Dhaka 4:37 pm, Thursday, 8 December 2022

কালুখালী উপজেলা নির্বাচন তৃণমূল মানুষের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরে আলম সিদ্দিকী হক

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : 08:24:14 pm, Tuesday, 21 May 2019
  • / 1579 জন সংবাদটি পড়েছেন


জনতার আদালত অনলাইন ॥ আগামী ১৮ জুন রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তায় শীর্ষে অবস্থান করছেন নুরে আলম সিদ্দিকী হক। সব শ্রেণি পেশার মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত তিনি। তৃণমূলের মানুষের সমর্থনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন নুরে আলম সিদ্দিকী হক। মঙ্গলণবার তিনি তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
নুরে আলম সিদ্দিকী হক কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা উপ কমিটির সদস্য। অনেক দিন ধরেই তিনি কালুখালী উপজেলা এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে সাথে নিয়ে গণসংযোগ করে চলেছেন। যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই মানুষের ব্যাপক সাড়াও পাচ্ছেন। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন তরুণ এই নেতা।
ইতিমধ্যে তার নির্বাচনী এলাকায় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মসজিদ মন্দির উন্নয়নে তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্য দিয়েছেন। আর্থিক সহযোগিতা করেছেন অনেক হতদরিদ্র শিক্ষার্থীসহ প্রতিবন্ধী দুস্থদের। শিক্ষার প্রসারেও রেখে চলেছেন অনন্য ভূমিকা। নিজ গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কালুখালীর মৃগী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তিনি। সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন শিকজান আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিরও। শিক্ষানুরাগী এ তরুণ নেতার অবদান রয়েছে সামাজিক সাংস্কৃতিক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডেও। শতবর্ষী রাজবাড়ী পাবলিক লাইব্রেরীর নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া বহু সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন। সবকিছু মিলিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন নুরে আলম সিদ্দিকী হক।
ছাত্রজীবন থেকেই নুরে আলম সিদ্দিকী হক আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। ১৯৯৬ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃগী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হক ২০০৪ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত টানা ১৩ বছর রাজবাড়ী জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সংগঠন পরিচালনায় দিয়েছেন দক্ষতার পরিচয়। সংগঠনকে করেছেন গতিশীল। ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি একতরফা নির্বাচন প্রতিহত ও বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে থেকে রেখেছেন জোরালো ভূমিকা। ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী দলের দুঃসময়ে তার অগ্রণী ভূমিকাও প্রসশংনীয়। ২০১৪ সালে কালুখালী উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে পরাজিত হলেও মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে হারলেও ছিলেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি। নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটারদের মতে, কোনো এক প্রভাবশালীর ইশারায় তাকে জোরপূর্বক হারানো হয়েছিল ওই নির্বাচনে।
নির্বাচনে পরাজিত হলেও ভোটের মাঠ ছাড়েননি তিনি। কালুখালী উপজেলা এলাকায় তার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে।
কৃষকলীগ নেতা নুরে আলম সিদ্দিকী হক বলেন, আমি দীর্ঘদন ধরেই আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মাঠে আছি। দলের নির্যাতিত, নিপীড়িত, অবহেলিত, বঞ্চিত নেতাকর্মীদের পাশে রয়েছি। সাধ্যমত চেষ্টা করছি এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ দুখের সাথী হওয়ার। এলাকার মাটি ও মানুষের সাথে আমার নিবিড় সম্পর্ক।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ¯্রােতধারায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। টিআর, কাবিখা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা সহ নানান প্রকল্প দিয়ে সাধারণ হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজের প্রভুত উন্নয়ন করেছেন। বিদ্যুৎ ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন। রূপান্তরিত করেছেন ডিজিটাল বাংলাদেশকে। আমি সরকারের এ সাফল্যের বার্তাটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার চেষ্টা করছি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কালুখালী উপজেলা নির্বাচন তৃণমূল মানুষের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরে আলম সিদ্দিকী হক

প্রকাশের সময় : 08:24:14 pm, Tuesday, 21 May 2019


জনতার আদালত অনলাইন ॥ আগামী ১৮ জুন রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তায় শীর্ষে অবস্থান করছেন নুরে আলম সিদ্দিকী হক। সব শ্রেণি পেশার মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত তিনি। তৃণমূলের মানুষের সমর্থনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন নুরে আলম সিদ্দিকী হক। মঙ্গলণবার তিনি তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
নুরে আলম সিদ্দিকী হক কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা উপ কমিটির সদস্য। অনেক দিন ধরেই তিনি কালুখালী উপজেলা এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে সাথে নিয়ে গণসংযোগ করে চলেছেন। যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই মানুষের ব্যাপক সাড়াও পাচ্ছেন। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন তরুণ এই নেতা।
ইতিমধ্যে তার নির্বাচনী এলাকায় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মসজিদ মন্দির উন্নয়নে তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্য দিয়েছেন। আর্থিক সহযোগিতা করেছেন অনেক হতদরিদ্র শিক্ষার্থীসহ প্রতিবন্ধী দুস্থদের। শিক্ষার প্রসারেও রেখে চলেছেন অনন্য ভূমিকা। নিজ গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কালুখালীর মৃগী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তিনি। সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন শিকজান আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিরও। শিক্ষানুরাগী এ তরুণ নেতার অবদান রয়েছে সামাজিক সাংস্কৃতিক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডেও। শতবর্ষী রাজবাড়ী পাবলিক লাইব্রেরীর নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া বহু সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন। সবকিছু মিলিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন নুরে আলম সিদ্দিকী হক।
ছাত্রজীবন থেকেই নুরে আলম সিদ্দিকী হক আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। ১৯৯৬ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃগী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হক ২০০৪ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত টানা ১৩ বছর রাজবাড়ী জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সংগঠন পরিচালনায় দিয়েছেন দক্ষতার পরিচয়। সংগঠনকে করেছেন গতিশীল। ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি একতরফা নির্বাচন প্রতিহত ও বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে থেকে রেখেছেন জোরালো ভূমিকা। ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী দলের দুঃসময়ে তার অগ্রণী ভূমিকাও প্রসশংনীয়। ২০১৪ সালে কালুখালী উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে পরাজিত হলেও মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে হারলেও ছিলেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি। নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটারদের মতে, কোনো এক প্রভাবশালীর ইশারায় তাকে জোরপূর্বক হারানো হয়েছিল ওই নির্বাচনে।
নির্বাচনে পরাজিত হলেও ভোটের মাঠ ছাড়েননি তিনি। কালুখালী উপজেলা এলাকায় তার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে।
কৃষকলীগ নেতা নুরে আলম সিদ্দিকী হক বলেন, আমি দীর্ঘদন ধরেই আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মাঠে আছি। দলের নির্যাতিত, নিপীড়িত, অবহেলিত, বঞ্চিত নেতাকর্মীদের পাশে রয়েছি। সাধ্যমত চেষ্টা করছি এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ দুখের সাথী হওয়ার। এলাকার মাটি ও মানুষের সাথে আমার নিবিড় সম্পর্ক।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ¯্রােতধারায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। টিআর, কাবিখা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা সহ নানান প্রকল্প দিয়ে সাধারণ হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজের প্রভুত উন্নয়ন করেছেন। বিদ্যুৎ ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন। রূপান্তরিত করেছেন ডিজিটাল বাংলাদেশকে। আমি সরকারের এ সাফল্যের বার্তাটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার চেষ্টা করছি।