Dhaka ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয়, সৌদিতে সেনা পাঠাবে পাকিস্তান ও তুরস্ক বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন পত্নীতলায় ১৩০ ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার রাণীনগরে সরকারি চাল জব্দের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হুমকি-লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাজবাড়ীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে পাঁচ গুণী শিক্ষক সংবর্ধিত রাজবাড়ীতে বিশ্ব বসতি দিবসে আলোচনা সভা

বিশ্ব ধরিত্রী দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:১০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 112

আজ ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছরের মতো দিনটি পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখার অঙ্গীকারে পালিত হচ্ছে।

১৯৭০ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি উদযাপন শুরু হয়, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশ দূষণ, বন উজাড়, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক সংকট সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।

১৯৬০ খ্রিস্টাব্দের শুরুর দিকে এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করেন মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন। তিনি ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দের শেষের দিকে অ্যাটর্নি জেনারেল রবার্ট কেনেডির কাছে এই বিষয়টি আলাপ করার জন্য ওয়াশিংটন যান। এই বিষয়টি বেশ পছন্দ করেন কেনেডি।

এরপর ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টর একাদশ-রাষ্ট্র সংলাপে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার কথা ছিল। কিন্তু এ নিয়ে ফলপ্রসু কোনো আলোচনা হয় নি। কিন্তু প্রচারণা অব্যাহত রাখেন নেলসন। যা পরবর্তীতে বহু মানুষকে সচেতন করে তোলে। অবশেষে ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে ‘ধরিত্রী দিবস’ পালনের দিন হিসাবে ২২ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়।

পরের বছর ২২ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আনুষ্ঠানিক ভাবে ১ম ধরিত্রী দিবস পালিত হয়েছে। তখন এর নাম ছিল এনভায়রনমেন্টাল টিচ-ইন। বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশেই সরকারি ভাবে এই দিবস পালন করা হচ্ছে। উত্তর গোলার্ধের দেশগুলিতে এই দিবস পালিত হয় বসন্তকালে আর দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলিতে পালিত হয় শরৎকালে।

১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে বাৎসরিক পঞ্জিকায় দিবসটিকে স্থান দেয় জাতিসংঘ। জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহকে তা পালনের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়। এরপর দিবসটি ‘বিশ্ব ধরিত্রী দিবস’ নামে আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশেও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, পরিবেশবাদী সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম আয়োজন করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম হওয়ায় এই দিবসের গুরুত্ব আরও বেশি।

পরিবেশবিদরা মনে করেন, শুধু একদিনের কর্মসূচি নয়, প্রতিদিনের জীবনযাপনে পরিবেশবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করাই হতে পারে পৃথিবীকে রক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো, গাছ লাগানো, পানির অপচয় রোধের মতো ছোট ছোট উদ্যোগই বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিশ্ব ধরিত্রী দিবস আজ

প্রকাশের সময় : ১২:১০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

আজ ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছরের মতো দিনটি পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখার অঙ্গীকারে পালিত হচ্ছে।

১৯৭০ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি উদযাপন শুরু হয়, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশ দূষণ, বন উজাড়, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক সংকট সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।

১৯৬০ খ্রিস্টাব্দের শুরুর দিকে এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করেন মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন। তিনি ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দের শেষের দিকে অ্যাটর্নি জেনারেল রবার্ট কেনেডির কাছে এই বিষয়টি আলাপ করার জন্য ওয়াশিংটন যান। এই বিষয়টি বেশ পছন্দ করেন কেনেডি।

এরপর ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টর একাদশ-রাষ্ট্র সংলাপে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার কথা ছিল। কিন্তু এ নিয়ে ফলপ্রসু কোনো আলোচনা হয় নি। কিন্তু প্রচারণা অব্যাহত রাখেন নেলসন। যা পরবর্তীতে বহু মানুষকে সচেতন করে তোলে। অবশেষে ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে ‘ধরিত্রী দিবস’ পালনের দিন হিসাবে ২২ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়।

পরের বছর ২২ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আনুষ্ঠানিক ভাবে ১ম ধরিত্রী দিবস পালিত হয়েছে। তখন এর নাম ছিল এনভায়রনমেন্টাল টিচ-ইন। বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশেই সরকারি ভাবে এই দিবস পালন করা হচ্ছে। উত্তর গোলার্ধের দেশগুলিতে এই দিবস পালিত হয় বসন্তকালে আর দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলিতে পালিত হয় শরৎকালে।

১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে বাৎসরিক পঞ্জিকায় দিবসটিকে স্থান দেয় জাতিসংঘ। জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহকে তা পালনের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়। এরপর দিবসটি ‘বিশ্ব ধরিত্রী দিবস’ নামে আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশেও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, পরিবেশবাদী সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম আয়োজন করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম হওয়ায় এই দিবসের গুরুত্ব আরও বেশি।

পরিবেশবিদরা মনে করেন, শুধু একদিনের কর্মসূচি নয়, প্রতিদিনের জীবনযাপনে পরিবেশবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করাই হতে পারে পৃথিবীকে রক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো, গাছ লাগানো, পানির অপচয় রোধের মতো ছোট ছোট উদ্যোগই বড় পরিবর্তন আনতে পারে।