এনইআইআর পদ্ধতি কার্যকর নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
- প্রকাশের সময় : ০৭:১৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
- / 163
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) পদ্ধতি আগামী তিন মাস বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম।
রোববার (৪ জানুয়ারি) মোবাইল ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
ডিসি মাসুদ আলম বলেন, এই তিন মাসে কোনো মোবাইল ফোন ব্ল্যাকলিস্ট করা হবে না। এনইআইআর চালুর আগের সব স্টক লট বৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে। পাশাপাশি উৎপাদনকারীরা ডিস্ট্রিবিউটরদের অতিরিক্ত ৩ থেকে ৪ শতাংশ ডিসকাউন্ট দেবে, যাতে তারা শোরুমের তুলনায় কম দামে ফোন বিক্রি করতে পারেন।
এর আগে গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে এনইআইআর চালুর ঘোষণা দেওয়া হলেও মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের আপত্তির মুখে তা পিছিয়ে ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। পরে এনইআইআর পদ্ধতি চালুর প্রতিবাদে গত ১ জানুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ের সামনে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের একটি অংশ বিক্ষোভ করে।
বিক্ষোভ চলাকালে একপর্যায়ে তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপসহ অতর্কিত হামলা চালিয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ে ভাঙচুর করে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এনইআইআর পদ্ধতির বিরোধিতা করে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। বিটিআরসি জানিয়েছে, এই পদ্ধতি কার্যকর হলে দেশে কেবল বৈধ ও সরকার অনুমোদিত মোবাইল হ্যান্ডসেটই নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকতে পারবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এনইআইআর চালু হলে অবৈধভাবে দেশে আনা ফোন ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে এবং বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা পুরনো ফোনের ব্যবসাও বন্ধ হবে।
তবে এনইআইআর চালুর আগ পর্যন্ত নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কোনো ফোন বন্ধ করা হবে না বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।
সরকারের অভিযোগ, মোবাইল ব্যবসায়ীদের একটি অংশ অবৈধ পথে কর ফাঁকি দিয়ে নিম্নমানের, ক্লোনড, ব্যবহৃত ও পুরনো ফোন দেশে এনে বাজারজাত করছে। এসব অনিয়ম বন্ধ করতেই হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জন্য এনইআইআর চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।




















