Dhaka ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘এই জার্সি ছিল আমার স্বপ্ন, গর্ব ও জীবন’, বিদায়ের বার্তা মেসির স্বামীর দাফনের এক ঘণ্টা পরই স্ত্রীর মৃত্যু প্রিজনভ্যানের গেট খুলে পিচ্চি রাজাকে বোনের প্রাইভেটকারে তুলে দেয় পুলিশ! (ভিডিও) কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় তেলবাহী জাহাজে আগুন, সব নাবিক ভারতীয় এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ রাঙালেন মেসি মেসির শেষ ম্যাচের আগে নেইমারের আবেগঘন বার্তা, স্মরণ করলেন পুরোনো দিন দীর্ঘদিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন মার্ভেল তারকা সিমু লিউ পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া বিভাগের নতুন এআইজি মুনিরা বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা ভবিষ্যতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সরাতে গণভোট লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সুন্দরবনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • / 135

সুন্দরবনের বন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ বছরও ঈদের ছুটি পাচ্ছেন না। বন রক্ষার স্বার্থে ঈদের ছুটিতেও নিজ নিজ কর্মস্থলে থাকতে হবে তাদের। দীর্ঘ ছুটির এ সময়ে যাতে কোনো ধরনের বন অপরাধ সংঘটিত না হয়, সে লক্ষ্যে পূর্ব সুন্দরবনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে বন বিভাগ।

এ জন্য বন বিভাগের স্মার্ট টিমের বিশেষ টহলের পাশাপাশি বনরক্ষীদের নিয়মিত টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া পূর্ব বিভাগের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের বনসংলগ্ন ৭৬টি গ্রামে ওয়াইল্ড টিম, ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি), কমিউনিটি প্যাট্রোলিং গ্রুপ (সিপিজি) ও বাঘ বন্ধু সংগঠনের প্রায় দেড় শতাধিক সদস্য গ্রাম পাহারায় নিয়োজিত রয়েছেন।

মঙ্গলবার বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর ঈদ বা কোরবানির ছুটিকে শিকারি চক্র হরিণ শিকারের নিরাপদ সময় হিসেবে বেছে নেয়। শুধু হরিণ শিকারই নয়, এ সময়ে বিষ প্রয়োগে মাছ ধরা এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও বেড়ে যায়। বিশেষ করে দুই ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে সুন্দরবনে সক্রিয় হয়ে ওঠে বন অপরাধীরা।

এ কারণে গত কয়েক বছর ধরে বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদ ও কোরবানির ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে। এর ফলে বন অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি বন বিভাগের।

সুন্দরবন সুরক্ষায় নিয়োজিত ওয়াইল্ড টিমের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মো. আলম হাওলাদার বলেন, বন বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা সারা বছরই বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করে থাকেন। বিশেষ করে ঈদের ছুটিতে চোরা শিকারি ও বন অপরাধীদের তৎপরতা বেড়ে যায়। এ সময় যাতে কোনো অপতৎপরতা চালাতে না পারে, সেজন্য বনসংলগ্ন ৭৬টি গ্রামে ১৪৮ জন সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, ঈদের দীর্ঘ ছুটিকে সামনে রেখে হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকার, বিষ প্রয়োগে মাছ ধরা ও অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সে কারণে বনরক্ষীরা এবারও ঈদের ছুটি ভোগ করবেন না।

তিনি আরও জানান, গত বছরও ঈদের সময় বনরক্ষীরা ছুটি ভোগ করেননি। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে স্মার্ট টিমের বিশেষ টহল এবং নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সব ধরনের বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঈদের ছুটিকালীন সময়ে পূর্ব সুন্দরবনে ‘উচ্চ সতর্কতা’ বা ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সুন্দরবনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

সুন্দরবনের বন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ বছরও ঈদের ছুটি পাচ্ছেন না। বন রক্ষার স্বার্থে ঈদের ছুটিতেও নিজ নিজ কর্মস্থলে থাকতে হবে তাদের। দীর্ঘ ছুটির এ সময়ে যাতে কোনো ধরনের বন অপরাধ সংঘটিত না হয়, সে লক্ষ্যে পূর্ব সুন্দরবনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে বন বিভাগ।

এ জন্য বন বিভাগের স্মার্ট টিমের বিশেষ টহলের পাশাপাশি বনরক্ষীদের নিয়মিত টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া পূর্ব বিভাগের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের বনসংলগ্ন ৭৬টি গ্রামে ওয়াইল্ড টিম, ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি), কমিউনিটি প্যাট্রোলিং গ্রুপ (সিপিজি) ও বাঘ বন্ধু সংগঠনের প্রায় দেড় শতাধিক সদস্য গ্রাম পাহারায় নিয়োজিত রয়েছেন।

মঙ্গলবার বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর ঈদ বা কোরবানির ছুটিকে শিকারি চক্র হরিণ শিকারের নিরাপদ সময় হিসেবে বেছে নেয়। শুধু হরিণ শিকারই নয়, এ সময়ে বিষ প্রয়োগে মাছ ধরা এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও বেড়ে যায়। বিশেষ করে দুই ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে সুন্দরবনে সক্রিয় হয়ে ওঠে বন অপরাধীরা।

এ কারণে গত কয়েক বছর ধরে বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদ ও কোরবানির ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে। এর ফলে বন অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি বন বিভাগের।

সুন্দরবন সুরক্ষায় নিয়োজিত ওয়াইল্ড টিমের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মো. আলম হাওলাদার বলেন, বন বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা সারা বছরই বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করে থাকেন। বিশেষ করে ঈদের ছুটিতে চোরা শিকারি ও বন অপরাধীদের তৎপরতা বেড়ে যায়। এ সময় যাতে কোনো অপতৎপরতা চালাতে না পারে, সেজন্য বনসংলগ্ন ৭৬টি গ্রামে ১৪৮ জন সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, ঈদের দীর্ঘ ছুটিকে সামনে রেখে হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকার, বিষ প্রয়োগে মাছ ধরা ও অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সে কারণে বনরক্ষীরা এবারও ঈদের ছুটি ভোগ করবেন না।

তিনি আরও জানান, গত বছরও ঈদের সময় বনরক্ষীরা ছুটি ভোগ করেননি। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে স্মার্ট টিমের বিশেষ টহল এবং নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সব ধরনের বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঈদের ছুটিকালীন সময়ে পূর্ব সুন্দরবনে ‘উচ্চ সতর্কতা’ বা ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।