Dhaka ১২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালুখালীর মদাপুরে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতিই গড়ে তুলতে পারে শক্তিশালী বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী হুথিদের বিরুদ্ধে বিশাল হামলা শুরু করতে যাচ্ছে সৌদি ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ কী আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন রোনালদো: পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যমের দাবি মাদকবিরোধী বার্তায় বালিয়াকান্দীতে বিবাহিত-অবিবাহিতদের ফুটবল লড়াই বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধে নারী আহত, দেবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ লন্ডনে বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি : ইন্টারনেট বন্ধ, আটক সাতশ’র বেশি

বিচারককে ঘুষ দিতে গিয়ে এসআই আটক, অতঃপর…

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:২৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 165

বরগুনার পাথরঘাটায় একটি সিআর মামলার আসামির জামিনের তদবির করতে গিয়ে বিচারককে ঘুষ দিতে উদ্যত হওয়ায় আদালতের খাস কামরা থেকে পাথরঘাটা থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) আটক হয়েছেন। পরে বিভাগীয় মামলার শর্তে মুচলেকার মাধ্যমে তাকে থানার ওসির জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আটক পুলিশ কর্মকর্তা হলেন পাথরঘাটা থানার এসআই শাহরিয়ার জালাল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. পনির শেখ তার খাস কামরায় অবস্থানকালে অনুমতি নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন এসআই শাহরিয়ার জালাল। তিনি আদালতের সিআর নং-৭৮০/২৩ মামলার নথি দেখিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. রাজু মিয়ার জামিনের সুপারিশ করেন এবং একটি রিকল দেওয়ার অনুরোধ জানান।

অভিযোগ রয়েছে, এ সময় অবৈধ প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে তিনি বিচারককে ঘুষ হিসেবে টাকা দিতে চান। এতে বিচারক বিব্রত বোধ করলে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কোর্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর, জিআরও ও আদালতের সহায়ক কর্মচারীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ পায়। পরে কার্য অসদাচরণ ও ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে আদালত প্রাঙ্গণেই এসআই শাহরিয়ার জালালকে আটক করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) বিষয়টি বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার কুদরত-ই-খুদাকে অবহিত করেন। জেলা পুলিশ সুপারের অনুরোধে বিভাগীয় মামলার আশ্বাস প্রদান করা হলে বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলার কাছে মুচলেকার মাধ্যমে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে জিম্মায় দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলা বলেন, বিষয়টি বিচারক অর্ডার শিটে যেভাবে নির্দেশনা দেবেন, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি মূলত ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট এসআইয়ের বিষয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিচারককে ঘুষ দিতে গিয়ে এসআই আটক, অতঃপর…

প্রকাশের সময় : ০৬:২৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

বরগুনার পাথরঘাটায় একটি সিআর মামলার আসামির জামিনের তদবির করতে গিয়ে বিচারককে ঘুষ দিতে উদ্যত হওয়ায় আদালতের খাস কামরা থেকে পাথরঘাটা থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) আটক হয়েছেন। পরে বিভাগীয় মামলার শর্তে মুচলেকার মাধ্যমে তাকে থানার ওসির জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আটক পুলিশ কর্মকর্তা হলেন পাথরঘাটা থানার এসআই শাহরিয়ার জালাল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. পনির শেখ তার খাস কামরায় অবস্থানকালে অনুমতি নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন এসআই শাহরিয়ার জালাল। তিনি আদালতের সিআর নং-৭৮০/২৩ মামলার নথি দেখিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. রাজু মিয়ার জামিনের সুপারিশ করেন এবং একটি রিকল দেওয়ার অনুরোধ জানান।

অভিযোগ রয়েছে, এ সময় অবৈধ প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে তিনি বিচারককে ঘুষ হিসেবে টাকা দিতে চান। এতে বিচারক বিব্রত বোধ করলে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কোর্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর, জিআরও ও আদালতের সহায়ক কর্মচারীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ পায়। পরে কার্য অসদাচরণ ও ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে আদালত প্রাঙ্গণেই এসআই শাহরিয়ার জালালকে আটক করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) বিষয়টি বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার কুদরত-ই-খুদাকে অবহিত করেন। জেলা পুলিশ সুপারের অনুরোধে বিভাগীয় মামলার আশ্বাস প্রদান করা হলে বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলার কাছে মুচলেকার মাধ্যমে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে জিম্মায় দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলা বলেন, বিষয়টি বিচারক অর্ডার শিটে যেভাবে নির্দেশনা দেবেন, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি মূলত ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট এসআইয়ের বিষয়।