হাসান ইতিহাস গড়ার পর বাংলাদেশের ৩ উইকেট হারানোর অস্বস্তি

- প্রকাশের সময় : ০৬:৩০:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
- / 8

ছন্দে থাকা পেসার হাসান মাহমুদ ৬ উইকেট শিকার করে রেকর্ডময় পারফরম্যান্স উপহার দিলেন। তবুও লেজের দিকের ব্যাটারদের দৃঢ়তায় সাড়ে তিনশ ছাড়িয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ। জবাব দিতে নেমে দ্রুত ৩ উইকেট হারানোর অস্বস্তি নিয়ে দিনের খেলা শেষ করল বাংলাদেশ।
খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত
শুক্রবার সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ২৬৮ রানে পিছিয়ে কিছুটা চাপে আছে স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসে তাদের রান ৪০ ওভারে ৩ উইকেটে ৮৮। এর আগে ক্যারিবিয়ানরা অলআউট হয় ৩৫৬ রান তুলে, যা এই ভেন্যুতে প্রথম ইনিংসে কোনো দলের সর্বোচ্চ পুঁজি।
হাসান ইতিহাস গড়ে ২৪ ওভারে একটি মেডেনসহ ৯০ রান খরচায় নেন ৬ উইকেট। টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে ইনিংসে সবচেয়ে বেশিবার ৫ উইকেট নেওয়া পেসার এখন তিনি। ১৯ টেস্টের ক্যারিয়ারে এটি তার পঞ্চম ফাইফার। পেছনে পড়ে গেছেন ৩৮ টেস্টের ক্যারিয়ারে চারবার ৫ উইকেট পাওয়া শাহাদাত হোসেন।
৫১ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশকে টেনে তোলার চেষ্টায় আছেন তাওহিদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম। দেখেশুনে খেলতে থাকলেও দুজনই অবশ্য একবার করে আউট হওয়ার শঙ্কা থেকে বেঁচে গেছেন। হৃদয় ৮০ বলে দুটি চারে ২৯ এবং মুশফিক ৫৬ বলে দুটি চারে ১৯ রানে অপরাজিত আছেন। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৩৭ রান এসেছে ১০৪ বলে। আলোকস্বল্পতায় ১৯ ওভার বাকি থাকতেই দিনের খেলার ইতি টানেন আম্পায়াররা।
ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া
দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি সময়ে ব্যাটিংয়ে নেমে চা বিরতির আগেই দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত মাটি কামড়ে পড়ে থাকার চেষ্টা করলেও সফল হননি। তৃতীয় সেশনের শুরুর দিকে তার বিদায়ের পর হাল ধরেছেন আগের টেস্টে দুবার ব্যাখ্যাতীতভাবে উইকেট ছুড়ে দেওয়া হৃদয় এবং মুমিনুল হকের জায়গায় এই ম্যাচের একাদশে ফেরা মুশফিক। তারা বাকি অংশে আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি।
ফিল্ডিংয়ের সময় গোড়ালিতে চোট পাওয়া সাদমান ইসলাম ব্যাটিংয়ে নামতে পারেননি। চলমান টেস্টে তার খেলা নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছে। তার জায়গায় বিস্ময় জাগিয়ে ওপেনিংয়ে নাঈম হাসানকে নামায় বাংলাদেশ। এই অফ স্পিনারকে নিয়ে ধরা বাজি যদিও কাজে লাগেনি। ৬ বলে ৫ রান করে জেইডেন সিলসের বলে স্লিপে ক্যাচ দেন তিনি।
আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ছটফট করছিলেন। ৮ রানে ক্যাচ তুলে বেঁচে যাওয়ার পর সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। জাস্টিন গ্রিভসের বলে কেভিন উইকহ্যাম নেন অসাধারণ এক ক্যাচ। ফলে ৩৩ বলে দুটি চারে ১৬ রানে থামতে হয় তানজিদকে।






















