Dhaka ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
গুলশানে মদ্যপ অবস্থায় ‘গণউপদ্রব’ সৃষ্টির অভিযোগে আটক ১৯ ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে দ্বন্দ্ব স্পষ্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সরানো হতে পারে? বদলগাছীতে ডিআইজি’র সফর, আইন-শৃঙ্খলা ও সেবার মান উন্নয়নে নির্দেশনা অং সান সুচি ৫ বছর পর কারামুক্ত, থাকবেন গৃহবন্দি যুদ্ধবিরতির সুযোগে লুকানো অস্ত্র বের করছে ইরান, সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র বৃষ্টির বাগড়ায় সরবরাহ কম, বেগুন-কাঁকরোলের দামে সেঞ্চুরি বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা প্রতিবেশী ১১ দেশের সঙ্গে সামরিক মহড়া করছে ভারত, তালিকায় নেই বাংলাদেশ ২২৬ পেরিয়ে যাব, বিজেপি টাকা দিয়ে বুথফেরত সমীক্ষা দেখিয়েছে : মমতা নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ২৮৭ মনোনয়ন, থাকছেন কারা

বৃষ্টির বাগড়ায় সরবরাহ কম, বেগুন-কাঁকরোলের দামে সেঞ্চুরি

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • / 20

ভোরের টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে পানি জমে একপ্রকার জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে রামপুরা, মালিবাগ ও খিলগাঁও এলাকার বেশ কিছু সড়কে হাঁটুসমান পানি দেখা গেছে। এতে সাপ্তাহিক ছুটির দিনের সকালে বাজার করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। ময়লা পানি মাড়িয়ে বাজারে পৌঁছালেও দামে স্বস্তি মেলেনি। কারণ, বাজারে এখন সবজির দাম বেশ চড়া। বিশেষত বেগুন ও কাঁকরোলের দাম নাভিশ্বাস তুলছে ক্রেতাদের।

শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, চিকন বেগুন কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বড় গোল বেগুনের দাম আরও বেশি, কেজি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। একইভাবে কাঁকরোলের দামও বেশ চড়া। প্রতি কেজি কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা।

এ দুই সবজির কেজি সেঞ্চুরি পার (১০০ টাকার ওপরে) হওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য সবজিও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পটোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কাঁচা মরিচের কেজি ১২০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচকলার হালি (৪টা) বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

মুরগির বাজারেও দাম কমেনি। ব্রয়লার মুরগি কেজি প্রতি ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের এই উচ্চমূল্যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ বেড়েই চলেছে।

রামপুরার জাকের গলির বাসিন্দা সোহেল রানা সকালে বাজার করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন। তিনি বলেন, ভোরে বৃষ্টি হওয়ার পর রাস্তায় এত পানি জমেছে যে হাঁটা কষ্টকর হয়ে গেছে। ময়লা পানি মাড়িয়ে বাজারে যেতে হয়েছে। তার ওপর বাজারে এসে দেখি বেগুনের দাম আকাশছোঁয়া। এক কেজি বেগুন কিনতেই ১৪০ টাকা চলে গেল।

মালিবাগ হাজীপাড়া এলাকার গৃহিণী রুবিনা আক্তার বলেন, বাজারে যাওয়াই এখন বড় সমস্যা। পানি জমে থাকায় পা ভিজে যাচ্ছে, কাপড় নষ্ট হচ্ছে। এত কষ্ট করে বাজারে গিয়ে সবজির দাম শুনতেই কষ্ট আরও বেড়ে গেল। বিশেষ করে কাঁকরোলের দাম অনেক বেশি, কিনতে গিয়ে ভাবতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, এক কেজি কাঁকরোল ১২০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। পটোলের কেজি ৬০ টাকা। মাঝারি একটা লাউ ৭০ টাকা। বেগুন ১২০ টাকা কেজি। সব সবজির দাম এমন চড়া। বাজারে স্বস্তি কোথায় বলেন তো! বৃষ্টির অজুহাতে ব্যবসায়ীরা সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

