Dhaka ০৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ঝিনাইদহে জামায়াতে জেলা রুকন সম্মেলনে অনুষ্ঠিত ইজিবাইকে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বাবার ফোনে লাইভ লোকেশন পাঠিয়েছিল তাজমিন, সেই লোকেশনে গিয়ে পান লাশ নিউমুরিং টার্মিনাল চুক্তিকে দেশ বিক্রির সঙ্গে তুলনা করা সম্পূর্ণ অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী মেজর নিদাল হাসানকে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে যুক্তরাষ্ট্র শান্তিতে নোবেল পেলেন মানবাধিকারকর্মী নাভি পিলাই সেঞ্চুরি হাতছাড়া তানজিদের, বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৩৪ ১২ লাখ রোহিঙ্গার দায়িত্ব একা বাংলাদেশের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু নওগাঁর রানীনগরে ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৬

শবে মেরাজের ঘটনা থেকে যে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 186

রজব মাস মুসলমানদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এই মাসে সংঘটিত হয় ইতিহাসের বিস্ময়কর ঘটনা ইসরা ও মেরাজ। ওই রাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা থেকে জেরুজালেম হয়ে সপ্তম আসমানে গমন করে আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছান। মেরাজের রাতেই মুসলিম উম্মতের জন্য ফরজ করা হয় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, যা দ্বীনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

মেরাজের শুরুতে আল্লাহ তাআলা প্রতিদিন ৫০ ওয়াক্ত নামাজের নির্দেশ দেন। ফেরার পথে হজরত মুসা (আ.)-এর পরামর্শে মহানবী (সা.) একাধিকবার আল্লাহর কাছে ফিরে গিয়ে নামাজের সংখ্যা কমানোর আবেদন করেন। শেষ পর্যন্ত তা পাঁচ ওয়াক্তে নির্ধারিত হয়। এরপর আর আবেদন না করে মহানবী (সা.) আল্লাহর সামনে লজ্জাবোধ ও বিনয়ের প্রকাশ ঘটান।

এই ঘটনা থেকে মুসলমানদের জন্য চারটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়। প্রথমত, আল্লাহর আদেশ শোনা ও মানা। আল্লাহ যা নির্দেশ দেন, তা বিনা প্রশ্নে মেনে নেওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলাই একজন মুমিনের দায়িত্ব। দ্বিতীয়ত, উপদেশ গ্রহণের মানসিকতা। মুসা (আ.)-এর কল্যাণকামী পরামর্শ গ্রহণ করে মহানবী (সা.) উম্মতের জন্য সহজ পথ নিশ্চিত করেছেন। তৃতীয়ত, উম্মতের প্রতি গভীর মমতা। নামাজের সংখ্যা কমানোর পেছনে মহানবীর মূল চিন্তা ছিল উম্মতের কষ্ট লাঘব করা। চতুর্থত, আল্লাহর সামনে লজ্জাবোধ ও বিনয়। আল্লাহর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, ভয় ও ভালোবাসা একজন মুসলমানের চরিত্রে থাকা অপরিহার্য।

শবে মেরাজের এই শিক্ষা মুসলমানদের নামাজে যত্নবান হওয়া, আল্লাহর আদেশ পালনে আন্তরিক হওয়া এবং উম্মতের কল্যাণে সচেষ্ট থাকার অনুপ্রেরণা দেয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

শবে মেরাজের ঘটনা থেকে যে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়

প্রকাশের সময় : ০১:০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

রজব মাস মুসলমানদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এই মাসে সংঘটিত হয় ইতিহাসের বিস্ময়কর ঘটনা ইসরা ও মেরাজ। ওই রাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা থেকে জেরুজালেম হয়ে সপ্তম আসমানে গমন করে আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছান। মেরাজের রাতেই মুসলিম উম্মতের জন্য ফরজ করা হয় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, যা দ্বীনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

মেরাজের শুরুতে আল্লাহ তাআলা প্রতিদিন ৫০ ওয়াক্ত নামাজের নির্দেশ দেন। ফেরার পথে হজরত মুসা (আ.)-এর পরামর্শে মহানবী (সা.) একাধিকবার আল্লাহর কাছে ফিরে গিয়ে নামাজের সংখ্যা কমানোর আবেদন করেন। শেষ পর্যন্ত তা পাঁচ ওয়াক্তে নির্ধারিত হয়। এরপর আর আবেদন না করে মহানবী (সা.) আল্লাহর সামনে লজ্জাবোধ ও বিনয়ের প্রকাশ ঘটান।

এই ঘটনা থেকে মুসলমানদের জন্য চারটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়। প্রথমত, আল্লাহর আদেশ শোনা ও মানা। আল্লাহ যা নির্দেশ দেন, তা বিনা প্রশ্নে মেনে নেওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলাই একজন মুমিনের দায়িত্ব। দ্বিতীয়ত, উপদেশ গ্রহণের মানসিকতা। মুসা (আ.)-এর কল্যাণকামী পরামর্শ গ্রহণ করে মহানবী (সা.) উম্মতের জন্য সহজ পথ নিশ্চিত করেছেন। তৃতীয়ত, উম্মতের প্রতি গভীর মমতা। নামাজের সংখ্যা কমানোর পেছনে মহানবীর মূল চিন্তা ছিল উম্মতের কষ্ট লাঘব করা। চতুর্থত, আল্লাহর সামনে লজ্জাবোধ ও বিনয়। আল্লাহর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, ভয় ও ভালোবাসা একজন মুসলমানের চরিত্রে থাকা অপরিহার্য।

শবে মেরাজের এই শিক্ষা মুসলমানদের নামাজে যত্নবান হওয়া, আল্লাহর আদেশ পালনে আন্তরিক হওয়া এবং উম্মতের কল্যাণে সচেষ্ট থাকার অনুপ্রেরণা দেয়।