Dhaka ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি প্রতিরোধ দিবস পালিত

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ১০৫১ জন সংবাদটি পড়েছেন

রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন, সচেতন নাগরিক কমিটি(সনাক)ও দুপ্রক রাজবাড়ীর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মানববন্ধন, র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকাল ৯ টায় জেলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন শেষে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
পরে অফিসার্স ক্লাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জি এম আবুল কালাম আজাদ, দুদক ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারি প্ররিচালক সাজিদ-উর রোমান, সনাক সভাপতি প্রফেসর মো. নুরুজ্জামান। স্বাগত বক্তৃতা করেন দুপ্রক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান।
আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ২০২৩ উপলক্ষে দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে টিআইবি সংশ্লিষ্ট অংশীজনের বিবেচনার জন্য নি¤œলিখিত সুপারিশসমূহ প্রস্তাব জানিয়েছে Ñ
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণ, গণমাধ্যম ও বেসরকারি সংগঠনসমূহ যাতে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে পারে, তার উপযুক্ত পরিবেশ এবং এরূপ সংস্থার গঠন, নিবন্ধন, ব্যবস্থাপনা-প্রক্রিয়া সহজতর করাসহ উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণশুনানির মতো জনগণের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে খসড়া ‘‘প্রেস কাউন্সিল আইন, ২০১৯’’ এবং ‘‘খসড়া গণমাধ্যম-কর্মী (চাকুরির শর্তাবলি) আইন, ২০১৮’’ পাশ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদিত ‘‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৩’’ আন্তর্জাতিক চর্চার আলোকে পূর্নবিন্যাস ও স্পষ্টিকরণ করাসহ আইনটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে একটি স্বতন্ত্র কর্তৃপক্ষ গঠন করতে হবে।
‘‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’’Ñএর যে সকল ধারা মানবাধিকার-বিরোধী ও তথ্য-প্রযুক্তির সঙ্গে সর্ম্পকহীন এবং ব্যাখ্যার বা অর্থের অস্পষ্টতা রয়েছে সেই সকল ধারাসমূহ বাতিল করতে হবে।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য ‘‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩’’ বাতিলসহ অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য প্রকাশকারীর সুরক্ষা নিশ্চিতে তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা) আইন, ২০১১Ñএর যথাযথ সংস্কার ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ব্যাংকিং খাত-সংশ্লিষ্ট নিরপেক্ষ, স্বার্থের দ্ব›দ্বমুক্ত, স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম এমন দক্ষ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি ‘‘স্বাধীন ব্যাংকিং কমিশন গঠন’’ করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে অর্থ পাচার বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং যে সকল দেশে অর্থ পাচার হয়েছে সে সকল দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আইনি সহায়তা জোরদারসহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।
কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে দেশে-বিদেশে সকল প্রকার লেনদেনের স্বয়ংক্রিয় তথ্য আদান- প্রদান সহায়ক ‘‘কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড’’ (সিআরএস) অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।
সরকারি ক্রয়-ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল দরপত্র ই-জিপি প্রক্রিয়ায় সম্পাদন এবং উন্মুক্ত ও সীমিত দরপত্র-পদ্ধতিতে মূল্যসীমার বিধান বাতিল করতে হবে।
সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮Ñতে ‘‘সরকারি’’ শব্দটির পরিবর্তে ‘‘প্রজাতন্ত্র’’ শব্দটি প্রতিস্থাপন এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ফৌজদারি মামলায় গ্রেফতারে সরকারের অনুমতি গ্রহণের বিধান (ধারা ৪১ এর ১) বাতিল করাসহ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অন্যান্য অন্তরায় ও বৈষম্যমূলক ধারা সংশোধন করতে হবে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)Ñএর চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ-প্রক্রিয়াসহ সংস্থাটির কার্যক্রম দলীয় প্রভাবমুক্ত ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচার বিষয়ে তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণে দুদকের ক্ষমতাকে খর্ব করে আইনের (সিভিল সার্ভিস অ্যাক্ট, ২০১৮; মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২; আয়কর আইন, ২০২৩) এমন সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহ সংশোধন করতে হবে।
সরকারি কার্যে ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থতা, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে ‘‘স্বার্থের দ্ব›দ্ব আইন’’ প্রণয়ন করতে হবে।
বিচার বিভাগের নিয়োগ, পদায়ন, বদলিসহ বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।
বিচারবর্হিভ‚ত হত্যাকাÐ ও গুমসহ সকল মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের ক্ষেত্রে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে এখতিয়ার প্রদান করতে হবে।
রাজনৈতিক দলের সকল প্রকার গৃহীত অনুদান, আয়-ব্যয়, বিশেষ কার্যক্রমভিত্তিক সংগৃহীত অর্থ ও ব্যয়, প্রচারণাসহ নির্বাচনী ব্যয়, মনোনয়ন-কেন্দ্রিক আর্থিক লেনদেনকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসতে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার করতে হবে।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ভয়-করুণা ও প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে নির্বাচন কমিশনকে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সকল অংশীজনের প্রতিবন্ধকতাবিহীন অংশগ্রহণ ও নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, প্রচার ও প্রকাশকে অবাধ ও মুক্ত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনকে কঠোরভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি প্রতিরোধ দিবস পালিত

প্রকাশের সময় : ০৮:৫১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন, সচেতন নাগরিক কমিটি(সনাক)ও দুপ্রক রাজবাড়ীর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মানববন্ধন, র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকাল ৯ টায় জেলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন শেষে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
পরে অফিসার্স ক্লাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জি এম আবুল কালাম আজাদ, দুদক ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারি প্ররিচালক সাজিদ-উর রোমান, সনাক সভাপতি প্রফেসর মো. নুরুজ্জামান। স্বাগত বক্তৃতা করেন দুপ্রক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান।
আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ২০২৩ উপলক্ষে দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে টিআইবি সংশ্লিষ্ট অংশীজনের বিবেচনার জন্য নি¤œলিখিত সুপারিশসমূহ প্রস্তাব জানিয়েছে Ñ
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণ, গণমাধ্যম ও বেসরকারি সংগঠনসমূহ যাতে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে পারে, তার উপযুক্ত পরিবেশ এবং এরূপ সংস্থার গঠন, নিবন্ধন, ব্যবস্থাপনা-প্রক্রিয়া সহজতর করাসহ উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণশুনানির মতো জনগণের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে খসড়া ‘‘প্রেস কাউন্সিল আইন, ২০১৯’’ এবং ‘‘খসড়া গণমাধ্যম-কর্মী (চাকুরির শর্তাবলি) আইন, ২০১৮’’ পাশ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদিত ‘‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৩’’ আন্তর্জাতিক চর্চার আলোকে পূর্নবিন্যাস ও স্পষ্টিকরণ করাসহ আইনটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে একটি স্বতন্ত্র কর্তৃপক্ষ গঠন করতে হবে।
‘‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’’Ñএর যে সকল ধারা মানবাধিকার-বিরোধী ও তথ্য-প্রযুক্তির সঙ্গে সর্ম্পকহীন এবং ব্যাখ্যার বা অর্থের অস্পষ্টতা রয়েছে সেই সকল ধারাসমূহ বাতিল করতে হবে।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য ‘‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩’’ বাতিলসহ অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য প্রকাশকারীর সুরক্ষা নিশ্চিতে তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা) আইন, ২০১১Ñএর যথাযথ সংস্কার ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ব্যাংকিং খাত-সংশ্লিষ্ট নিরপেক্ষ, স্বার্থের দ্ব›দ্বমুক্ত, স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম এমন দক্ষ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি ‘‘স্বাধীন ব্যাংকিং কমিশন গঠন’’ করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে অর্থ পাচার বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং যে সকল দেশে অর্থ পাচার হয়েছে সে সকল দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আইনি সহায়তা জোরদারসহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।
কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে দেশে-বিদেশে সকল প্রকার লেনদেনের স্বয়ংক্রিয় তথ্য আদান- প্রদান সহায়ক ‘‘কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড’’ (সিআরএস) অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।
সরকারি ক্রয়-ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল দরপত্র ই-জিপি প্রক্রিয়ায় সম্পাদন এবং উন্মুক্ত ও সীমিত দরপত্র-পদ্ধতিতে মূল্যসীমার বিধান বাতিল করতে হবে।
সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮Ñতে ‘‘সরকারি’’ শব্দটির পরিবর্তে ‘‘প্রজাতন্ত্র’’ শব্দটি প্রতিস্থাপন এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ফৌজদারি মামলায় গ্রেফতারে সরকারের অনুমতি গ্রহণের বিধান (ধারা ৪১ এর ১) বাতিল করাসহ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অন্যান্য অন্তরায় ও বৈষম্যমূলক ধারা সংশোধন করতে হবে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)Ñএর চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ-প্রক্রিয়াসহ সংস্থাটির কার্যক্রম দলীয় প্রভাবমুক্ত ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচার বিষয়ে তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণে দুদকের ক্ষমতাকে খর্ব করে আইনের (সিভিল সার্ভিস অ্যাক্ট, ২০১৮; মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২; আয়কর আইন, ২০২৩) এমন সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহ সংশোধন করতে হবে।
সরকারি কার্যে ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থতা, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে ‘‘স্বার্থের দ্ব›দ্ব আইন’’ প্রণয়ন করতে হবে।
বিচার বিভাগের নিয়োগ, পদায়ন, বদলিসহ বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।
বিচারবর্হিভ‚ত হত্যাকাÐ ও গুমসহ সকল মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের ক্ষেত্রে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে এখতিয়ার প্রদান করতে হবে।
রাজনৈতিক দলের সকল প্রকার গৃহীত অনুদান, আয়-ব্যয়, বিশেষ কার্যক্রমভিত্তিক সংগৃহীত অর্থ ও ব্যয়, প্রচারণাসহ নির্বাচনী ব্যয়, মনোনয়ন-কেন্দ্রিক আর্থিক লেনদেনকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসতে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার করতে হবে।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ভয়-করুণা ও প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে নির্বাচন কমিশনকে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সকল অংশীজনের প্রতিবন্ধকতাবিহীন অংশগ্রহণ ও নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, প্রচার ও প্রকাশকে অবাধ ও মুক্ত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনকে কঠোরভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে।