মেজবাহ উল করিম রিন্টু স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগ
ঈদ সামগ্রী পেয়ে হাসি ফুটেছে ৭০ পরিবারে
- প্রকাশের সময় : ০৭:৩০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
- / 128
মেজবাহ উল করিম রিন্টু স্মৃতি পরিষদ থেকে ঈদ সামগ্রী ও নগদ টাকা উপহার পেয়ে হাসি ফুটেছে হতদরিদ্রদের। বুধবার সকালে রাজবাড়ী শহরের বড়পুলে রিন্টুর বাসভবন থেকে ৭০ পরিবারের মাঝে এসব উপহার তুলে দেওয়া হয়। উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, তেল, সেমাই, চিনি, নগদ টাকা ইত্যাদি।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা রোকেয়া বেগম জানান, তার স্বামী নেই। পরিবারে সাতজন সদস্য। একজনও কর্মক্ষম নয়। খেয়ে না ভেয়ে কোনোরকমে দিন চলে তার। ঈদে ভালো মন্দ খাওয়ার কথা চিন্তাও করতে পারেননি। এসব সামগ্রী পেয়ে ঈদের দিন পরিবারের সামনে ভালো কিছু রান্না করে দিতে পারবেন। এতেই তার স্বস্তি।
একই গ্রামের জাহানারা খাতুন জানান, তার পরিবারে চারজন সদস্য। দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন। এক মেয়েকে ফেলে রেখে স্বামী চলে গেছে। পরিবারে আয় রোজগার করার নেই। ক্রন্দনরত কণ্ঠে বলেন, আমি প্রাণভরে রিন্টু ও তার পরিবারের জন্য দোয়া করি। আমাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে, আল্লাহ ওনাদের ঘর হাসিতে ভরে তুলুক।
বিতরণ উপলক্ষে বক্তৃতা করেন মেজবাহ উল করিম রিন্টু স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক আজিজা খানম, রাজবাড়ী একাডেমির সভাপতি সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান, ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আশরাফুল আজম শাকিল, রাজবাড়ী সুহৃদ সমাবেশের সভাপতি ্আহসান হাবীব, সাবেক সভাপতি কমলকান্তি সরকার, শিশুরাজ্য কিন্ডার গার্টেনের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, রাজবাড়ী সাহিত্য পরিষদের সাধারগণ সম্পাদক কবি খোকন মাহমুদ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, মেজবাহ উল করিম রিন্টু ছিলেন একজন প্রকৃতি ও মানবপ্রেমি। যিনি সাধারণ মানুষের জন্য নীরবে নিভৃতে কাজ করে গেছেন। পরিবেশের কথা ভেবে শত শত বৃক্ষরোপণ করেছেন। বজ্রপাতরোধে তালবীজ রোপণ করেছেন। তার মত মানুুষ এ যুগে বিরল। ঈদে দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ রিন্টুই চালু করেছিলেন। আজও তা অব্যাহত আছে- এটাই খুশীর কথা।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক সৌমিত্র শীল চন্দন।























