মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বাড়ছে ৫ হাজার টাকা
- প্রকাশের সময় : ১০:৪৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
- / 321
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভাতা ও সহায়তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মাসিক ভাতা ৫ হাজার টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ৩২তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে বর্ধিত এই ভাতা কার্যকর হবে।
একই সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য মাসিক সম্মানি ভাতা চালুর সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা, প্রতিবন্ধী, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, গুরুতর রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, মা ও শিশু, জেলে এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির উপকারভোগীদের ভাতা ও সহায়তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় বয়স্ক ভাতা কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা ১ লাখ বাড়িয়ে ৬২ লাখ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬০ লাখ বয়স্ক ব্যক্তি মাসিক ৭০০ টাকা হারে ভাতা পাবেন এবং ৯০ বছর ঊর্ধ্ব বয়স্করা পাবেন মাসিক ১ হাজার টাকা।
বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা কার্যক্রমে অধিকাংশ উপকারভোগী মাসিক ৭০০ টাকা হারে ভাতা পাবেন। এছাড়া ৯০ বছর ঊর্ধ্ব বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতারা মাসিক ১ হাজার টাকা ভাতা পাবেন।
প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বৃত্তির হার বিভিন্ন স্তরে বৃদ্ধি করা হয়েছে। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে মাসিক ভাতা ৭০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গুরুতর রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি এককালীন চিকিৎসা সহায়তার পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি করে একজন মায়ের জন্য মাসিক ভাতা ৮৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে সুবিধাভোগী পরিবার বাড়িয়ে ৬০ লাখ করা হয়েছে, যারা নির্ধারিত সময়ে কম দামে চাল পাবেন।
সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, ভিজিএফ কার্যক্রমকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং নতুন করে বিপুলসংখ্যক জেলেকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।



















