Dhaka ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মমত্ববোধ দিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নতুন বিমান সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা সোনালী ব্যাংকের জুরাইনে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের দাফন সম্পন্ন ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারাজ উদ্বোধনের আশা সংসদীয় কমিটির মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস কালীগঞ্জে জামায়াতের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৪ প্রতিষ্ঠানকে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী

ডাকসুকে ব্যবহার করে বড় নেতা হয়েছেন, শিক্ষার্থীদের উন্নয়ন হয়নি: সাদিক কায়েম

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • / 272

ছাত্র শিবিরের দেয়া ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম অভিযোগ করে বলেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জয়ী অনেকেই বড় বড় নেতা হয়েছেন, তবে শিক্ষার্থীদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি।’

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) ফরম জমা দেয়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সাদিক বলেন, ‘জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের চাওয়ার সঠিক বাস্তবায়ন করতে চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট। বিগত সময়ে বিভিন্ন কমিটি এলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান আমরা দেখতে পাইনি। ডাকসুকে ব্যবহার করে বড় বড় নেতার জন্ম হয়েছে, তবে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। আমাদের ইশতেহারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের চাওয়ার প্রতিচ্ছবি থাকবে এবং এসব চাওয়া পূরণে আমরা কাজ করবো।’

এ সময় ফরম উত্তোলন ও জমা দেয়ার সময় বাড়ানোর সমালোচনা করে সাদিক বলেন, ‘একটা দলের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিশেষ দরদ কাজ করছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পদে থাকা শিক্ষকদের একপাক্ষিক আচরণ দেখেছি। তাদের রাজনৈতিক আদর্শের প্রকাশ দেখতে পেয়েছি। এ ধরনের আচরণ আমরা দেখতে চাই না।’ এসময় শিক্ষকদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে গ্রহণযোগ্য আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।

ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ বলেন, ‘মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময় বাড়ানো একটি দলের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ। এমন ঘটনায় ইসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ হয়েছে। একটি বিশেষ দলকে সুযোগ দিতে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই এমন সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই ঠিক হয়নি।’

এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা ফ্রেমিংয়ের মাধ্যমে ছাত্র শিবিরকে হেয় করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ফরহাদ বলেন, ‘আমাদের প্যানেলকে শিবিরের ‘প্রথম প্রকাশ্য প্যানেল’ বলে অনেকেই মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করেছেন। এটি ঠিক না। ১৯৭৯ সাল থেকে বিভিন্ন ডাকসু নির্বাচনে শিবিরের পক্ষ থেকে প্যানেল দেয়া হয়েছে। সে সব প্যানেল থেকে বিভিন্ন পদে প্রার্থীরা জয় লাভও করেছেন। ২০২৫ সালের ডাকসু নির্বাচনের মধ্যদিয়ে ৬ বার নির্বাচন হতে যাচ্ছে, এরমধ্যে ৫ বারই শিবির তার প্যানেল থেকে নির্বাচন করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ডাকসুকে ব্যবহার করে বড় নেতা হয়েছেন, শিক্ষার্থীদের উন্নয়ন হয়নি: সাদিক কায়েম

প্রকাশের সময় : ০৪:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

ছাত্র শিবিরের দেয়া ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম অভিযোগ করে বলেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জয়ী অনেকেই বড় বড় নেতা হয়েছেন, তবে শিক্ষার্থীদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি।’

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) ফরম জমা দেয়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সাদিক বলেন, ‘জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের চাওয়ার সঠিক বাস্তবায়ন করতে চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট। বিগত সময়ে বিভিন্ন কমিটি এলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান আমরা দেখতে পাইনি। ডাকসুকে ব্যবহার করে বড় বড় নেতার জন্ম হয়েছে, তবে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। আমাদের ইশতেহারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের চাওয়ার প্রতিচ্ছবি থাকবে এবং এসব চাওয়া পূরণে আমরা কাজ করবো।’

এ সময় ফরম উত্তোলন ও জমা দেয়ার সময় বাড়ানোর সমালোচনা করে সাদিক বলেন, ‘একটা দলের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিশেষ দরদ কাজ করছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পদে থাকা শিক্ষকদের একপাক্ষিক আচরণ দেখেছি। তাদের রাজনৈতিক আদর্শের প্রকাশ দেখতে পেয়েছি। এ ধরনের আচরণ আমরা দেখতে চাই না।’ এসময় শিক্ষকদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে গ্রহণযোগ্য আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।

ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ বলেন, ‘মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময় বাড়ানো একটি দলের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ। এমন ঘটনায় ইসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ হয়েছে। একটি বিশেষ দলকে সুযোগ দিতে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই এমন সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই ঠিক হয়নি।’

এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা ফ্রেমিংয়ের মাধ্যমে ছাত্র শিবিরকে হেয় করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ফরহাদ বলেন, ‘আমাদের প্যানেলকে শিবিরের ‘প্রথম প্রকাশ্য প্যানেল’ বলে অনেকেই মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করেছেন। এটি ঠিক না। ১৯৭৯ সাল থেকে বিভিন্ন ডাকসু নির্বাচনে শিবিরের পক্ষ থেকে প্যানেল দেয়া হয়েছে। সে সব প্যানেল থেকে বিভিন্ন পদে প্রার্থীরা জয় লাভও করেছেন। ২০২৫ সালের ডাকসু নির্বাচনের মধ্যদিয়ে ৬ বার নির্বাচন হতে যাচ্ছে, এরমধ্যে ৫ বারই শিবির তার প্যানেল থেকে নির্বাচন করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।’