Dhaka ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

রাজবাড়ীর পাংশায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মাকে হত্যার অভিযোগ

একে আজাদ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 74

রাজবাড়ীর পাংশায় নেশাগ্রস্ত ছেলের হাতে তারা খাতুন (৪৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের নাটাখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তারা খাতুন কসবামাজাইল ইউনিয়নের জাবেদ বিশ্বাসের স্ত্রী।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে নাটাখোলা এলাকা থেকে তারা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পাংশা মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রাজু বিশ্বাসকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী জাবেদ বিশ্বাস পলাতক রয়েছেন।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভাষ্য, তারা খাতুনের ছেলে রাজু ইয়াবাসেবী ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ছেলের চিকিৎসার জন্য তারা খাতুন মোটরসাইকেলে করে কুষ্টিয়া জেলার বনগ্রাম এলাকার উদ্দেশে রওনা হন। পরে রাজু তার মাকে সঙ্গে না নিয়ে তার খালার বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরদিন সকালে তারা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা খাতুনের সঙ্গে তার স্বামী জাবেদ বিশ্বাসের সম্পর্ক ভালো ছিল না। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাজু বিশ্বাস নেশায় আসক্ত ছিলেন। মোটরসাইকেল থেকে পড়ে তারা খাতুনের মৃত্যু হয়ে থাকলেও রাজু বিষয়টি কাউকে অবহিত করেননি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এদিকে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী জাবেদ বিশ্বাসও পলাতক রয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা তদন্ত করছেন।

পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মাঈনুল ইসলাম বলেন, নাদুরিয়া ঘাট এলাকা থেকে তারা খাতুন নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটি হত্যাকাণ্ডের কারণে মৃত্যু, নাকি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু—তা এখনো নিশ্চিত নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়ে থাকলেও ছেলের উচিত ছিল বিষয়টি কাউকে জানানো। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীর পাংশায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মাকে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ১২:৫৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

রাজবাড়ীর পাংশায় নেশাগ্রস্ত ছেলের হাতে তারা খাতুন (৪৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের নাটাখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তারা খাতুন কসবামাজাইল ইউনিয়নের জাবেদ বিশ্বাসের স্ত্রী।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে নাটাখোলা এলাকা থেকে তারা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পাংশা মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রাজু বিশ্বাসকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী জাবেদ বিশ্বাস পলাতক রয়েছেন।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভাষ্য, তারা খাতুনের ছেলে রাজু ইয়াবাসেবী ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ছেলের চিকিৎসার জন্য তারা খাতুন মোটরসাইকেলে করে কুষ্টিয়া জেলার বনগ্রাম এলাকার উদ্দেশে রওনা হন। পরে রাজু তার মাকে সঙ্গে না নিয়ে তার খালার বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরদিন সকালে তারা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা খাতুনের সঙ্গে তার স্বামী জাবেদ বিশ্বাসের সম্পর্ক ভালো ছিল না। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাজু বিশ্বাস নেশায় আসক্ত ছিলেন। মোটরসাইকেল থেকে পড়ে তারা খাতুনের মৃত্যু হয়ে থাকলেও রাজু বিষয়টি কাউকে অবহিত করেননি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এদিকে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী জাবেদ বিশ্বাসও পলাতক রয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা তদন্ত করছেন।

পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মাঈনুল ইসলাম বলেন, নাদুরিয়া ঘাট এলাকা থেকে তারা খাতুন নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটি হত্যাকাণ্ডের কারণে মৃত্যু, নাকি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু—তা এখনো নিশ্চিত নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়ে থাকলেও ছেলের উচিত ছিল বিষয়টি কাউকে জানানো। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।