Dhaka ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রবেশপত্র দেরিতে পাওয়ায় এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারল না মেহেদী!

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / ১৪৮৬ জন সংবাদটি পড়েছেন

বালিয়াকান্দি প্রতিনিধি ॥ সময় মতো প্রবেশ পত্র হাতে না পাওয়ায় এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি কালুখালী উপজেলার মাজবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র মেহেদি হাসান। এজন্য সে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে দায়ী করেছে। সে মাজবাড়ী গ্রামের আশরাফ হোসেনের ছেলে।
মেহেদী হাসান তার প্রবেশ পত্র দেখিয়ে বলেন, আজ  ৪ ফ্রেরুয়ারী আমি এটা হাতে পেয়েছি যার রোল নং-৫৮২৯৪৪,রেজিঃ নং ১৪১০৬১৬৩৯। আমি দরিদ্র হওয়ায় আমার সাথে এমনটা করা হয়েছে। মেহেদী বলেন টেস্ট পরীক্ষায় ৫বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ করতে দেয়া হয়েছে। অথচ আমি ৩ বিষয়ে ফেল করলেও প্রথমে আমাকে ফরম পূরণ করতে দেয়া হয়নি। পরে স্যারদের অনুরোধ করে ফরম পূরণ করেছিলাম। আমার প্রবেশপত্র ও রেজিঃকার্ড বিদ্যালয়ে আসার পরও প্রধান শিক্ষক বলেন; তোমার ফরম পূরণ হয়নি। বৃহস্পতিবারের পরীক্ষার সময় আমার সহপাঠিরা জানায় প্রবেশপত্র প্রধান শিক্ষকের কাছে রয়েছে। সেদিনই প্রধান শিক্ষকের কাছে গেলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রবেশ পত্র নিয়ে এসেছি কিন্তু প্রথম পরীক্ষাটা আমি আর দিতে পারলাম না।
বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। প্রথমে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বিষয়টি অস্বীকার করলেও ওই ছাত্রের প্রবেশপত্রের ফটোকপি দেখালে তারা নিশ্চুপ হয়ে যায়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সমির উদ্দিন বলেন, এটি ভুল হয়েছে। আমি জানতাম ওই শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আছে কিন্তু অন্য ছাত্রদের ভয়ে আমি বিষয়টি বলিনি।
এ ব্যাপারে বালিয়াকান্দি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি আমি আগে শুনিনি তবে এরুপ ঘটনা আমি আশা করি না।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

প্রবেশপত্র দেরিতে পাওয়ায় এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারল না মেহেদী!

প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বালিয়াকান্দি প্রতিনিধি ॥ সময় মতো প্রবেশ পত্র হাতে না পাওয়ায় এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি কালুখালী উপজেলার মাজবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র মেহেদি হাসান। এজন্য সে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে দায়ী করেছে। সে মাজবাড়ী গ্রামের আশরাফ হোসেনের ছেলে।
মেহেদী হাসান তার প্রবেশ পত্র দেখিয়ে বলেন, আজ  ৪ ফ্রেরুয়ারী আমি এটা হাতে পেয়েছি যার রোল নং-৫৮২৯৪৪,রেজিঃ নং ১৪১০৬১৬৩৯। আমি দরিদ্র হওয়ায় আমার সাথে এমনটা করা হয়েছে। মেহেদী বলেন টেস্ট পরীক্ষায় ৫বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ করতে দেয়া হয়েছে। অথচ আমি ৩ বিষয়ে ফেল করলেও প্রথমে আমাকে ফরম পূরণ করতে দেয়া হয়নি। পরে স্যারদের অনুরোধ করে ফরম পূরণ করেছিলাম। আমার প্রবেশপত্র ও রেজিঃকার্ড বিদ্যালয়ে আসার পরও প্রধান শিক্ষক বলেন; তোমার ফরম পূরণ হয়নি। বৃহস্পতিবারের পরীক্ষার সময় আমার সহপাঠিরা জানায় প্রবেশপত্র প্রধান শিক্ষকের কাছে রয়েছে। সেদিনই প্রধান শিক্ষকের কাছে গেলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রবেশ পত্র নিয়ে এসেছি কিন্তু প্রথম পরীক্ষাটা আমি আর দিতে পারলাম না।
বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। প্রথমে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বিষয়টি অস্বীকার করলেও ওই ছাত্রের প্রবেশপত্রের ফটোকপি দেখালে তারা নিশ্চুপ হয়ে যায়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সমির উদ্দিন বলেন, এটি ভুল হয়েছে। আমি জানতাম ওই শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আছে কিন্তু অন্য ছাত্রদের ভয়ে আমি বিষয়টি বলিনি।
এ ব্যাপারে বালিয়াকান্দি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি আমি আগে শুনিনি তবে এরুপ ঘটনা আমি আশা করি না।