Dhaka ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন পত্নীতলায় ১৩০ ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার রাণীনগরে সরকারি চাল জব্দের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হুমকি-লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাজবাড়ীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে পাঁচ গুণী শিক্ষক সংবর্ধিত রাজবাড়ীতে বিশ্ব বসতি দিবসে আলোচনা সভা শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

দেশে-বিদেশে বসে কুৎসা রটনাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আইন মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 111

বাক-স্বাধীনতার নামে দেশে-বিদেশে বসে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কুৎসা রটনাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আইন মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার নামে গালিগালাজের এই কলঙ্কিত ধারা বেশি দূর এগোতে দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, কিছু আছে বিদেশে, কিছু আছে দেশে, আবার কিছু আছে ঘরে। এখানে আমরা ‘ফ্রিডম অব স্পিচ’ এবং ‘ফ্রিডম অব প্রেস’ নিয়ে কথা বলি; এটি সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদেও বিবৃত আছে। তবে তা রাষ্ট্র ও জনশৃঙ্খলার বৃহত্তর স্বার্থে আরোপিত ‘রিজনেবল রেস্ট্রিকশন’ বা যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধের অধীন।

সেই যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধগুলো কী হবে, তা আদালত বলতে পারেন। আমরা আইন মন্ত্রণালয় ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীকে বলতে পারি-এই বাধানিষেধগুলো কি আমরা বিধিবদ্ধ আইনের (Enactment) আওতায় আনতে পারব না? না হলে পিতার সঙ্গে কন্যাকে জড়িয়ে, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী-কন্যাসহ সবাইকে জড়িয়ে যেভাবে বাংলাদেশে স্বাধীনতার নামে এক কুৎসিত ও কলঙ্কিত ধারা চলছে, তা বেশিদূর এগোতে দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাকস্বাধীনতার কথা থাকলেও তা অবারিত বা সীমাহীন নয়। বর্তমানে যেভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তাতে আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট হচ্ছে। গালিগালাজের প্রতিযোগিতায় যারা চ্যাম্পিয়ন হতে চান, তাদের কঠোর বাধানিষেধের আওতায় আনতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সংসদীয় রীতিনীতি মেনে জনগণের ম্যান্ডেটকে সম্মান করাই হবে প্রকৃত রাজনীতি। আমরা অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করেই সব সংস্কার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

দেশে-বিদেশে বসে কুৎসা রটনাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আইন মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

বাক-স্বাধীনতার নামে দেশে-বিদেশে বসে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কুৎসা রটনাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আইন মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার নামে গালিগালাজের এই কলঙ্কিত ধারা বেশি দূর এগোতে দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, কিছু আছে বিদেশে, কিছু আছে দেশে, আবার কিছু আছে ঘরে। এখানে আমরা ‘ফ্রিডম অব স্পিচ’ এবং ‘ফ্রিডম অব প্রেস’ নিয়ে কথা বলি; এটি সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদেও বিবৃত আছে। তবে তা রাষ্ট্র ও জনশৃঙ্খলার বৃহত্তর স্বার্থে আরোপিত ‘রিজনেবল রেস্ট্রিকশন’ বা যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধের অধীন।

সেই যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধগুলো কী হবে, তা আদালত বলতে পারেন। আমরা আইন মন্ত্রণালয় ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীকে বলতে পারি-এই বাধানিষেধগুলো কি আমরা বিধিবদ্ধ আইনের (Enactment) আওতায় আনতে পারব না? না হলে পিতার সঙ্গে কন্যাকে জড়িয়ে, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী-কন্যাসহ সবাইকে জড়িয়ে যেভাবে বাংলাদেশে স্বাধীনতার নামে এক কুৎসিত ও কলঙ্কিত ধারা চলছে, তা বেশিদূর এগোতে দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাকস্বাধীনতার কথা থাকলেও তা অবারিত বা সীমাহীন নয়। বর্তমানে যেভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তাতে আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট হচ্ছে। গালিগালাজের প্রতিযোগিতায় যারা চ্যাম্পিয়ন হতে চান, তাদের কঠোর বাধানিষেধের আওতায় আনতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সংসদীয় রীতিনীতি মেনে জনগণের ম্যান্ডেটকে সম্মান করাই হবে প্রকৃত রাজনীতি। আমরা অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করেই সব সংস্কার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।