Dhaka ১১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে সময়সীমা বাড়াল সৌদি আরব মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে গলায় বাদাম আটকে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু আজ থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর, কমবে জাল টাকা ও খুচরার ঝামেলা এমবাপের জোড়া গোলে সুইডেনকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে শেষ ষোলোতে ফ্রান্স রানীনগরে কমিউনিটি পুলিশিং ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস জাবিতে ‘পলাশী থেকে বাংলাদেশ: ইতিহাসের শিক্ষা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‘আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে কেপ ভার্দে’, ঘানার সেই তান্ত্রিকের ভবিষ্যদ্বাণী

ডেঙ্গু পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করল সরকার, বাড়তি আদায়ে ব্যবস্থা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / 104

ডেঙ্গু রোগ শনাক্তকরণে পরীক্ষার ফি নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নির্ধারিত ফি কাঠামো ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সোমবার (৩০ জুন) জারি করা এক অফিসিয়াল নির্দেশনায় জানানো হয়, সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুর তিনটি প্রধান পরীক্ষা—এনএসওয়ান, আইজিজি ও আইজিএম— করতে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা ফি নেওয়া যাবে, যা গত বছরের তুলনায় অর্ধেক।

বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর জন্য এসব পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০০ টাকা। এছাড়া সিবিসি (CBC) পরীক্ষার জন্য সর্বোচ্চ ফি ধরা হয়েছে ৪০০ টাকা।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত ফি নীতিমালা আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এর আগে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনে এই ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা এবার সময়সীমা বাড়িয়ে আবারও জারি করা হলো।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনাটি কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত ফি’র বেশি আদায় করা যাবে না। অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একই নির্দেশনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও বলেছে, দেশে চলমান ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের সময় জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং যথাসময়ে পরীক্ষা করানো জরুরি। এ সময় আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

স্বাস্থ্যখাতে এই নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপকে রোগীদের জন্য স্বস্তিদায়ক ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এতে ডেঙ্গু রোগ দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা সহজ হবে, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে।

নির্দেশনাটি ইতোমধ্যে দেশের সব হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ডেঙ্গু পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করল সরকার, বাড়তি আদায়ে ব্যবস্থা

প্রকাশের সময় : ১০:১২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

ডেঙ্গু রোগ শনাক্তকরণে পরীক্ষার ফি নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নির্ধারিত ফি কাঠামো ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সোমবার (৩০ জুন) জারি করা এক অফিসিয়াল নির্দেশনায় জানানো হয়, সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুর তিনটি প্রধান পরীক্ষা—এনএসওয়ান, আইজিজি ও আইজিএম— করতে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা ফি নেওয়া যাবে, যা গত বছরের তুলনায় অর্ধেক।

বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর জন্য এসব পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০০ টাকা। এছাড়া সিবিসি (CBC) পরীক্ষার জন্য সর্বোচ্চ ফি ধরা হয়েছে ৪০০ টাকা।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত ফি নীতিমালা আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এর আগে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনে এই ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা এবার সময়সীমা বাড়িয়ে আবারও জারি করা হলো।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনাটি কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত ফি’র বেশি আদায় করা যাবে না। অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একই নির্দেশনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও বলেছে, দেশে চলমান ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের সময় জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং যথাসময়ে পরীক্ষা করানো জরুরি। এ সময় আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

স্বাস্থ্যখাতে এই নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপকে রোগীদের জন্য স্বস্তিদায়ক ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এতে ডেঙ্গু রোগ দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা সহজ হবে, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে।

নির্দেশনাটি ইতোমধ্যে দেশের সব হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।