Dhaka ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে কোলা ইউনিয়ন বিএনপির মানবিক উদ্যোগ রূপপুর প্রকল্পে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়ার অনুমতি টিকটকে যুক্ত হলো নতুন দুই সুবিধা পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাঙ্ক করে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন ৬১ বছরের নারী শূন্য থেকে শিখরে: কত সম্পদ রেখে গেলেন নানা পাটেকার জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নিবন্ধন শুরু ১৫ অক্টোবর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে পণ্যের সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫

রাজবাড়ীর মরডাঙ্গা সেকান্দারিয়া ফাযিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯
  • / 637

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ী সদর উপজেলার মরডাঙ্গা সেকান্দারিয়া ফাযিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবিষয়ে মাদ্রাসার ২৮ জন শিক্ষকের মধ্যে ১৯ জন শিক্ষক স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র গত ৪ ডিসেম্বর তারিখে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক ও মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতির কাছে দেয়া হয়েছে।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট তারিখে আব্দুর রশিদ মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ২০১৭-২৮ এবং ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে মাদ্রাসার মাঠ উন্নয়নের জন্য ৪০ হাজার টাকা, বিজ্ঞান বিভাগের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ২৫ হাজার টাকা, মাদ্রাসা উন্নয়নের জন্য ৩০ হাজার টাকা, জেলা পরিষদ থেকে বিজ্ঞান ভবন সংষ্কারের জন্য এক লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। বরাদ্দ প্রাপ্ত এসব টাকার কোনো কাজ না করে তিনি ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে সরকারি বিধি বিধান ছাড়াই মাদ্রাসার ১৮টি মেহগনি গাছ বেটে কুঠি পাচুরিয়া বাজারের স’মিলে সংরক্ষণ করে গোপনে বিক্রি করেছেন। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ছয় লাখ টাকা।
এছাড়া আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মেয়াদকাল এক বছর। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কোনো অবস্থাতেই এক বছরের বেশি থাকতে পারবে না। যুক্তি সঙ্গত কারণ ছাড়া এক বছরের মধ্যে অধ্যক্ষ নিয়োগে ব্যর্থ হলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত কাগজপত্র ও কার্যবিবরণী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গৃহীত হবে না। তার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মেয়াদ দুই বছর তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। তার দায়িত্ব পালন আইনের চোখে প্রশ্নবিদ্ধ।
এবিষয়ে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ জানান, যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক ও মাদ্রাসা গভর্নিয় বডির সভাপতি দিলসাদ বেগম জানান, এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীর মরডাঙ্গা সেকান্দারিয়া ফাযিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ী সদর উপজেলার মরডাঙ্গা সেকান্দারিয়া ফাযিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবিষয়ে মাদ্রাসার ২৮ জন শিক্ষকের মধ্যে ১৯ জন শিক্ষক স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র গত ৪ ডিসেম্বর তারিখে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক ও মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতির কাছে দেয়া হয়েছে।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট তারিখে আব্দুর রশিদ মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ২০১৭-২৮ এবং ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে মাদ্রাসার মাঠ উন্নয়নের জন্য ৪০ হাজার টাকা, বিজ্ঞান বিভাগের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ২৫ হাজার টাকা, মাদ্রাসা উন্নয়নের জন্য ৩০ হাজার টাকা, জেলা পরিষদ থেকে বিজ্ঞান ভবন সংষ্কারের জন্য এক লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। বরাদ্দ প্রাপ্ত এসব টাকার কোনো কাজ না করে তিনি ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে সরকারি বিধি বিধান ছাড়াই মাদ্রাসার ১৮টি মেহগনি গাছ বেটে কুঠি পাচুরিয়া বাজারের স’মিলে সংরক্ষণ করে গোপনে বিক্রি করেছেন। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ছয় লাখ টাকা।
এছাড়া আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মেয়াদকাল এক বছর। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কোনো অবস্থাতেই এক বছরের বেশি থাকতে পারবে না। যুক্তি সঙ্গত কারণ ছাড়া এক বছরের মধ্যে অধ্যক্ষ নিয়োগে ব্যর্থ হলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত কাগজপত্র ও কার্যবিবরণী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গৃহীত হবে না। তার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মেয়াদ দুই বছর তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। তার দায়িত্ব পালন আইনের চোখে প্রশ্নবিদ্ধ।
এবিষয়ে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ জানান, যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক ও মাদ্রাসা গভর্নিয় বডির সভাপতি দিলসাদ বেগম জানান, এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।