Dhaka ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজগুলোও মার্কিন ঘাঁটির মতোই ছাই হবে: আইআরজিসি গত নির্বাচনে ইসলামের স্বার্থে আমরা সমঝোতা ত্যাগ করেছিলাম: ফয়জুল করীম ৩ মে থেকে হাওর অঞ্চলের ধান-চাল সংগ্রহ শুরু করবে সরকার কালীগঞ্জে নানা আয়োজনে মহান মে দিবস পালিত ছিনতাইয়ের তদন্তে গিয়ে পুলিশের শর্টগান ছিনতাই লেখাপড়া আনন্দময় করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী র‌্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ মোহাম্মদপুর থানার ৩ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, যে কারণ দেখানো হলো উত্তরায় বাবার সামনে থেকেই মেয়েকে অপহরণ, ৯ দিন পর মূলহোতা গ্রেফতার বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সম্মানী নির্ধারণ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • / 58

নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সম্মানী ভাতা দেবে সরকার। পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুকেও ভাতা দেওয়া হবে। পাইলট প্রকল্প হিসেবে চলতি মাস থেকেই ভাতা দেওয়া শুরু হবে।

রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মাসিক ভাতা হিসেবে প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ইমাম ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৮ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন।

প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা পাবেন।

এছাড়া প্রতিটি চার্চের জন্য ৮ হাজার টাকা দেওয়া হবে। সেখান থেকে পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা পাবেন।

উপদেষ্টা জানান, প্রথম পর্যায়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় মাসিক সম্মানী চালু করা হবে। এজন্য প্রাথমিকভাবে প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে একটি করে মোট ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ নির্বাচন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলা থেকে দুটি করে মোট ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার এবং ৩৯৬টি গির্জা নির্বাচন করা হয়েছে।

এই সম্মানী দেওয়ার জন্য চলতি অর্থবছরে প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে নির্বাচিত উপকারভোগীদের কাছে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সম্মানী পাঠানো হবে।

সরকার আগামী চার অর্থবছরে ধাপে ধাপে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে। সব উপাসনালয় অন্তর্ভুক্ত হলে বছরে আনুমানিক ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এছাড়া উপাসনালয়ে কর্মরতদের জন্য স্থায়ীভাবে মাসিক সম্মানী দেওয়ার লক্ষ্যে একটি নীতিমালা প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সম্মানী নির্ধারণ

প্রকাশের সময় : ০৮:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সম্মানী ভাতা দেবে সরকার। পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুকেও ভাতা দেওয়া হবে। পাইলট প্রকল্প হিসেবে চলতি মাস থেকেই ভাতা দেওয়া শুরু হবে।

রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মাসিক ভাতা হিসেবে প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ইমাম ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৮ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন।

প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা পাবেন।

এছাড়া প্রতিটি চার্চের জন্য ৮ হাজার টাকা দেওয়া হবে। সেখান থেকে পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা পাবেন।

উপদেষ্টা জানান, প্রথম পর্যায়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় মাসিক সম্মানী চালু করা হবে। এজন্য প্রাথমিকভাবে প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে একটি করে মোট ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ নির্বাচন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলা থেকে দুটি করে মোট ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার এবং ৩৯৬টি গির্জা নির্বাচন করা হয়েছে।

এই সম্মানী দেওয়ার জন্য চলতি অর্থবছরে প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে নির্বাচিত উপকারভোগীদের কাছে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সম্মানী পাঠানো হবে।

সরকার আগামী চার অর্থবছরে ধাপে ধাপে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে। সব উপাসনালয় অন্তর্ভুক্ত হলে বছরে আনুমানিক ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এছাড়া উপাসনালয়ে কর্মরতদের জন্য স্থায়ীভাবে মাসিক সম্মানী দেওয়ার লক্ষ্যে একটি নীতিমালা প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।