Dhaka ১০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বালিয়াকান্দিতে এসিআর স্বাক্ষর না করায় শিক্ষা কর্মকর্তা অবরুদ্ধ ‘ডিবি’ হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে দুদক দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু ১২ সেপ্টেম্বর ছয় মাসে রেলওয়ের আয় বেড়েছে ২২৫ কোটি টাকা : রেলমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরো ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৬৩ শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ আইন নির্ধারণ করবে : আইনমন্ত্রী ভোলাতে গড়ে তোলা হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানা : সংসদে প্রধানমন্ত্রী রাজবাড়ীর পাংশায় দুই হত্যা মামলার আসামি অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার দাপ্তরিক নথিতে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার না করার নির্দেশ মান্দায় ২৫০ লিটার ওয়াশ চোলাই মদসহ যুবক গ্রেফতার

রাজবাড়ীতে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে চরমপন্থী নেতা নিহত ॥ বিপুল পরিমাণ অস্ত্রগুলি উদ্ধার

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৮
  • / 456

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের জৌকুড়া পদ্মা নদীর তীরে বালুঘাট এলাকায় পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে চরমপন্থী সংগঠন এমবিআরএম (মাওবাদী বলশেভি রি অর্গানাইজেশন মুভমেন্ট) এর আঞ্চলিক কমান্ডার সাইদুল ওরফে আমির সরদার (৩২) নিহত হয়েছে। সে পাবনার আটঘড়িয়া থানার চাচকিয়া গ্রামের তাহামুদ্দিন সরদারের ছেলে। এ ঘটনায় রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি এসএলআর, একটি বিদেশি দোনালা বন্দুক, ৩২ রাউন্ড গুলি, ২৩ রাউন্ড কার্তুজ, একটি ছোড়া ও ছয়টি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করে। সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০ টায় রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি তার কার্যালয়ের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, জৌকুড়া বালুঘাট সংলগ্ন মজিদ সরদারের বালুর চাতালের উত্তর পাশে পদ্মা নদীর পাড়ে চরমপন্থী সর্বহারা দলের সদস্যরা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছেÑ গোপন সূত্রে এ খবর পেয়ে রাজবাড়ীর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। চরমপন্থীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশের উপর গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে চরমপন্থীদের লক্ষ্য করে ২২ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। একপর্যায়ে চরমপন্থীরা পিছু হটে চরের দিকে চলে যায়। পরে সাইদুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখে তাকে দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিব খান, ইন্সপেক্টর জিয়ারুল এবং কনস্টেবল পঙ্কজ আহত হন। তাদেরকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
নিহত সাইদুলের বিরুদ্ধে পাবনা জেলার বিভিন্ন থানায় দুটি হত্যা, দুটি অস্ত্র, একটি অপহরণসহ সাতটি মামলা রয়েছে। সে পদ্মা নদী ও নদী তীরবর্তী এলাকায় অপহরণ, চাঁদাবাজি, হত্যা সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। রাজবাড়ী, পাবনা, মানিকগঞ্জ জেলায় তার বিচরণ ছিল।
রাজবাড়ীর ডিবি ওসি বিএম কামাল হোসেন জানান, নিহতের লাশ রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীতে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে চরমপন্থী নেতা নিহত ॥ বিপুল পরিমাণ অস্ত্রগুলি উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৮

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের জৌকুড়া পদ্মা নদীর তীরে বালুঘাট এলাকায় পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে চরমপন্থী সংগঠন এমবিআরএম (মাওবাদী বলশেভি রি অর্গানাইজেশন মুভমেন্ট) এর আঞ্চলিক কমান্ডার সাইদুল ওরফে আমির সরদার (৩২) নিহত হয়েছে। সে পাবনার আটঘড়িয়া থানার চাচকিয়া গ্রামের তাহামুদ্দিন সরদারের ছেলে। এ ঘটনায় রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি এসএলআর, একটি বিদেশি দোনালা বন্দুক, ৩২ রাউন্ড গুলি, ২৩ রাউন্ড কার্তুজ, একটি ছোড়া ও ছয়টি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করে। সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০ টায় রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি তার কার্যালয়ের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, জৌকুড়া বালুঘাট সংলগ্ন মজিদ সরদারের বালুর চাতালের উত্তর পাশে পদ্মা নদীর পাড়ে চরমপন্থী সর্বহারা দলের সদস্যরা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছেÑ গোপন সূত্রে এ খবর পেয়ে রাজবাড়ীর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। চরমপন্থীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশের উপর গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে চরমপন্থীদের লক্ষ্য করে ২২ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। একপর্যায়ে চরমপন্থীরা পিছু হটে চরের দিকে চলে যায়। পরে সাইদুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখে তাকে দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিব খান, ইন্সপেক্টর জিয়ারুল এবং কনস্টেবল পঙ্কজ আহত হন। তাদেরকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
নিহত সাইদুলের বিরুদ্ধে পাবনা জেলার বিভিন্ন থানায় দুটি হত্যা, দুটি অস্ত্র, একটি অপহরণসহ সাতটি মামলা রয়েছে। সে পদ্মা নদী ও নদী তীরবর্তী এলাকায় অপহরণ, চাঁদাবাজি, হত্যা সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। রাজবাড়ী, পাবনা, মানিকগঞ্জ জেলায় তার বিচরণ ছিল।
রাজবাড়ীর ডিবি ওসি বিএম কামাল হোসেন জানান, নিহতের লাশ রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।