Dhaka ১২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালুখালীর মদাপুরে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতিই গড়ে তুলতে পারে শক্তিশালী বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী হুথিদের বিরুদ্ধে বিশাল হামলা শুরু করতে যাচ্ছে সৌদি ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ কী আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন রোনালদো: পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যমের দাবি মাদকবিরোধী বার্তায় বালিয়াকান্দীতে বিবাহিত-অবিবাহিতদের ফুটবল লড়াই বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধে নারী আহত, দেবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ লন্ডনে বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি : ইন্টারনেট বন্ধ, আটক সাতশ’র বেশি

তনু হত্যা মামলা : ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল আরও একজনের তথ্য

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / 116

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তে নতুন তথ্য পেয়েছে পিবিআই। তনুর পোশাক থেকে সংগ্রহ করা নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় আরও একজন পুরুষের ডিএনএ উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার তথ্য জানিয়েছিল। নতুন এ তথ্যের মাধ্যমে মামলার তদন্তে আরও অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

রোববার রাতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা কার্যালয়ের পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বলেন, আগে তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর তথ্য ছিল। এখন নতুন করে আরও একজনের ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া গেছে বলে ডিএনএ ল্যাব জানিয়েছে।

পিবিআই জানায়, গত ৬ এপ্রিল মামলার তিন সন্দেহভাজন— সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রসম্যাচ করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়।

আদালতের আদেশের পর গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে আটক করা হয়। পরে তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং আদালতে হাজির করা হলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, নতুন করে আরও একজনের শুক্রাণুর রিপোর্ট পাওয়ায় মামলার তদন্তে নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও মামলাটির তদন্ত তদারকি করা হচ্ছে।

তরিকুল ইসলাম আরও বলেন, নতুন ডিএনএ তথ্য পাওয়ায় সন্দেহভাজনদের সঙ্গে আরও তিনজনের ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হবে। সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি শেষে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছে জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

তনু হত্যা মামলা : ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল আরও একজনের তথ্য

প্রকাশের সময় : ১২:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তে নতুন তথ্য পেয়েছে পিবিআই। তনুর পোশাক থেকে সংগ্রহ করা নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় আরও একজন পুরুষের ডিএনএ উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার তথ্য জানিয়েছিল। নতুন এ তথ্যের মাধ্যমে মামলার তদন্তে আরও অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

রোববার রাতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা কার্যালয়ের পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বলেন, আগে তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর তথ্য ছিল। এখন নতুন করে আরও একজনের ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া গেছে বলে ডিএনএ ল্যাব জানিয়েছে।

পিবিআই জানায়, গত ৬ এপ্রিল মামলার তিন সন্দেহভাজন— সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রসম্যাচ করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়।

আদালতের আদেশের পর গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে আটক করা হয়। পরে তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং আদালতে হাজির করা হলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, নতুন করে আরও একজনের শুক্রাণুর রিপোর্ট পাওয়ায় মামলার তদন্তে নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও মামলাটির তদন্ত তদারকি করা হচ্ছে।

তরিকুল ইসলাম আরও বলেন, নতুন ডিএনএ তথ্য পাওয়ায় সন্দেহভাজনদের সঙ্গে আরও তিনজনের ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হবে। সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি শেষে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছে জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।