Dhaka ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সবার জন্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে : প্রধানমন্ত্রী মাথায় চোট পেয়ে হাসপাতালে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ শৈলকুপায় সুপারি পাড়া নিয়ে বিরোধে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই নিহত সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্য: মঈন খান কুষ্টিয়া একদিন ‘লালন নগরী’ হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী পাঁচ মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ, এনসিপি নেতা কারাগারে কালীগঞ্জে ১৬ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বিএনপি নেতা নিরাপত্তার স্বার্থে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বিমানের রিয়াদগামী ফ্লাইট নুডলস খেয়ে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু পত্নীতলায় ১৫০ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার

ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে ইশরাক হোসেনের দুঃখপ্রকাশ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:১০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 182

ঢাকা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের একটি ভিডিও ঘিরে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। সম্প্রতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে হওয়া এক প্রোগ্রামে তাকে অন্যান্য নেতাকর্মীদের ঠেলে সরিয়ে দিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পাশে এসে দাঁড়াতে দেখা যায়। এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইশরাক হোসেন।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন। তার দেওয়া পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে দেওয়া হলো-

‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’-এর আহ্বায়ক নির্বাচিত হওয়ায় মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং সকলের দোয়া কামনা করছি। নবগঠিত কমিটির সকল সদস্যদের নিয়ে আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করতে যাই। এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রিজভী আহমেদ এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হয়েছিল, প্রোটোকল অনুসারে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথির দুই পাশে নবগঠিত প্রজন্ম কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব অবস্থান করবেন, যা পরবর্তীতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবে। পুরো কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের ব্যাপক আগ্রহ ও জনসমাগম থাকায়, সিরিয়াল ঠিক করার সময় আমাকে কিছুটা কঠোর অবস্থান নিতে হয়।

আহ্বায়ক হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা এবং তাঁদের স্বস্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব। তাই ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে কেউ মনোকষ্ট পেয়ে থাকলে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

বর্তমান সময়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’ সংগঠনটির ওপর গুরুদায়িত্ব বর্তায়। একদিকে চেতনা ফেরি করে বাংলাদেশকে লুটপাট ও গণহত্যাকারীদের দ্বারা ক্ষুণ্ণ হওয়া মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা, অন্যদিকে যারা আজও মুক্তিযুদ্ধকে মেনে নিতে পারেনি, যারা এখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে হৃদয় থেকে স্বীকার করেনি—তাদের আস্ফালন কঠোর হাতে রুখে দেওয়া। কালের পরিক্রমায় সত্য প্রকাশ পাবেই এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে, ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে ইশরাক হোসেনের দুঃখপ্রকাশ

প্রকাশের সময় : ০৬:১০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের একটি ভিডিও ঘিরে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। সম্প্রতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে হওয়া এক প্রোগ্রামে তাকে অন্যান্য নেতাকর্মীদের ঠেলে সরিয়ে দিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পাশে এসে দাঁড়াতে দেখা যায়। এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইশরাক হোসেন।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন। তার দেওয়া পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে দেওয়া হলো-

‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’-এর আহ্বায়ক নির্বাচিত হওয়ায় মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং সকলের দোয়া কামনা করছি। নবগঠিত কমিটির সকল সদস্যদের নিয়ে আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করতে যাই। এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রিজভী আহমেদ এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হয়েছিল, প্রোটোকল অনুসারে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথির দুই পাশে নবগঠিত প্রজন্ম কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব অবস্থান করবেন, যা পরবর্তীতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবে। পুরো কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের ব্যাপক আগ্রহ ও জনসমাগম থাকায়, সিরিয়াল ঠিক করার সময় আমাকে কিছুটা কঠোর অবস্থান নিতে হয়।

আহ্বায়ক হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা এবং তাঁদের স্বস্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব। তাই ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে কেউ মনোকষ্ট পেয়ে থাকলে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

বর্তমান সময়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’ সংগঠনটির ওপর গুরুদায়িত্ব বর্তায়। একদিকে চেতনা ফেরি করে বাংলাদেশকে লুটপাট ও গণহত্যাকারীদের দ্বারা ক্ষুণ্ণ হওয়া মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা, অন্যদিকে যারা আজও মুক্তিযুদ্ধকে মেনে নিতে পারেনি, যারা এখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে হৃদয় থেকে স্বীকার করেনি—তাদের আস্ফালন কঠোর হাতে রুখে দেওয়া। কালের পরিক্রমায় সত্য প্রকাশ পাবেই এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে, ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।’