Dhaka ০২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাংলাদেশ এখন কৌশলগত গুরুত্বের অংশীদার: ইইউ রাষ্ট্রদূত যানজট কমাতে বৃত্তাকার সড়কের কাজ দ্রুত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নওগাঁ সীমান্তে ১৯ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার বাড়িভাড়া আকাশছোঁয়া, বিক্ষোভে উত্তাল স্পেনের রাজপথ দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও অবকাঠামো সংস্কারে অংশ নিতে চায় বিশ্বব্যাংক ফেনীতে অভিযান চলাকালে ট্রাকের ধাক্কায় এসআরবি সদস্য নিহত নোয়াখালীতে বারবিকিউ পার্টিতে মদপানে যুবকের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ ৪ তিন মাসের বকেয়া বেতন একসঙ্গে পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন সেনাপ্রধান মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের ড্রোন হামলা, নিন্দা জানাল বাংলাদেশ

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • / 92

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই।

দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তার মেয়ে তাসনিম সিনহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, মিজানুর রহমান সিনহা ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের ডহুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় স্নাতক সম্পন্ন করেন।

১৯৬৪ সালে সিনহা হাবিব ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তার পিতার মৃত্যুর পর ১৯৭৫ সালে তিনি পিতার প্রতিষ্ঠিত একমি গ্রুপে যোগদান করেন। ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

সিনহা ছাত্রজীবনে রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। সরকারি তোলারাম কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে মিজানুর রহমান সিনহা বিএনপিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ২২ জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে ১৯৯৬ সালে সপ্তম ও ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে যথাক্রমে ৫৮ হাজার ৪৫৫ ও ৮৩ হাজার ৬২৩ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূরুল ইসলাম খান বাদল ও সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলিকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

সর্বশেষ ঘোষিত জেলা বিএনপির কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পান তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে তাকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে গুরুতর অসুস্থতার কারণে সেসময় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হলে চূড়ান্ত মনোনয়নে পরিবর্তন আনা হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই

প্রকাশের সময় : ১১:৪৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই।

দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তার মেয়ে তাসনিম সিনহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, মিজানুর রহমান সিনহা ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের ডহুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় স্নাতক সম্পন্ন করেন।

১৯৬৪ সালে সিনহা হাবিব ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তার পিতার মৃত্যুর পর ১৯৭৫ সালে তিনি পিতার প্রতিষ্ঠিত একমি গ্রুপে যোগদান করেন। ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

সিনহা ছাত্রজীবনে রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। সরকারি তোলারাম কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে মিজানুর রহমান সিনহা বিএনপিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ২২ জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে ১৯৯৬ সালে সপ্তম ও ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে যথাক্রমে ৫৮ হাজার ৪৫৫ ও ৮৩ হাজার ৬২৩ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূরুল ইসলাম খান বাদল ও সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলিকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

সর্বশেষ ঘোষিত জেলা বিএনপির কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পান তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে তাকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে গুরুতর অসুস্থতার কারণে সেসময় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হলে চূড়ান্ত মনোনয়নে পরিবর্তন আনা হয়।