Dhaka ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে কোলা ইউনিয়ন বিএনপির মানবিক উদ্যোগ রূপপুর প্রকল্পে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়ার অনুমতি টিকটকে যুক্ত হলো নতুন দুই সুবিধা পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাঙ্ক করে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন ৬১ বছরের নারী শূন্য থেকে শিখরে: কত সম্পদ রেখে গেলেন নানা পাটেকার জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নিবন্ধন শুরু ১৫ অক্টোবর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে পণ্যের সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫

‘রহস্যময়’ সামুদ্রিক যানটি এখন নৌবাহিনীর হেফাজতে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২০:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 98

 

বরগুনার পাথরঘাটা উপকূলে জেলের জালে ধরা পড়া লাল-হলুদ রঙের সামুদ্রিক যন্ত্রটি এখন নৌবাহিনীর হেফাজতে রয়েছে। গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল রহস্যের সৃষ্টির পর গতকাল বরগুনার পুলিশ সুপার কুদরত-ই-খুদা জানান, ৮ ফুট দীর্ঘ এ সমুদ্র যানটি কোস্টগার্ডের মাধ্যমে নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন এর ফরেনসিক পরীক্ষানিরীক্ষা করা হবে। সমুদ্রবিজ্ঞানীদের প্রাথমিক ধারণা, এটি কোনো সাধারণ বস্তু নয়, বরং পানির নিচে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলাচলকারী একটি অত্যাধুনিক গবেষণা যান। যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় এইউভি বা অটোনোমাস আন্ডারওয়াটার ভেহিক্যাল। টর্পেডোর মতো দেখতে সিলিন্ডার আকৃতির এই যানের ভিতরে রয়েছে উন্নত ইলেকট্রনিক মডিউল, সেন্সর, ব্যাটারি এবং অ্যান্টেনাসদৃশ যোগাযোগ যন্ত্র। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের উন্নত দেশগুলো সমুদ্রের নিচে মানচিত্র তৈরি, জলবায়ুর তথ্য সংগ্রহ বা সামরিক নজরদারির জন্য এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সামুদ্রিক প্রাণিবিজ্ঞানী মোহাম্মদ আবদুল আজিজ এবং সমুদ্রপ্রাণী গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, আমাদের দেশের সমুদ্রসীমায় সাধারণত এ ধরনের যান ব্যবহার করা হয় না।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘রহস্যময়’ সামুদ্রিক যানটি এখন নৌবাহিনীর হেফাজতে

প্রকাশের সময় : ০৯:২০:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

 

বরগুনার পাথরঘাটা উপকূলে জেলের জালে ধরা পড়া লাল-হলুদ রঙের সামুদ্রিক যন্ত্রটি এখন নৌবাহিনীর হেফাজতে রয়েছে। গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল রহস্যের সৃষ্টির পর গতকাল বরগুনার পুলিশ সুপার কুদরত-ই-খুদা জানান, ৮ ফুট দীর্ঘ এ সমুদ্র যানটি কোস্টগার্ডের মাধ্যমে নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন এর ফরেনসিক পরীক্ষানিরীক্ষা করা হবে। সমুদ্রবিজ্ঞানীদের প্রাথমিক ধারণা, এটি কোনো সাধারণ বস্তু নয়, বরং পানির নিচে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলাচলকারী একটি অত্যাধুনিক গবেষণা যান। যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় এইউভি বা অটোনোমাস আন্ডারওয়াটার ভেহিক্যাল। টর্পেডোর মতো দেখতে সিলিন্ডার আকৃতির এই যানের ভিতরে রয়েছে উন্নত ইলেকট্রনিক মডিউল, সেন্সর, ব্যাটারি এবং অ্যান্টেনাসদৃশ যোগাযোগ যন্ত্র। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের উন্নত দেশগুলো সমুদ্রের নিচে মানচিত্র তৈরি, জলবায়ুর তথ্য সংগ্রহ বা সামরিক নজরদারির জন্য এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সামুদ্রিক প্রাণিবিজ্ঞানী মোহাম্মদ আবদুল আজিজ এবং সমুদ্রপ্রাণী গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, আমাদের দেশের সমুদ্রসীমায় সাধারণত এ ধরনের যান ব্যবহার করা হয় না।