Dhaka ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বালিয়াকান্দিতে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করলো উপজেলা প্রশাসন

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৫:২৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • / ১৬৮০ জন সংবাদটি পড়েছেন


জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রশাসন দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছে।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়ন এলাকায় চুমকি রানী সাহার (১৪) বিয়ের আয়োজন চলছিল মাগুড়া জেলা এলাকার এক যুবকের সাথে। এখবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহান ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়েটি বন্ধ করার নির্দেশ দেন। চুমকি একই গ্রামের অঞ্জলি সাহার মেয়ে। সে বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।
অপরদিকে বালিয়াকান্দি গ্রামের সুরাইয়া খানমের(১৩) সাথে জামালপুর ইউনিয়নের বেতেঙ্গা গ্রামের শরিফুল (১৬) নামে এক কিশোরের বিয়ের খবর পেয়ে অভিভাবকসহ তাদেরকে ডেকে এনে বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়।
বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহান জানান, চুমকি সাহার অভিভাবকরা ভুয়া জন্ম সনদ দেখিয়ে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছিল। মূলত তার বয়স ১৪ বছর পাঁচ মাস। তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে। আর সুরাইয়া খানম ও শরিফুলের অভিভাবকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত বয়ষ্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেয়া হবেনা এমন মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বালিয়াকান্দিতে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করলো উপজেলা প্রশাসন

প্রকাশের সময় : ০৫:২৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯


জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রশাসন দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছে।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়ন এলাকায় চুমকি রানী সাহার (১৪) বিয়ের আয়োজন চলছিল মাগুড়া জেলা এলাকার এক যুবকের সাথে। এখবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহান ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়েটি বন্ধ করার নির্দেশ দেন। চুমকি একই গ্রামের অঞ্জলি সাহার মেয়ে। সে বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।
অপরদিকে বালিয়াকান্দি গ্রামের সুরাইয়া খানমের(১৩) সাথে জামালপুর ইউনিয়নের বেতেঙ্গা গ্রামের শরিফুল (১৬) নামে এক কিশোরের বিয়ের খবর পেয়ে অভিভাবকসহ তাদেরকে ডেকে এনে বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়।
বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহান জানান, চুমকি সাহার অভিভাবকরা ভুয়া জন্ম সনদ দেখিয়ে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছিল। মূলত তার বয়স ১৪ বছর পাঁচ মাস। তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে। আর সুরাইয়া খানম ও শরিফুলের অভিভাবকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত বয়ষ্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেয়া হবেনা এমন মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।