Dhaka ১১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালীগঞ্জে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ভোজ্যতেল, ডিম ও চালসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ চায় স্থায়ী কমিটি দিল্লিতে আবাসিক এলাকায় আবারো ভবনধস যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর, আটকে দিলো পুলিশ ধর্ম-বর্ণ-পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না : প্রধানমন্ত্রী আবারও দেশে জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ডেঙ্গুতে আরো ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৬০ কালুখালীর মদাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী কুন্নুর সমর্থনে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ঝিনাইদহে মিশন আচার্যের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন রাশেদ খান

পরিবেশকে প্রভাবমুক্ত রেখে সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরির আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 80

প্রকৃতি, পরিবেশ ও নদীকে নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সড়ক, রেল, বিমান ও নৌপথের সম্মিলিত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

রোববার (২ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ‘সেন্ট্রাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট সেক্টর মাস্টার প্ল্যান অব বাংলাদেশ’ সংক্রান্ত প্রান্তিক মূল্যায়ন ও কৌশলগত পরিকল্পনা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কর্মকর্তারা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা বর্তমানে বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত শৃঙ্খলার মধ্যে না আনলে এটি অর্থনীতির জন্য গলার ফাঁসে পরিণত হবে। তিনি বলেন, “এই কাজ করতে হবে পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে। নদীর ওপর আঘাত করা যাবে না, পানিকে শান্ত রাখতে হবে—কারণ পানি আমাদের জন্য বিরাট সম্পদ।”

বৈঠকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি প্রাথমিক কৌশলগত পরিকল্পনা উপস্থাপন করে। এতে দেখানো হয়, রেল, নৌ ও সড়কপথের সমন্বিত ব্যবহার ও সীমিত সংস্কারের মাধ্যমে কিভাবে শৃঙ্খলাপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই পরিকল্পনা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে মাথায় রেখে বাস্তবায়ন করতে হবে। অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। নদীগুলো আমাদের প্রাণ—এটা ভুললে চলবে না।”

বিশেষ সহকারী ড. শেখ মইনউদ্দিন বলেন, যোগাযোগে একটি সামষ্টিক মডেল তৈরির কাজ চলছে, যাতে দেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইন শক্তিশালী হয়।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “যেসব স্থানে ছোট কিছু সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে পুরো অঞ্চলকে জাতীয় সংযোগে আনা সম্ভব, সেখানে দ্রুত পরিকল্পনা নিতে হবে।”

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগের কাজ আরও পরিকল্পিতভাবে করার লক্ষ্যে একটি ‘প্ল্যানার্স উইং’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রামে তিনটি নতুন বন্দর চালু হবে। এসব বন্দর থেকে সড়ক যোগাযোগ সহজ ও কার্যকর করতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পরিবেশকে প্রভাবমুক্ত রেখে সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরির আহ্বান

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

প্রকৃতি, পরিবেশ ও নদীকে নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সড়ক, রেল, বিমান ও নৌপথের সম্মিলিত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

রোববার (২ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ‘সেন্ট্রাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট সেক্টর মাস্টার প্ল্যান অব বাংলাদেশ’ সংক্রান্ত প্রান্তিক মূল্যায়ন ও কৌশলগত পরিকল্পনা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কর্মকর্তারা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা বর্তমানে বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত শৃঙ্খলার মধ্যে না আনলে এটি অর্থনীতির জন্য গলার ফাঁসে পরিণত হবে। তিনি বলেন, “এই কাজ করতে হবে পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে। নদীর ওপর আঘাত করা যাবে না, পানিকে শান্ত রাখতে হবে—কারণ পানি আমাদের জন্য বিরাট সম্পদ।”

বৈঠকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি প্রাথমিক কৌশলগত পরিকল্পনা উপস্থাপন করে। এতে দেখানো হয়, রেল, নৌ ও সড়কপথের সমন্বিত ব্যবহার ও সীমিত সংস্কারের মাধ্যমে কিভাবে শৃঙ্খলাপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই পরিকল্পনা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে মাথায় রেখে বাস্তবায়ন করতে হবে। অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। নদীগুলো আমাদের প্রাণ—এটা ভুললে চলবে না।”

বিশেষ সহকারী ড. শেখ মইনউদ্দিন বলেন, যোগাযোগে একটি সামষ্টিক মডেল তৈরির কাজ চলছে, যাতে দেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইন শক্তিশালী হয়।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “যেসব স্থানে ছোট কিছু সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে পুরো অঞ্চলকে জাতীয় সংযোগে আনা সম্ভব, সেখানে দ্রুত পরিকল্পনা নিতে হবে।”

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগের কাজ আরও পরিকল্পিতভাবে করার লক্ষ্যে একটি ‘প্ল্যানার্স উইং’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রামে তিনটি নতুন বন্দর চালু হবে। এসব বন্দর থেকে সড়ক যোগাযোগ সহজ ও কার্যকর করতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।