Dhaka ০৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা! জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাতের প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশ সীমান্তে পড়ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্রাইয়ে মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ: ইইউ রাষ্ট্রদূত কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে যুবককে মারধর বাংলাদেশ এখন কৌশলগত গুরুত্বের অংশীদার: ইইউ রাষ্ট্রদূত

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬ আহত ৪০৭৮

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 117

 

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে সারা দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৩৬ জন নিহত ও ৪ হাজার ৭৮ জন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বিএনপির ২৮ জন, জামায়াতের চারজন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একজন রয়েছেন। এই সময়ে ৬১০টি সহিংসতার ঘটনার ৫৭৩টিই ঘটেছে বিএনপির অন্তর্কোন্দল ও দলটির সঙ্গে অন্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিরোধে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক বিরোধ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা, বিভিন্ন দলের সমাবেশ কেন্দ্রিক সহিংসতা, প্রার্থীর সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, বাড়িঘর, যানবাহন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ও রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও চাঁদাবাজি কেন্দ্রিক অধিকাংশ সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এ সময়ে রাজনৈতিক মামলায় কমপক্ষে ৮৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যার মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ৪৩৬ জন, বিএনপির ৩১৪ জন, জামায়াতের ৭৬ জন ও এনসিপির ১৭ জন। গত ৩ মাসে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ৬ শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী।

এদিকে এ সময়ে ৮২টি হামলার ঘটনায় ১৮৩ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। গণপিটুনি ও মব সহিংসতায় সারা দেশ চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, বাগ্বিত-া, আধিপত্য বিস্তার, ধর্মীয় অবমাননাসহ নানা অভিযোগে ৮৮টি ঘটনায় ৪৯ জন নিহত ও ৮০ জন আহত হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ২৭টি হামলার ঘটনায় ৩১ জন আহত হয়েছে। চারটি মন্দির, দুটি প্রতিমা ও ১৯টি বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। জমি দখলের তিনটি ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির ১০টি ঘটনা ঘটেছে। মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে ১১টি সহিংসতার ঘটনায় একজন নিহত, পাঁচজন আহত, গুলিবিদ্ধ চারজন ও ৩২ জনকে আটক করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজত, নির্যাতন, গুলিবর্ষণ এবং কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। ৬৭০ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৪৭ জন, যাদের মধ্যে ৭৬ জন ১৮ বছরের কম বয়সি শিশু ও কিশোরী।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬ আহত ৪০৭৮

প্রকাশের সময় : ১০:০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

 

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে সারা দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৩৬ জন নিহত ও ৪ হাজার ৭৮ জন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বিএনপির ২৮ জন, জামায়াতের চারজন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একজন রয়েছেন। এই সময়ে ৬১০টি সহিংসতার ঘটনার ৫৭৩টিই ঘটেছে বিএনপির অন্তর্কোন্দল ও দলটির সঙ্গে অন্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিরোধে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক বিরোধ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা, বিভিন্ন দলের সমাবেশ কেন্দ্রিক সহিংসতা, প্রার্থীর সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, বাড়িঘর, যানবাহন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ও রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও চাঁদাবাজি কেন্দ্রিক অধিকাংশ সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এ সময়ে রাজনৈতিক মামলায় কমপক্ষে ৮৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যার মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ৪৩৬ জন, বিএনপির ৩১৪ জন, জামায়াতের ৭৬ জন ও এনসিপির ১৭ জন। গত ৩ মাসে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ৬ শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী।

এদিকে এ সময়ে ৮২টি হামলার ঘটনায় ১৮৩ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। গণপিটুনি ও মব সহিংসতায় সারা দেশ চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, বাগ্বিত-া, আধিপত্য বিস্তার, ধর্মীয় অবমাননাসহ নানা অভিযোগে ৮৮টি ঘটনায় ৪৯ জন নিহত ও ৮০ জন আহত হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ২৭টি হামলার ঘটনায় ৩১ জন আহত হয়েছে। চারটি মন্দির, দুটি প্রতিমা ও ১৯টি বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। জমি দখলের তিনটি ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির ১০টি ঘটনা ঘটেছে। মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে ১১টি সহিংসতার ঘটনায় একজন নিহত, পাঁচজন আহত, গুলিবিদ্ধ চারজন ও ৩২ জনকে আটক করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজত, নির্যাতন, গুলিবর্ষণ এবং কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। ৬৭০ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৪৭ জন, যাদের মধ্যে ৭৬ জন ১৮ বছরের কম বয়সি শিশু ও কিশোরী।