Dhaka ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাংলাদেশসহ ২০ দেশ থেকে বিশেষায়িত ওষুধে শুল্ক ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের ডেঙ্গুরোগীর চাপে হাসপাতাল, শয্যার জন্য ছুটছেন স্বজনরা মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা জাহরা এল মানসুরি কালীগঞ্জে দু’দিনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আট নেতা-কর্মী গ্রেফতার গোয়েন্দা সিরিজ দেখে অপ্রতিম হত্যার ছক, জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য কয়রায় সিএসও নেটওয়ার্কের প্রকল্প অবহিতকরণ সভা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাঁচ ব্যাংকের ৩৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন প্রধানমন্ত্রী পদে এক ব্যক্তির সর্বোচ্চ ২ মেয়াদের পক্ষে সরকারের সমর্থন ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার, প্রজ্ঞাপন জারি ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি

৩২৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা কাটলো, সঙ্গে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / 81

 

মামলাজটের কারণে দীর্ঘদিন আটকে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের আইনি বাধা কেটে গেছে। আপিল বিভাগের রায়ে সব সমস্যার নিষ্পত্তি হয়েছে। রায়ের পর শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়ে আরও একটি সুখবর দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মন্ত্রী বলেন, ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি আরও প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষককে এ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনেস্কো আয়োজিত গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশনের (জিপিই) ‘সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট ও মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য সত্যিই আনন্দের। দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুদান (গ্রান্ট) পেয়েছি। একই সঙ্গে আজ সকালে আরও একটি সুখবর এসেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ-সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগ বহাল রেখেছেন। ফলে এখন আমরা ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবো। পাশাপাশি আরও প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষককে এ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ।

তিনি বলেন, আজ সকালে যে মামলার রায় হয়েছে, সেটি ২০১৭ সালে দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে আমরা এ মামলার নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিলাম। কেন এত দীর্ঘ সময় ধরে এর সমাধান হয়নি, আমি জানি না। তবে এখন আদালতের রায়ের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়েছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাখাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা একটি বড় বরাদ্দ। ভবিষ্যতে এটি জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এ অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা উপকরণ এবং শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

জানা যায়, ২০১৩ সালে জাতীয়করণ হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চাকরিকালের ৫০ শতাংশ গণনা করে জ্যেষ্ঠতার (গ্রেডেশন) তালিকা প্রণয়ন, প্রধান শিক্ষক পদে স্কেল প্রদান এবং বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধা চেয়ে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। পরে একই বিষয়ে আরও কয়েকটি রিট দায়ের হয়।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে আপিল করা হলে বিষয়টি আপিল বিভাগে গড়ায়। অবশেষে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ-সংক্রান্ত মামলার রায় দিয়ে নিষ্পত্তি করেছেন আপিল বিভাগ। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব বাধা কাটলো।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

৩২৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা কাটলো, সঙ্গে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০১:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

 

মামলাজটের কারণে দীর্ঘদিন আটকে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের আইনি বাধা কেটে গেছে। আপিল বিভাগের রায়ে সব সমস্যার নিষ্পত্তি হয়েছে। রায়ের পর শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়ে আরও একটি সুখবর দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মন্ত্রী বলেন, ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি আরও প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষককে এ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনেস্কো আয়োজিত গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশনের (জিপিই) ‘সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট ও মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য সত্যিই আনন্দের। দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুদান (গ্রান্ট) পেয়েছি। একই সঙ্গে আজ সকালে আরও একটি সুখবর এসেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ-সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগ বহাল রেখেছেন। ফলে এখন আমরা ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবো। পাশাপাশি আরও প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষককে এ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ।

তিনি বলেন, আজ সকালে যে মামলার রায় হয়েছে, সেটি ২০১৭ সালে দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে আমরা এ মামলার নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিলাম। কেন এত দীর্ঘ সময় ধরে এর সমাধান হয়নি, আমি জানি না। তবে এখন আদালতের রায়ের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়েছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাখাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা একটি বড় বরাদ্দ। ভবিষ্যতে এটি জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এ অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা উপকরণ এবং শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

জানা যায়, ২০১৩ সালে জাতীয়করণ হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চাকরিকালের ৫০ শতাংশ গণনা করে জ্যেষ্ঠতার (গ্রেডেশন) তালিকা প্রণয়ন, প্রধান শিক্ষক পদে স্কেল প্রদান এবং বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধা চেয়ে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। পরে একই বিষয়ে আরও কয়েকটি রিট দায়ের হয়।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে আপিল করা হলে বিষয়টি আপিল বিভাগে গড়ায়। অবশেষে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ-সংক্রান্ত মামলার রায় দিয়ে নিষ্পত্তি করেছেন আপিল বিভাগ। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব বাধা কাটলো।