Dhaka ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবৈধ মজুতকৃত পৌনে ৪ লাখ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:০৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 11

সারাদেশে অবৈধভাবে মজুত করা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ৪ হাজার ৮২৪টি স্থান থেকে এই তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী জানান, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং কোনো সংকটের সম্ভাবনা নেই।

তিনি বলেন, দেশে বার্ষিক ডিজেলের চাহিদা ৩ লাখ ৫০ হাজার টন। এছাড়া পেট্রোল ও অকটেনের মাসিক চাহিদা প্রায় ৭০ হাজার টন। এপ্রিল মাসজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ পুরোপুরি নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা (‘প্যানিক বায়িং’) এখনও বন্ধ হয়নি। তবে পরিশোধিত জ্বালানি তেল পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে।

মনির হোসেন চৌধুরী আরও জানান, ইরান থেকে আসা ৬টি জাহাজের মধ্যে একটিতে অপরিশোধিত তেল রয়েছে, যা ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পৌঁছালে কোনো সমস্যা হবে না। রাশিয়া থেকে তেল আমদানির বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ছাড়পত্রের জবাব এখনও পাওয়া যায়নি।

তিনি নাগরিকদের জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

অবৈধ মজুতকৃত পৌনে ৪ লাখ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০২:০৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

সারাদেশে অবৈধভাবে মজুত করা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ৪ হাজার ৮২৪টি স্থান থেকে এই তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী জানান, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং কোনো সংকটের সম্ভাবনা নেই।

তিনি বলেন, দেশে বার্ষিক ডিজেলের চাহিদা ৩ লাখ ৫০ হাজার টন। এছাড়া পেট্রোল ও অকটেনের মাসিক চাহিদা প্রায় ৭০ হাজার টন। এপ্রিল মাসজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ পুরোপুরি নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা (‘প্যানিক বায়িং’) এখনও বন্ধ হয়নি। তবে পরিশোধিত জ্বালানি তেল পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে।

মনির হোসেন চৌধুরী আরও জানান, ইরান থেকে আসা ৬টি জাহাজের মধ্যে একটিতে অপরিশোধিত তেল রয়েছে, যা ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পৌঁছালে কোনো সমস্যা হবে না। রাশিয়া থেকে তেল আমদানির বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ছাড়পত্রের জবাব এখনও পাওয়া যায়নি।

তিনি নাগরিকদের জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান।