শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
আজ টিভিতে যা দেখবেন (৭ নভেম্বর ২০২৬) ১ লাখ ডলারের বেশি বিদেশি বিনিয়োগ পেল বাংলাদেশি ব্লু-টেক স্টার্টআপ সিকুয়া শাহরুখ খান: প্রেম নয়, পুরুষের চোখের জলও সুন্দর হতে পারে হাসান ইতিহাস গড়ার পর বাংলাদেশের ৩ উইকেট হারানোর অস্বস্তি তাসকিন-হাসানের ঝাঁজের পর তিন পেসার না খেলানোর আক্ষেপ বিয়ে ঘিরে ট্রল, রাশমিকাকে নিয়ে সুখে আছেন জানালেন বিজয় এআই প্রযুক্তির সুফল পেতে কিছু ঝুঁকি মেনে নেওয়া যায়: স্যাম অল্টম্যান রিয়ালকে জেতালেন ভালভার্দে, ফেনারবাচের কাছে হেরে গেল লিভারপুল মান্না ও নিশোর ‘খলনায়ক’, ৩০ বছরের ব্যবধানে একই নামে সিনেমার দুই প্রজন্ম মোস্তাফিজকে দলে নেওয়ার খবর এবার জানালো মেলবোর্ন রেনেগেডস

বন্যায় চট্টগ্রামে মৎস্যে ক্ষতি শতকোটি, ভুক্তভোগী ১০ হাজার চাষি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১২:২৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / 110

 

চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যায় মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে পুকুর, দিঘি ও ঘের। বেরিয়ে গেছে মাছ। এতে কপালে হাত পড়েছে মৎস্যচাষিদের। অনেকের পথে বসার উপক্রম। জেলায় চলতি বন্যায় শুধু মৎস্য খাতেই ক্ষতি হয়েছে শতকোটি টাকা। প্রায় ১০ হাজার মাছচাষি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় শনিবার পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৫টি উপজেলার ১৫৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে মৎস্য খাতে ক্ষতির পরিমাণ ১০৯ কোটি টাকা। মোট ১২ হাজার ২৫১টি পুকুর, দিঘি ও খামার ভেসে গেছে, যার মোট আয়তন ৪ হাজার ১০৬ হেক্টর। পুকুর-দিঘি ছাড়াও ৩২০টি মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব পুকুর, দিঘি ও ঘের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মাছ বের হয়ে অনেকটা মৎস্যশূন্য হয়ে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ ১০৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, সীতাকুণ্ড ও হাটহাজারী উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, এখনো অনেক এলাকা পানির নিচে। তাই ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব তৈরি করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিক হিসাবে মৎস্য খাতে ১০৯ কোটি টাকার ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। মাছ ভেসে যাওয়ায় পুরো জেলায় প্রায় ১০ হাজার চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, বন্যার পানি নেমে গেলে চূড়ান্ত হিসাব তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের সহায়তার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হবে। সাধারণত সহায়তা হিসেবে সরকারের তরফে মাছের পোনা ও খাদ্য দেওয়া হয় বলে তিনি জানান।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বন্যায় চট্টগ্রামে মৎস্যে ক্ষতি শতকোটি, ভুক্তভোগী ১০ হাজার চাষি

প্রকাশের সময় : ১২:২৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

 

চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যায় মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে পুকুর, দিঘি ও ঘের। বেরিয়ে গেছে মাছ। এতে কপালে হাত পড়েছে মৎস্যচাষিদের। অনেকের পথে বসার উপক্রম। জেলায় চলতি বন্যায় শুধু মৎস্য খাতেই ক্ষতি হয়েছে শতকোটি টাকা। প্রায় ১০ হাজার মাছচাষি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় শনিবার পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৫টি উপজেলার ১৫৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে মৎস্য খাতে ক্ষতির পরিমাণ ১০৯ কোটি টাকা। মোট ১২ হাজার ২৫১টি পুকুর, দিঘি ও খামার ভেসে গেছে, যার মোট আয়তন ৪ হাজার ১০৬ হেক্টর। পুকুর-দিঘি ছাড়াও ৩২০টি মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব পুকুর, দিঘি ও ঘের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মাছ বের হয়ে অনেকটা মৎস্যশূন্য হয়ে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ ১০৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, সীতাকুণ্ড ও হাটহাজারী উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, এখনো অনেক এলাকা পানির নিচে। তাই ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব তৈরি করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিক হিসাবে মৎস্য খাতে ১০৯ কোটি টাকার ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। মাছ ভেসে যাওয়ায় পুরো জেলায় প্রায় ১০ হাজার চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, বন্যার পানি নেমে গেলে চূড়ান্ত হিসাব তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের সহায়তার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হবে। সাধারণত সহায়তা হিসেবে সরকারের তরফে মাছের পোনা ও খাদ্য দেওয়া হয় বলে তিনি জানান।