Dhaka ১০:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
আবারও দেশে জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ডেঙ্গুতে আরো ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৬০ কালুখালীর মদাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী কুন্নুর সমর্থনে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ঝিনাইদহে মিশন আচার্যের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন রাশেদ খান কালুখালীর হাঁড়ীভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘অপতৎপরতা’ দমন করা হবে: ডিবিপ্রধান ১৭ অক্টোবরের ছুটি বাতিল, প্রজ্ঞাপন জারি জাবিতে জঙ্গল থেকে ভোররাতে তিন নারীসহ পাঁচ বহিরাগত আটক উন্নত জাতি গড়তে শিক্ষাব্যবস্থায় অবহেলা করা যাবে না: মঈন খান

জাপানে কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:২৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 140

জাপানে কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ’ বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর ফলোআপ বৈঠক রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-এ অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, জাপানে ২০৪০ সালের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ যুবক শ্রেণির লোক প্রয়োজন হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ২.৩ মিলিয়ন অতিরিক্ত যুব শ্রমশক্তি রয়েছে। কীভাবে তাদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানো যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় অদক্ষ শ্রমশক্তিকে দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের ওপর। জাপানে যুবশ্রেণি কমে যাওয়ায় নির্দিষ্ট ট্রেডভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। এ লক্ষ্যে পূর্বে ৩৩টি টিটিসিতে ট্রেড-সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সভায় জানানো হয়, জাপানের চাহিদা বিবেচনায় আরও ২০টি টিটিসি যুক্ত করে মোট ৫৩টি টিটিসিতে জাপানি ভাষা শিক্ষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তবে জাপানি ভাষা শিক্ষকের অপ্রতুলতা রয়েছে। এ ঘাটতি পূরণে শিক্ষক নিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া জাপানি ভাষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রায় ২০০ বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং শ্রমিক প্রেরণকারী এজেন্সিগুলোর সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। অন্যান্য দেশের আগে জাপানের শ্রমবাজারে প্রবেশ নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনায় আগামী দুই কর্মদিবস পর আবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানানো হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জাপানে কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের সময় : ১০:২৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাপানে কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ’ বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর ফলোআপ বৈঠক রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-এ অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, জাপানে ২০৪০ সালের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ যুবক শ্রেণির লোক প্রয়োজন হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ২.৩ মিলিয়ন অতিরিক্ত যুব শ্রমশক্তি রয়েছে। কীভাবে তাদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানো যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় অদক্ষ শ্রমশক্তিকে দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের ওপর। জাপানে যুবশ্রেণি কমে যাওয়ায় নির্দিষ্ট ট্রেডভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। এ লক্ষ্যে পূর্বে ৩৩টি টিটিসিতে ট্রেড-সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সভায় জানানো হয়, জাপানের চাহিদা বিবেচনায় আরও ২০টি টিটিসি যুক্ত করে মোট ৫৩টি টিটিসিতে জাপানি ভাষা শিক্ষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তবে জাপানি ভাষা শিক্ষকের অপ্রতুলতা রয়েছে। এ ঘাটতি পূরণে শিক্ষক নিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া জাপানি ভাষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রায় ২০০ বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং শ্রমিক প্রেরণকারী এজেন্সিগুলোর সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। অন্যান্য দেশের আগে জাপানের শ্রমবাজারে প্রবেশ নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনায় আগামী দুই কর্মদিবস পর আবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানানো হয়।