Dhaka ১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালীগঞ্জে নানা আয়োজনে মহান মে দিবস পালিত ছিনতাইয়ের তদন্তে গিয়ে পুলিশের শর্টগান ছিনতাই লেখাপড়া আনন্দময় করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী র‌্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ মোহাম্মদপুর থানার ৩ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, যে কারণ দেখানো হলো উত্তরায় বাবার সামনে থেকেই মেয়েকে অপহরণ, ৯ দিন পর মূলহোতা গ্রেফতার বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী পাংশায় পুলিশের অভিযানে দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার শৈলকুপায় প্রস্তাবিত মেডিকেল-নার্সিং কলেজের স্থান পরিদর্শনে আইনমন্ত্রী দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বালিয়াকান্দিতে টেস্ট ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট ॥ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১
  • / 315

জনতার আদালত অনলাইন ॥ নেই কোনো টেকনোলজিস্ট। পরীক্ষা নিরীক্ষার যন্ত্রগুলোও মেয়াাদোত্তীর্ণ। তারপরও তিনি বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই রিপোর্ট দিতেন মানুষকে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই মানুষের সাথে করে আসছিলেন প্রতারণা। এ অভিযোগ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি  উপজেলার জামালপুর বাজারের গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে। বুধবার বিকেলে  ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির মালিক শরিফুল ইসলামকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রাজবাড়ীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য  প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই। তারপরও  পরীক্ষা  নিরীক্ষার নামে মানুষকে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়া হতো। এমন অভিযোগ পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়। ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির মালিক তার অপরাধ স্বীকার করায় তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সূর্যকুমার প্রামানিক ও  বালিয়াকান্দি থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আম্বিয়া  সুলতানা জানান, ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আগে থেকেই ছিল। মানুষকে সেখান থেকে যেসব পরীক্ষা নিরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া হয় সেখানে সেসব পরীক্ষা নিরীক্ষার কোনো ব্যবস্থাই নেই। যে টেকনিশয়ানের স্বাক্ষরে রিপোর্ট দেওয়া হয় তারও কোনো অস্তিত্ব নেই। ভুয়া  একজনের স্বাক্ষরে দেওয়া হতো রিপোর্ট। কেউ কেউ পাঁচকে ছয় করে কিন্তু সে পাঁচকে পাঁচশ বানিয়ে ফেলেছে। এভাবে দিনের পর দিন সে মানুষের সাথে প্রতারণা করে এসেছে। এছাড়া তার প্রতিষ্ঠানের যন্ত্রপাতিগুলোও মেয়াদোত্তীর্ণ। আগামীতে বিষয়টি নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। যাতে এ ধরনের কর্মকান্ড না চালাতে পারে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বালিয়াকান্দিতে টেস্ট ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট ॥ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশের সময় : ০৭:৫২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১

জনতার আদালত অনলাইন ॥ নেই কোনো টেকনোলজিস্ট। পরীক্ষা নিরীক্ষার যন্ত্রগুলোও মেয়াাদোত্তীর্ণ। তারপরও তিনি বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই রিপোর্ট দিতেন মানুষকে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই মানুষের সাথে করে আসছিলেন প্রতারণা। এ অভিযোগ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি  উপজেলার জামালপুর বাজারের গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে। বুধবার বিকেলে  ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির মালিক শরিফুল ইসলামকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রাজবাড়ীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য  প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই। তারপরও  পরীক্ষা  নিরীক্ষার নামে মানুষকে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়া হতো। এমন অভিযোগ পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়। ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির মালিক তার অপরাধ স্বীকার করায় তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সূর্যকুমার প্রামানিক ও  বালিয়াকান্দি থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আম্বিয়া  সুলতানা জানান, ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আগে থেকেই ছিল। মানুষকে সেখান থেকে যেসব পরীক্ষা নিরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া হয় সেখানে সেসব পরীক্ষা নিরীক্ষার কোনো ব্যবস্থাই নেই। যে টেকনিশয়ানের স্বাক্ষরে রিপোর্ট দেওয়া হয় তারও কোনো অস্তিত্ব নেই। ভুয়া  একজনের স্বাক্ষরে দেওয়া হতো রিপোর্ট। কেউ কেউ পাঁচকে ছয় করে কিন্তু সে পাঁচকে পাঁচশ বানিয়ে ফেলেছে। এভাবে দিনের পর দিন সে মানুষের সাথে প্রতারণা করে এসেছে। এছাড়া তার প্রতিষ্ঠানের যন্ত্রপাতিগুলোও মেয়াদোত্তীর্ণ। আগামীতে বিষয়টি নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। যাতে এ ধরনের কর্মকান্ড না চালাতে পারে।