয়ার।
হাটে গরু নিয়ে আসা পাংশা উপজেলার চরঝিকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার জানান, দুই থেকে আড়াইশ গরু আসে প্রতি হাটে। বেচাকেনা ভালো হয়।
বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে গিয়ে প্রধান শিক্ষক মর্জিনা খাতুনের কাছে পরিচয় দিয়ে কথা বলবো জানালে তিনি মাইকের সাউন্ড কমানোর জন্য লোক পাঠান। বিদ্যালয়ের উপর হাট বসানো এবং বিকট শব্দে মাইক বাজানো প্রসঙ্গে তার কাছে জানতে চাইলে বলেন, হাটতো ৫০ বছর ধরেই বসছে। আর মাইক বাজছে কয়েক মাস ধরে। স্কুলের চারপাশ দিয়েই হাটবাজার। তাদের জমির উপর তারা মাইক বাজায় আমরা কী করবো। আমরাই বরং তাদের বিরক্ত করি। তিনি দাবি করেন, মাইক বাজানো হয় দুপুর থেকে। আমরা নিষেধ করলে বন্ধ করে। এতে খুব একটা সমস্যা হয়না।
প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলার সময় সেখানে আসেন হাটের ইজারাদার ইউনুস মুন্সী। তিনি পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার ও একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে নিজের পরিচয় দেন। তার ছেলে খায়রুলের নামে এ হাটের ইজারা নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ইউনুস মুন্সী বলেন, সেনগ্রামের এক অংশ রাজবাড়ী জেলা সীমানায় এবং একটি অংশ কুষ্টিয়া সীমানার মধ্যে পড়েছে। এই হাটটি অনেক বছরের পুরনো। বছর তিনেক আগে দুই পক্ষের মধ্যে রেষারেষির কারণে কুষ্টিয়া জেলা সীমানার সেনগ্রামে আরেকটি হাট বসানো হয়েছে। একই এলাকায় দুটি হাট হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। সপ্তাহের প্রতি সোমবার হাট বসে এখানে। হাট জমানোর জন্য এবং মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য একটু গান বাজনা এবং মাঝে মধ্যে নাচের আয়োজন করেন। এতে স্কুলের কোন সমস্যা হয়না। দুপুর দুইটা থেকে আমরা মাইক বাজানো শুরু করি। স্কুল থেকে বললে বন্ধ করে রাখি বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তারাও জানেন।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মুন্সী মহসিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে এব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন, এলাকার লোকজন আছে। বাজার কমিটি আছে। দুটি প্রতিষ্ঠানই এলাকার। হাটটি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। হাটটি জমানোর জন্য সোমবারে দুইটার পর থেকে মাইক বাজানো হয় এলাকার মানুষের সম্মতিক্রমে। এখানে আমি একা বাধা দিলে তো হবেনা। আমি যদি বলি এটা হবেনা, তাহলে বন্ধ করবেনা কেউ। শিক্ষা পর্যায়ের যারা কর্মকর্তা তারাও বিষয়টি জানে। হাটের ইজারা দেন ইএনও, উপজেলা চেয়ারম্যান। তারাও জানেন।
তাকে পাল্টা প্রশ্ন করে বলা হয়, আপনি বলছেন দুপুর দুইটা থেকে মাইক বাজানো হয়। আমি দুপুর সাড়ে ১২টায় গিয়ে মাইক বাজতে দেখেছি। এরপর তিনি বলেন, যা দেখেছেন তাই লিখবেন।
পাংশা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বশিরউদ্দিন বলেন, বিষয়টি আমাদের প্রধান শিক্ষক বা ম্যানেজিং কমিটির কেউ জানায়নি। কোনো অভিযোগও কেউ করেনি। জানালে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতাম। স্কুল চলাকালীন স্কুল চত্ত্বরে মাইক বাজানোর কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি এব্যাপারে কিছুই জানিনা। আমাকে কেউ জানায়নি। এভাবে স্কুল সংলগ্ন এলাকায় মাইক বাজানোর নিয়ম নেই। হাট থাকবে হাটের সীমানায়। কোনোভাবেই স্কুলের ভেতরে যেতে পারবে না। বিষয়টি নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ, বাজার কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে একটা সমাধান করা হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পাংশার সেনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বসে গরুর হাট ॥ বিকট শব্দে বাজে মাইক ॥ চরম বিঘিœত কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনা

প্রকাশের সময় : ১১:২৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০১৯

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সেনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বসে গরুর হাট। হাট জমাতে স্কুল চলাকালীন বাজানো হয় বিকট শব্দে মাইক। মাঝে মধ্যে নাচগানেরও আয়োজন করা হয়। এতে করে চরমভাবে বিঘিœত হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা। বিগত কয়েক মাস ধরে বিরাজ করছে এ অবস্থা। তবে এসব নিয়ে মোটেই মাথা ব্যথা নেই স্কুল কর্তৃপক্ষের। যদিও শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, স্কুল চত্ত্বরে এভাবে মাইক বাজানোর কোনো সুযোগ নেই।
এলাকাবাসী জানায়, বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সেনগ্রাম কালীতলার হাট বসে প্রতি সোমবার। গত তিন চার মাস ধরে স্কুল সংলগ্ন বটগাছের নীচে মঞ্চ বানিয়ে মাইক বাজানো হচ্ছে। মাঝে মধ্যে নাচেরও আয়োজন করা হয়। এতে চরমভাবে বিঘিœত হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনা। স্কুল চলাকালীন গান বাজনা হওয়ায় তারা ক্লাস বাদ দিয়ে গান বাজনা দেখে। আর এতো জোড়ে মাইক বাজানো হয় পাঠদানেরও কোনো সুযোগ থাকেনা।
