মেটাকে সরকারের চিঠি, উসকানিমূলক কনটেন্ট সরানোর অনুরোধ
- প্রকাশের সময় : ০২:৩৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 207
অন্তর্বর্তী সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতা উসকে দেওয়া ও সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলার উসকানি দেওয়া কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মেটাকে চিঠি দিয়েছে। জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) মেটাকে চিঠি পাঠায় এবং আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সংক্রান্ত কনটেন্টের ওপর বিশেষ নজরদারি রাখতে আহ্বান জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, মেটার প্ল্যাটফর্মগুলোকে সহিংসতা উসকে দিতে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা বাস্তব জীবনের সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। এর ফলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি ফেসবুকে ওসমান হাদির মৃত্যুকে সমর্থন করেছেন এবং গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার আহ্বান জানিয়েছেন। এর পর প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়, যা জনমনে আতঙ্ক তৈরি করেছে।
সরকার ও নাগরিক সমাজের অনুরোধের পরও সহিংসতা উসকে দেওয়া অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করতে মেটা সহযোগিতা করেনি। চিঠিতে মেটাকে বাংলাদেশ সংক্রান্ত কনটেন্টে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড কঠোরভাবে প্রয়োগ, বাংলা ভাষাভিত্তিক কনটেন্ট মডারেশন, অনুভূতি বিশ্লেষণ ও প্রাসঙ্গিক পর্যালোচনা জোরদার করা এবং সহিংসতা, ভয়ভীতি বা সংগঠিত ক্ষতির আহ্বান জানানো কনটেন্টের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমেইলের মাধ্যমে সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বানযুক্ত পোস্ট রিপোর্ট করার আহ্বান জানিয়েছে। প্রাপ্ত অভিযোগ প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর বিটিআরসির মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মে রিপোর্ট করা হবে।
সরকারি বক্তব্যে বলা হয়েছে, সরকার সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট সরাসরি ডাউন করতে পারে না; বরং সহিংসতার সঙ্গে সম্পর্কিত পোস্টগুলো যৌক্তিক কারণে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের কাছে রিপোর্ট করতে পারে। রিপোর্ট করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ০১৩০৮৩৩২৫৯২ এবং ইমেইল notify@ncsa.gov.bd।
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি জনসাধারণকে সচেতন থাকার পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াকে সহিংসতা তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করার আহ্বান জানাচ্ছে।




