খিলগাঁওয়ের তালতলা এলাকার বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমেছে কি না জানি না, কিন্তু বাজারে সবজির দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। বেগুন আর কাঁকরোলের দাম তো খুবই বেশি। সাধারণ মানুষের জন্য এটা অনেক কষ্টকর।

রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুল মালেক বলেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। রাস্তা খারাপ থাকায় পরিবহন খরচও বেড়েছে। এর সঙ্গে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। এজন্য দাম একটু বেশি।

তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। তাই আমাদের ধারণা সামনে সবজির দাম আরও বাড়বে। কারণ, বৃষ্টির কারণে অনেক সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমবে। আর সরবরাহ কমলে দাম বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।

মালিবাগ হাজীপাড়া বৌবাজার এলাকার আরেক বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন কাঁকরোলের মৌসুম না, তাই দাম বেশি। এখন যারা কাঁকরোল খাচ্ছেন শখ করে খাচ্ছেন। আর বেগুনের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। পাইকারি বাজারেই দাম বেশি, তাই খুচরায় কম দামে বিক্রি করা সম্ভব না।

খিলগাঁও বাজারের বিক্রেতা নুরুল হক বলেন, আমরা চাই কম দামে বিক্রি করতে। সবজির দাম কম থাকলে আমাদের বিক্রি বেশি হয়। কিন্তু পাইকারিতে দাম বেশি থাকলে আমাদের কিছু করার থাকে না। বৃষ্টি হলে সবজির সরবরাহে সমস্যা হয়, এতে দাম বাড়ে।

রামপুরা মোল্লা বাড়ি এলাকার বাসিন্দা মামুন হোসেন বলেন, আয়ের তুলনায় নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে আমাদের মতো নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে কম পরিমাণে বাজার করছেন বা কিছু পণ্য বাদ দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজার তদারকি জোরদার করলে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। পাশাপাশি বৃষ্টির সময়ে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকলে নগরজীবনে ভোগান্তি আরও বাড়বে। কিন্তু এসব কথা চিন্তা করবে কে? সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করার যেন কেউ নেই।

মোল্লা বাড়ি এলাকার সবজি বিক্রেতা কামরুল বলেন, বৃষ্টিতে ভিজে আড়ত থেকে মাল এনেছি। এখন বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে বিক্রি করছি। আমাদের দুর্ভোগ কেউ দেখে না। সবাই বলে সবজির দাম বেশি। পাইকারিতে দাম বেশি হলে আমাদের তো কিছু করার থাকে না। আমরা তো আর লোকসান দিয়ে বিক্রি করবো না। পাইকারি বাজারে দাম কমলে, তখন আমরাও কম দামে বিক্রি করতে পারবো।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বৃষ্টির বাগড়ায় সরবরাহ কম, বেগুন-কাঁকরোলের দামে সেঞ্চুরি

প্রকাশের সময় : ০২:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

ভোরের টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে পানি জমে একপ্রকার জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে রামপুরা, মালিবাগ ও খিলগাঁও এলাকার বেশ কিছু সড়কে হাঁটুসমান পানি দেখা গেছে। এতে সাপ্তাহিক ছুটির দিনের সকালে বাজার করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। ময়লা পানি মাড়িয়ে বাজারে পৌঁছালেও দামে স্বস্তি মেলেনি। কারণ, বাজারে এখন সবজির দাম বেশ চড়া। বিশেষত বেগুন ও কাঁকরোলের দাম নাভিশ্বাস তুলছে ক্রেতাদের।

শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, চিকন বেগুন কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বড় গোল বেগুনের দাম আরও বেশি, কেজি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। একইভাবে কাঁকরোলের দামও বেশ চড়া। প্রতি কেজি কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা।

এ দুই সবজির কেজি সেঞ্চুরি পার (১০০ টাকার ওপরে) হওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য সবজিও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পটোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কাঁচা মরিচের কেজি ১২০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচকলার হালি (৪টা) বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

মুরগির বাজারেও দাম কমেনি। ব্রয়লার মুরগি কেজি প্রতি ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের এই উচ্চমূল্যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ বেড়েই চলেছে।