বিদ্যালয় সূত্র জানায়, ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ৩০৭ জন। শিক্ষক রয়েছেন ছয় জন। বর্তমানে স্কুলটির নিজস্ব জমি আছে ২৫ শতাংশ। সকাল নয়টায় ক্লাস শুরু হয়ে দুই শিফটে চলে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সেনগ্রাম কালীতলা বাজার সংলগ্ন রাস্তার পাশেই স্কুলটি। স্কুলটির সাথে শতবর্ষী প্রকান্ড একটি বটগাছ। স্কুলের বারান্দায় বসানো হয়েছে দুটি বিশাল সাউন্ড বক্স। বটগাছের মাথায় বাঁধা হয়েছে পাঁচটি মাইক। বক্স আর মাইকের শব্দে দুজন সামনা সামনি দাঁড়িয়েও কথোপকথনের মত অবস্থা নেই। স্কুল ভবনের দেয়াল ঘেঁষে একটি অস্থায়ী মঞ্চ। সেখানে চারজন যন্ত্র শিল্পী ঢোল, বাঁশি, হারমোনিয়াম ইত্যাদি বাজাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা যেন অনেক আগ্রহ নিয়ে গান বাজনা দেখছিলো। তখনও হাট জমে ওঠেনি। স্কুলের অপর ভবনটির বারান্দায় চেয়ার টেবিল বসানো হয়েছে খাজনা আদায়ের জন্য। আগত দর্শকদের বসার জন্য জমা রয়েছে লাল রংয়ের শতাধিক প্লাস্টিক চেয়ার।
হাটে গরু নিয়ে আসা পাংশা উপজেলার চরঝিকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার জানান, দুই থেকে আড়াইশ গরু আসে প্রতি হাটে। বেচাকেনা ভালো হয়।
বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে গিয়ে প্রধান শিক্ষক মর্জিনা খাতুনের কাছে পরিচয় দিয়ে কথা বলবো জানালে তিনি মাইকের সাউন্ড কমানোর জন্য লোক পাঠান। বিদ্যালয়ের উপর হাট বসানো এবং বিকট শব্দে মাইক বাজানো প্রসঙ্গে তার কাছে জানতে চাইলে বলেন, হাটতো ৫০ বছর ধরেই বসছে। আর মাইক বাজছে কয়েক মাস ধরে। স্কুলের চারপাশ দিয়েই হাটবাজার। তাদের জমির উপর তারা মাইক বাজায় আমরা কী করবো। আমরাই বরং তাদের বিরক্ত করি। তিনি দাবি করেন, মাইক বাজানো হয় দুপুর থেকে। আমরা নিষেধ করলে বন্ধ করে। এতে খুব একটা সমস্যা হয়না।
প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলার সময় সেখানে আসেন হাটের ইজারাদার ইউনুস মুন্সী। তিনি পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার ও একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে নিজের পরিচয় দেন। তার ছেলে খায়রুলের নামে এ হাটের ইজারা নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ইউনুস মুন্সী বলেন, সেনগ্রামের এক অংশ রাজবাড়ী জেলা সীমানায় এবং একটি অংশ কুষ্টিয়া সীমানার মধ্যে পড়েছে। এই হাটটি অনেক বছরের পুরনো। বছর তিনেক আগে দুই পক্ষের মধ্যে রেষারেষির কারণে কুষ্টিয়া জেলা সীমানার সেনগ্রামে আরেকটি হাট বসানো হয়েছে। একই এলাকায় দুটি হাট হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। সপ্তাহের প্রতি সোমবার হাট বসে এখানে। হাট জমানোর জন্য এবং মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য একটু গান বাজনা এবং মাঝে মধ্যে নাচের আয়োজন করেন। এতে স্কুলের কোন সমস্যা হয়না। দুপুর দুইটা থেকে আমরা মাইক বাজানো শুরু করি। স্কুল থেকে বললে বন্ধ করে রাখি বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তারাও জানেন।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মুন্সী মহসিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে এব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন, এলাকার লোকজন আছে। বাজার কমিটি আছে। দুটি প্রতিষ্ঠানই এলাকার। হাটটি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। হাটটি জমানোর জন্য সোমবারে দুইটার পর থেকে মাইক বাজানো হয় এলাকার মানুষের সম্মতিক্রমে। এখানে আমি একা বাধা দিলে তো হবেনা। আমি যদি বলি এটা হবেনা, তাহলে বন্ধ করবেনা কেউ। শিক্ষা পর্যায়ের যারা কর্মকর্তা তারাও বিষয়টি জানে। হাটের ইজারা দেন ইএনও, উপজেলা চেয়ারম্যান। তারাও জানেন।
তাকে পাল্টা প্রশ্ন করে বলা হয়, আপনি বলছেন দুপুর দুইটা থেকে মাইক বাজানো হয়। আমি দুপুর সাড়ে ১২টায় গিয়ে মাইক বাজতে দেখেছি। এরপর তিনি বলেন, যা দেখেছেন তাই লিখবেন।
পাংশা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বশিরউদ্দিন বলেন, বিষয়টি আমাদের প্রধান শিক্ষক বা ম্যানেজিং কমিটির কেউ জানায়নি। কোনো অভিযোগও কেউ করেনি। জানালে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতাম। স্কুল চলাকালীন স্কুল চত্ত্বরে মাইক বাজানোর কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি এব্যাপারে কিছুই জানিনা। আমাকে কেউ জানায়নি। এভাবে স্কুল সংলগ্ন এলাকায় মাইক বাজানোর নিয়ম নেই। হাট থাকবে হাটের সীমানায়। কোনোভাবেই স্কুলের ভেতরে যেতে পারবে না। বিষয়টি নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ, বাজার কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে একটা সমাধান করা হবে।