Dhaka ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘এই জার্সি ছিল আমার স্বপ্ন, গর্ব ও জীবন’, বিদায়ের বার্তা মেসির স্বামীর দাফনের এক ঘণ্টা পরই স্ত্রীর মৃত্যু প্রিজনভ্যানের গেট খুলে পিচ্চি রাজাকে বোনের প্রাইভেটকারে তুলে দেয় পুলিশ! (ভিডিও) কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় তেলবাহী জাহাজে আগুন, সব নাবিক ভারতীয় এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ রাঙালেন মেসি মেসির শেষ ম্যাচের আগে নেইমারের আবেগঘন বার্তা, স্মরণ করলেন পুরোনো দিন দীর্ঘদিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন মার্ভেল তারকা সিমু লিউ পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া বিভাগের নতুন এআইজি মুনিরা বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা ভবিষ্যতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সরাতে গণভোট লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন হলে দেশের চিত্র বদলে যাবে: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • / 148

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সারা দেশে যদি ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশের চিত্রই বদলে যাবে। খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি, পরিবেশ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একটি খালের কাজ সম্পন্ন হলে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমি নতুন করে চাষাবাদের আওতায় আসবে এবং এতে প্রায় পাঁচ হাজার টন অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন সম্ভব হবে। সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় ধরনের বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে সব হিসাব-নিকাশ করেই আমরা এই প্রকল্পে হাত দিয়েছি। প্রতিটি প্রকল্পই কস্টেড অ্যান্ড বাজেটেড। অর্থাৎ খরচ নির্ধারণ ও বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

সোমবার মীরসরাইয়ে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ধাপে ধাপে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার খাল খননের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বিশাল কর্মসূচি একদিনে শেষ করা সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক খাল দখল হয়ে গেছে। তবে এরই মধ্যে এসব খালের সীমানা নির্ধারণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেখানে সরকারের খালের মালিকানা আছে, সেখানে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দখল করে রাখার সুযোগ পাবে না। সীমানা নির্ধারণের পর সেই অনুযায়ী খাল খননের কাজ করা হবে।

এ সময় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, মীরসরাই আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সরওয়ার উদ্দিন সেলিমসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন হলে দেশের চিত্র বদলে যাবে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সারা দেশে যদি ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশের চিত্রই বদলে যাবে। খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি, পরিবেশ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একটি খালের কাজ সম্পন্ন হলে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমি নতুন করে চাষাবাদের আওতায় আসবে এবং এতে প্রায় পাঁচ হাজার টন অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন সম্ভব হবে। সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় ধরনের বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে সব হিসাব-নিকাশ করেই আমরা এই প্রকল্পে হাত দিয়েছি। প্রতিটি প্রকল্পই কস্টেড অ্যান্ড বাজেটেড। অর্থাৎ খরচ নির্ধারণ ও বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

সোমবার মীরসরাইয়ে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ধাপে ধাপে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার খাল খননের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বিশাল কর্মসূচি একদিনে শেষ করা সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক খাল দখল হয়ে গেছে। তবে এরই মধ্যে এসব খালের সীমানা নির্ধারণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেখানে সরকারের খালের মালিকানা আছে, সেখানে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দখল করে রাখার সুযোগ পাবে না। সীমানা নির্ধারণের পর সেই অনুযায়ী খাল খননের কাজ করা হবে।

এ সময় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, মীরসরাই আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সরওয়ার উদ্দিন সেলিমসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।