Dhaka ০৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গরু কুরবানি ইসলামের অংশ নয়: কলকাতা হাইকোর্ট

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • / 169

ঈদুল আজহা সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গবাদিপশু কুরবানি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আদেশ বাতিলের আবেদন খারিজ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পল ও বিচারপতি পার্থ সারথী সেনের বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, “গরু কুরবানি ঈদুল আজহার ধর্মীয় বাধ্যতামূলক অংশ নয়”।

একাধিক জনস্বার্থ মামলায় রাজ্য সরকারের জারি করা আদেশ বাতিল ও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি।

তবে আদালত রাজ্য সরকারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ পশু কুরবানি নিয়ন্ত্রণ আইনের ১২ নম্বর ধারা অনুযায়ী ধর্মীয়, চিকিৎসা বা গবেষণার উদ্দেশ্যে ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি ঈদের সময়সীমা বিবেচনায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও বলা হয়।

আদালত আরও পরামর্শ দেয়, খোলা জায়গায় পশু কুরবানি নিষিদ্ধ করার শর্ত যুক্ত করা যায় কি না, সেটিও রাজ্যকে বিবেচনা করতে হবে।

রাজ্য সরকারের ১৩ মে’র নির্দেশে ১৯৫০ সালের আইন ও ২০১৮ সালের একটি রায় উল্লেখ করা হয়, যেখানে বলা হয়েছে ‘কুরবানিযোগ্য’ সনদ ছাড়া গরু ও মহিষ কুরবানি করা যাবে না।

আইনটির পরিধি ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও আদালত সে বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেনি।

কলকাতা পৌরসংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, কুরবানির জন্য প্রয়োজনীয় জবাইখানা ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতও বিষয়টি নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানায়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

গরু কুরবানি ইসলামের অংশ নয়: কলকাতা হাইকোর্ট

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

ঈদুল আজহা সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গবাদিপশু কুরবানি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আদেশ বাতিলের আবেদন খারিজ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পল ও বিচারপতি পার্থ সারথী সেনের বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, “গরু কুরবানি ঈদুল আজহার ধর্মীয় বাধ্যতামূলক অংশ নয়”।

একাধিক জনস্বার্থ মামলায় রাজ্য সরকারের জারি করা আদেশ বাতিল ও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি।

তবে আদালত রাজ্য সরকারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ পশু কুরবানি নিয়ন্ত্রণ আইনের ১২ নম্বর ধারা অনুযায়ী ধর্মীয়, চিকিৎসা বা গবেষণার উদ্দেশ্যে ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি ঈদের সময়সীমা বিবেচনায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও বলা হয়।

আদালত আরও পরামর্শ দেয়, খোলা জায়গায় পশু কুরবানি নিষিদ্ধ করার শর্ত যুক্ত করা যায় কি না, সেটিও রাজ্যকে বিবেচনা করতে হবে।

রাজ্য সরকারের ১৩ মে’র নির্দেশে ১৯৫০ সালের আইন ও ২০১৮ সালের একটি রায় উল্লেখ করা হয়, যেখানে বলা হয়েছে ‘কুরবানিযোগ্য’ সনদ ছাড়া গরু ও মহিষ কুরবানি করা যাবে না।

আইনটির পরিধি ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও আদালত সে বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেনি।

কলকাতা পৌরসংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, কুরবানির জন্য প্রয়োজনীয় জবাইখানা ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতও বিষয়টি নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানায়।