Dhaka ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে কোলা ইউনিয়ন বিএনপির মানবিক উদ্যোগ রূপপুর প্রকল্পে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়ার অনুমতি টিকটকে যুক্ত হলো নতুন দুই সুবিধা পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাঙ্ক করে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন ৬১ বছরের নারী শূন্য থেকে শিখরে: কত সম্পদ রেখে গেলেন নানা পাটেকার জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নিবন্ধন শুরু ১৫ অক্টোবর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে পণ্যের সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫

বাংলাদেশে তৈরি ৩ ল্যান্ডিং ক্রাফট যাচ্ছে আরব আমিরাতে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 111

চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডে নির্মিত তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট—মায়া, এসএমএস এমি ও মুনা—আরব আমিরাতে রপ্তানি হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) জাহাজগুলো ইউএইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মারওয়ান অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি এলএলসির কাছে হস্তান্তর করা হবে। কর্ণফুলী নদীর তীরে জাহাজগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শিপইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, তিনটি জাহাজই ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী অফশোর সাপ্লাই, মালবাহী পরিবহন ও সমুদ্রবাণিজ্যের কাজে ব্যবহারের উপযোগী করে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ল্যান্ডিং ক্রাফটের দৈর্ঘ্য ৬৯ মিটার, প্রস্থ ১৬ মিটার ও ড্রাফট ৩ মিটার। ব্যুরো ভেরিটাসের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নির্মিত জাহাজগুলো ১০ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে পারে। পাশাপাশি ৭০০ বর্গমিটার ক্লিয়ার ডেক স্পেস থাকায় ভারী যন্ত্রপাতি ও বাল্ক কার্গো পরিবহনে এগুলো বিশেষভাবে উপযোগী।

ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি জাহাজের চাহিদা বাড়ছে। এই তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট রপ্তানি শুধু ব্যবসায়িক সাফল্য নয়, দেশের জাহাজনির্মাণশিল্পের জন্যও ইতিবাচক বার্তা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বাংলাদেশে তৈরি ৩ ল্যান্ডিং ক্রাফট যাচ্ছে আরব আমিরাতে

প্রকাশের সময় : ১১:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডে নির্মিত তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট—মায়া, এসএমএস এমি ও মুনা—আরব আমিরাতে রপ্তানি হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) জাহাজগুলো ইউএইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মারওয়ান অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি এলএলসির কাছে হস্তান্তর করা হবে। কর্ণফুলী নদীর তীরে জাহাজগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শিপইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, তিনটি জাহাজই ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী অফশোর সাপ্লাই, মালবাহী পরিবহন ও সমুদ্রবাণিজ্যের কাজে ব্যবহারের উপযোগী করে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ল্যান্ডিং ক্রাফটের দৈর্ঘ্য ৬৯ মিটার, প্রস্থ ১৬ মিটার ও ড্রাফট ৩ মিটার। ব্যুরো ভেরিটাসের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নির্মিত জাহাজগুলো ১০ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে পারে। পাশাপাশি ৭০০ বর্গমিটার ক্লিয়ার ডেক স্পেস থাকায় ভারী যন্ত্রপাতি ও বাল্ক কার্গো পরিবহনে এগুলো বিশেষভাবে উপযোগী।

ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি জাহাজের চাহিদা বাড়ছে। এই তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট রপ্তানি শুধু ব্যবসায়িক সাফল্য নয়, দেশের জাহাজনির্মাণশিল্পের জন্যও ইতিবাচক বার্তা।