Dhaka ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাইব্যুনাল এলাকায় আজও সেনা-বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:০৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 78

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। রায় ঘোষণার পরও ট্রাইব্যুনাল এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা জারি রয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ ঘিরে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্বে রয়েছেন। প্রবেশপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেনা ও বিজিবির বিশেষ টিম অবস্থান নিয়েছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রবেশপথে পথচারী, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলায় দুইটি অভিযোগে ছয়টি ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’ বলার উসকানিমূলক বক্তব্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মাকসুদ কামালের সঙ্গে কথোপকথনে ফাঁসির নির্দেশ এবং রংপুরে আন্দোলনকারীর হত্যা উল্লেখযোগ্য।

দ্বিতীয় অভিযোগে ঢাকার ফোনালাপ ও ড্রোনের মাধ্যমে হত্যার নির্দেশের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত, যা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল ও সাভারের আশুলিয়ায় ছয়জন আন্দোলনকারীকে হত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। ট্রাইব্যুনাল হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি তাদের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন।

ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল রায় ঘোষণা করেছেন। অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ট্রাইব্যুনাল এলাকায় আজও সেনা-বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা

প্রকাশের সময় : ০১:০৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। রায় ঘোষণার পরও ট্রাইব্যুনাল এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা জারি রয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ ঘিরে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্বে রয়েছেন। প্রবেশপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেনা ও বিজিবির বিশেষ টিম অবস্থান নিয়েছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রবেশপথে পথচারী, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলায় দুইটি অভিযোগে ছয়টি ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’ বলার উসকানিমূলক বক্তব্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মাকসুদ কামালের সঙ্গে কথোপকথনে ফাঁসির নির্দেশ এবং রংপুরে আন্দোলনকারীর হত্যা উল্লেখযোগ্য।

দ্বিতীয় অভিযোগে ঢাকার ফোনালাপ ও ড্রোনের মাধ্যমে হত্যার নির্দেশের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত, যা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল ও সাভারের আশুলিয়ায় ছয়জন আন্দোলনকারীকে হত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। ট্রাইব্যুনাল হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি তাদের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন।

ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল রায় ঘোষণা করেছেন। অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।