রামপুরার জাকের গলির বাসিন্দা সোহেল রানা সকালে বাজার করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন। তিনি বলেন, ভোরে বৃষ্টি হওয়ার পর রাস্তায় এত পানি জমেছে যে হাঁটা কষ্টকর হয়ে গেছে। ময়লা পানি মাড়িয়ে বাজারে যেতে হয়েছে। তার ওপর বাজারে এসে দেখি বেগুনের দাম আকাশছোঁয়া। এক কেজি বেগুন কিনতেই ১৪০ টাকা চলে গেল।

মালিবাগ হাজীপাড়া এলাকার গৃহিণী রুবিনা আক্তার বলেন, বাজারে যাওয়াই এখন বড় সমস্যা। পানি জমে থাকায় পা ভিজে যাচ্ছে, কাপড় নষ্ট হচ্ছে। এত কষ্ট করে বাজারে গিয়ে সবজির দাম শুনতেই কষ্ট আরও বেড়ে গেল। বিশেষ করে কাঁকরোলের দাম অনেক বেশি, কিনতে গিয়ে ভাবতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, এক কেজি কাঁকরোল ১২০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। পটোলের কেজি ৬০ টাকা। মাঝারি একটা লাউ ৭০ টাকা। বেগুন ১২০ টাকা কেজি। সব সবজির দাম এমন চড়া। বাজারে স্বস্তি কোথায় বলেন তো! বৃষ্টির অজুহাতে ব্যবসায়ীরা সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

খিলগাঁওয়ের তালতলা এলাকার বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমেছে কি না জানি না, কিন্তু বাজারে সবজির দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। বেগুন আর কাঁকরোলের দাম তো খুবই বেশি। সাধারণ মানুষের জন্য এটা অনেক কষ্টকর।

রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুল মালেক বলেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। রাস্তা খারাপ থাকায় পরিবহন খরচও বেড়েছে। এর সঙ্গে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। এজন্য দাম একটু বেশি।

তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। তাই আমাদের ধারণা সামনে সবজির দাম আরও বাড়বে। কারণ, বৃষ্টির কারণে অনেক সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমবে। আর সরবরাহ কমলে দাম বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।

মালিবাগ হাজীপাড়া বৌবাজার এলাকার আরেক বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন কাঁকরোলের মৌসুম না, তাই দাম বেশি। এখন যারা কাঁকরোল খাচ্ছেন শখ করে খাচ্ছেন। আর বেগুনের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। পাইকারি বাজারেই দাম বেশি, তাই খুচরায় কম দামে বিক্রি করা সম্ভব না।

খিলগাঁও বাজারের বিক্রেতা নুরুল হক বলেন, আমরা চাই কম দামে বিক্রি করতে। সবজির দাম কম থাকলে আমাদের বিক্রি বেশি হয়। কিন্তু পাইকারিতে দাম বেশি থাকলে আমাদের কিছু করার থাকে না। বৃষ্টি হলে সবজির সরবরাহে সমস্যা হয়, এতে দাম বাড়ে।

রামপুরা মোল্লা বাড়ি এলাকার বাসিন্দা মামুন হোসেন বলেন, আয়ের তুলনায় নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে আমাদের মতো নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে কম পরিমাণে বাজার করছেন বা কিছু পণ্য বাদ দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজার তদারকি জোরদার করলে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। পাশাপাশি বৃষ্টির সময়ে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকলে নগরজীবনে ভোগান্তি আরও বাড়বে। কিন্তু এসব কথা চিন্তা করবে কে? সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করার যেন কেউ নেই।

মোল্লা বাড়ি এলাকার সবজি বিক্রেতা কামরুল বলেন, বৃষ্টিতে ভিজে আড়ত থেকে মাল এনেছি। এখন বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে বিক্রি করছি। আমাদের দুর্ভোগ কেউ দেখে না। সবাই বলে সবজির দাম বেশি। পাইকারিতে দাম বেশি হলে আমাদের তো কিছু করার থাকে না। আমরা তো আর লোকসান দিয়ে বিক্রি করবো না। পাইকারি বাজারে দাম কমলে, তখন আমরাও কম দামে বিক্রি করতে পারবো।