Dhaka ১০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা! জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাতের প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশ সীমান্তে পড়ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কালীগঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

একরামুল ইসলাম তুষার, কালীগঞ্জ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / 67

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রায় চার ঘণ্টা বিদ্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কোলা ইউনিয়নের বড় বায়সা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক শাহ আলম ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

অভিযোগকারী ছাত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই শিক্ষক বিভিন্ন সময় তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিতেন এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য ভয় দেখাতেন। ঘটনার দিন শিক্ষক তাকে বাথরুমে দেখা করতে বলেন। এতে ভয় পেয়ে ওই ছাত্রী বাথরুমে না গিয়ে বাড়িতে চলে যায় এবং বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানায়।

ছাত্রীর আরও অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক তার কয়েকজন সহপাঠীর সঙ্গেও একই ধরনের আচরণ করেছেন। এ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং তারা শিক্ষককে বিদ্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

খবর পেয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে জানতে পারেন, বায়সা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে স্থানীয়রা অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ছাত্রীর লেখা একটি চিরকুটও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগতভাবে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কালীগঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রায় চার ঘণ্টা বিদ্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কোলা ইউনিয়নের বড় বায়সা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক শাহ আলম ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

অভিযোগকারী ছাত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই শিক্ষক বিভিন্ন সময় তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিতেন এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য ভয় দেখাতেন। ঘটনার দিন শিক্ষক তাকে বাথরুমে দেখা করতে বলেন। এতে ভয় পেয়ে ওই ছাত্রী বাথরুমে না গিয়ে বাড়িতে চলে যায় এবং বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানায়।

ছাত্রীর আরও অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক তার কয়েকজন সহপাঠীর সঙ্গেও একই ধরনের আচরণ করেছেন। এ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং তারা শিক্ষককে বিদ্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

খবর পেয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে জানতে পারেন, বায়সা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে স্থানীয়রা অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ছাত্রীর লেখা একটি চিরকুটও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগতভাবে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।