Dhaka ০৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে আ. লীগের সঙ্গে বৈঠক: সারজিসকে বহিষ্কার, হাসনাতকে শোকজ করেন নাহিদ মোবাইল ফোনে গেম খেলার সময় বিস্ফোরণ, আহত ২ ৫০০ টাকা বাজিতে জীবন্ত শালিক খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল কালুখালীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাহার মোল্লা আর নেই টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৮ ইউনিট ভোলায় ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ দাবির দরকষাকষির ভিডিও ভাইরাল দেশের বাজারে আজকের স্বর্ণের দাম প্রথম ধাপে ৮শ’ ইউপিতে ভোট, প্রভাব বিস্তার ও বিশৃঙ্খলায় তাৎক্ষণিক শাস্তির বিধান ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, অনিশ্চয়তায় ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী

ভোরের আলোয় স্পষ্ট হলো কড়াইল বস্তির আগুনের ক্ষত

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 104

ভোরের আলো ফুটতেই রাজধানীর কড়াইল বস্তির ভয়াবহ আগুনের ক্ষতচিহ্ন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপনে ঠাঁই হয়েছে বহু পরিবারের।

সরেজমিনে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্তরা পরিবার-পরিজন নিয়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকেই নিজেদের ঘরের ধ্বংসস্তূপে ফিরে সামান্য যা অবশিষ্ট আছে তা সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। কারও কারও হাতে কেবল অর্ধদগ্ধ কিছু কাপড়, ভাঙা জিনিসপত্র—আর কিছুই নেই। চারদিকে কেবল ধ্বংসস্তূপ, কংক্রিট, টিন আর পোড়া কাঠের গন্ধ—আগুন তাদের প্রায় সবকিছুই গ্রাস করে নিয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন জানান, ঘিঞ্জি এলাকা ও তীব্র পানি সংকটের কারণে আগুন নেভাতে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। মোট ১৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নেভানোর কাজে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে কড়াইল বস্তিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পানি সংকট ও সংকীর্ণ গলি থাকার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ভোরের আলোয় স্পষ্ট হলো কড়াইল বস্তির আগুনের ক্ষত

প্রকাশের সময় : ০৯:২৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

ভোরের আলো ফুটতেই রাজধানীর কড়াইল বস্তির ভয়াবহ আগুনের ক্ষতচিহ্ন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপনে ঠাঁই হয়েছে বহু পরিবারের।

সরেজমিনে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্তরা পরিবার-পরিজন নিয়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকেই নিজেদের ঘরের ধ্বংসস্তূপে ফিরে সামান্য যা অবশিষ্ট আছে তা সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। কারও কারও হাতে কেবল অর্ধদগ্ধ কিছু কাপড়, ভাঙা জিনিসপত্র—আর কিছুই নেই। চারদিকে কেবল ধ্বংসস্তূপ, কংক্রিট, টিন আর পোড়া কাঠের গন্ধ—আগুন তাদের প্রায় সবকিছুই গ্রাস করে নিয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন জানান, ঘিঞ্জি এলাকা ও তীব্র পানি সংকটের কারণে আগুন নেভাতে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। মোট ১৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নেভানোর কাজে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে কড়াইল বস্তিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পানি সংকট ও সংকীর্ণ গলি থাকার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।