Dhaka 12:57 pm, Friday, 2 December 2022

করোনা সংক্রমণে রাজবাড়ীর সোনালী ও ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ,

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : 12:18:47 pm, Sunday, 5 July 2020
  • / 1340 জন সংবাদটি পড়েছেন

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীতে সোনালী ব্যাংক ও বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীরা  করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় ওই দুটি ব্যাংকের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যা রোববার থেকে কার্যকর হতে চলেছে। এতে বিপাকে পড়েছে ব্যাংক দুটির প্রায়  ৮৫  হাজার গ্রাহক।  দুটি ব্যাংকের ১৮ জন কর্মকর্তা কর্মচারী আক্রান্ত  হয়েছেন করোনায়।

সোনালী ব্যাংক রাজবাড়ী শাখা সূত্র জানায়, গত ২৫ জুন তারিখে ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা  করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর একে একে সাতজন আক্রান্ত  হন। যেকারণে  সদর উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি ব্যাংকটির কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যাংকটিতে গ্রাহক রয়েছে প্রায় ১৬ হাজার। রাজবাড়ী শহরে আর কোনো শাখা নেই। তবে শহর থেকে  তিন কিলোমিটার দূরে শ্রীপুরে একটি শাখা আছে।

সোনালী ব্যাংক রাজবাড়ী শাখার ব্যবস্থাপক সঞ্চয় কুমার দাস জানান, সদর উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্তানুযায়ী  ব্যাংকের কার্যক্রম ১৪ দিনের জন্য বন্ধ রাখা  হয়েছে। তবে সরকারি জরুরী  কার্যক্রম চলবে। গ্রাহকরা চাইলে শহরতলীর শ্রীপুর শাখা থেকে অনলাইনে লেনদেন করতে পারবে।

অপরদিকে ইসলামী ব্যাংক রাজবাড়ী শাখার ৫৯ জন কর্মকর্তা কর্মচারীর মধ্যে ১১ জন কর্মকর্তা  করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ ব্যাংকটির রাজবাড়ী শাখার গ্রাহক প্রায় ৭০ হাজার। ব্যাংকের ব্যবস্থাপক কামরুজ্জামান জানান, ১৪ দিন পরে তারা স্বাভাবিক  কার্যক্রম শুরু করবেন।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও রাজবাড়ী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা  কর্মকর্তা ডা. এসএমএ হান্নান জানান, দুটি ব্যাংকের ১৮ জন স্টাফ আক্রান্ত হওয়ায় স্বাভাবিক কারণেই তা উদ্বেগের। তাদের দ্বারা অন্য স্টাফ বা গ্রাহকরা যাতে আক্রান্ত না হয় একারণে কিছু নির্দেশনা দিয়ে ব্যাংক দুটির কার্যক্রম  সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। ব্যাংক দুটির আক্রান্ত কর্মকর্তা কর্মচারীরা বর্তমানে হোম আইসোলেশনে আছেন। এছাড়া আরও কয়েকজন নমুনা দিয়েছেন। আক্রান্ত  ব্যক্তিদের ১৪ দিন  হোম আইসোলেশনে থাকার পর  আরও ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে  থাকবেন। তারপর পরীক্ষার পর  কাজে যোগ দেবেন। তাদের সার্বক্ষণিক খোঁজ  রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ম্যানেজারকে বলা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

করোনা সংক্রমণে রাজবাড়ীর সোনালী ও ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ,

প্রকাশের সময় : 12:18:47 pm, Sunday, 5 July 2020

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীতে সোনালী ব্যাংক ও বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীরা  করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় ওই দুটি ব্যাংকের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যা রোববার থেকে কার্যকর হতে চলেছে। এতে বিপাকে পড়েছে ব্যাংক দুটির প্রায়  ৮৫  হাজার গ্রাহক।  দুটি ব্যাংকের ১৮ জন কর্মকর্তা কর্মচারী আক্রান্ত  হয়েছেন করোনায়।

সোনালী ব্যাংক রাজবাড়ী শাখা সূত্র জানায়, গত ২৫ জুন তারিখে ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা  করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর একে একে সাতজন আক্রান্ত  হন। যেকারণে  সদর উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি ব্যাংকটির কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যাংকটিতে গ্রাহক রয়েছে প্রায় ১৬ হাজার। রাজবাড়ী শহরে আর কোনো শাখা নেই। তবে শহর থেকে  তিন কিলোমিটার দূরে শ্রীপুরে একটি শাখা আছে।

সোনালী ব্যাংক রাজবাড়ী শাখার ব্যবস্থাপক সঞ্চয় কুমার দাস জানান, সদর উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্তানুযায়ী  ব্যাংকের কার্যক্রম ১৪ দিনের জন্য বন্ধ রাখা  হয়েছে। তবে সরকারি জরুরী  কার্যক্রম চলবে। গ্রাহকরা চাইলে শহরতলীর শ্রীপুর শাখা থেকে অনলাইনে লেনদেন করতে পারবে।

অপরদিকে ইসলামী ব্যাংক রাজবাড়ী শাখার ৫৯ জন কর্মকর্তা কর্মচারীর মধ্যে ১১ জন কর্মকর্তা  করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ ব্যাংকটির রাজবাড়ী শাখার গ্রাহক প্রায় ৭০ হাজার। ব্যাংকের ব্যবস্থাপক কামরুজ্জামান জানান, ১৪ দিন পরে তারা স্বাভাবিক  কার্যক্রম শুরু করবেন।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও রাজবাড়ী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা  কর্মকর্তা ডা. এসএমএ হান্নান জানান, দুটি ব্যাংকের ১৮ জন স্টাফ আক্রান্ত হওয়ায় স্বাভাবিক কারণেই তা উদ্বেগের। তাদের দ্বারা অন্য স্টাফ বা গ্রাহকরা যাতে আক্রান্ত না হয় একারণে কিছু নির্দেশনা দিয়ে ব্যাংক দুটির কার্যক্রম  সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। ব্যাংক দুটির আক্রান্ত কর্মকর্তা কর্মচারীরা বর্তমানে হোম আইসোলেশনে আছেন। এছাড়া আরও কয়েকজন নমুনা দিয়েছেন। আক্রান্ত  ব্যক্তিদের ১৪ দিন  হোম আইসোলেশনে থাকার পর  আরও ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে  থাকবেন। তারপর পরীক্ষার পর  কাজে যোগ দেবেন। তাদের সার্বক্ষণিক খোঁজ  রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ম্যানেজারকে বলা হয়েছে।