Dhaka ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দীর্ঘদিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন মার্ভেল তারকা সিমু লিউ পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া বিভাগের নতুন এআইজি মুনিরা বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা ভবিষ্যতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সরাতে গণভোট লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে ৮০ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক শিক্ষক মধুখালীর মনিরুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় ‘যেমনে-তেমনে’ কর্মী পাঠানো যাবে না: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা কোটালীপাড়ায় শিশু কল্যাণ বোর্ডের অর্ধবার্ষিক সভা

ঈদযাত্রায় যানজটের সম্ভাব্য ৯৪ স্পট চিহ্নিত

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৩:১৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 106

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে যানজটের সম্ভাব্য ৯৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট চিহ্নিত করেছে হাইওয়ে পুলিশ। ঈদের আগে ও পরে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে এসব এলাকায় বিশেষ নজরদারি, মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে ঈদযাত্রা প্রস্তুতি সংক্রান্ত সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সভা সূত্রে জানা যায়, চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্পটগুলোর মধ্যে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ২৫টি, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২১টি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২৫টি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ৮টি এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ১টি স্পট রয়েছে।

সড়কমন্ত্রী বলেন, গাজীপুর, আবদুল্লাহপুর, বাইপাইল ও চন্দ্রা এলাকা এবারও সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ। এসব এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, অস্থায়ী কাউন্টার ও অনিয়মিত পরিবহন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও এবার ঈদযাত্রার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বৃষ্টি হলে যানজট বৃদ্ধি, পুলিশের তৎপরতা ব্যাহত হওয়া এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর সঙ্গে কোরবানির পশুবাহী যানবাহনের চাপও যুক্ত হবে।

শেখ রবিউল আলম জানান, গত ঈদে গার্মেন্টস শ্রমিকদের একদিনে বাড়ি ফেরার চাপে গাজীপুর ও আশপাশ এলাকায় তীব্র যানজট তৈরি হয়েছিল। এবারও শিল্পকারখানায় ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মহাসড়কের পাশে বা ওপর কোথাও পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ফেরি পারাপারে নতুন ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে ফেরিতে ওঠানো হবে। ফেরিতে ওঠার আগে ব্যারিকেড বসানো হবে, যাতে ফেরি পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত কোনো যানবাহন এগোতে না পারে।”

তিনি জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ২০ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যানজট নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে বিশেষ মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। এ জন্য বিদ্যমান ১৯ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি আরও ৫০ জন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে রেল এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঈদযাত্রায় যানজটের সম্ভাব্য ৯৪ স্পট চিহ্নিত

প্রকাশের সময় : ০৩:১৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে যানজটের সম্ভাব্য ৯৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট চিহ্নিত করেছে হাইওয়ে পুলিশ। ঈদের আগে ও পরে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে এসব এলাকায় বিশেষ নজরদারি, মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে ঈদযাত্রা প্রস্তুতি সংক্রান্ত সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সভা সূত্রে জানা যায়, চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্পটগুলোর মধ্যে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ২৫টি, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২১টি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২৫টি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ৮টি এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ১টি স্পট রয়েছে।

সড়কমন্ত্রী বলেন, গাজীপুর, আবদুল্লাহপুর, বাইপাইল ও চন্দ্রা এলাকা এবারও সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ। এসব এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, অস্থায়ী কাউন্টার ও অনিয়মিত পরিবহন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও এবার ঈদযাত্রার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বৃষ্টি হলে যানজট বৃদ্ধি, পুলিশের তৎপরতা ব্যাহত হওয়া এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর সঙ্গে কোরবানির পশুবাহী যানবাহনের চাপও যুক্ত হবে।

শেখ রবিউল আলম জানান, গত ঈদে গার্মেন্টস শ্রমিকদের একদিনে বাড়ি ফেরার চাপে গাজীপুর ও আশপাশ এলাকায় তীব্র যানজট তৈরি হয়েছিল। এবারও শিল্পকারখানায় ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মহাসড়কের পাশে বা ওপর কোথাও পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ফেরি পারাপারে নতুন ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে ফেরিতে ওঠানো হবে। ফেরিতে ওঠার আগে ব্যারিকেড বসানো হবে, যাতে ফেরি পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত কোনো যানবাহন এগোতে না পারে।”

তিনি জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ২০ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যানজট নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে বিশেষ মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। এ জন্য বিদ্যমান ১৯ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি আরও ৫০ জন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে রেল এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।