Dhaka ০৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলতি মার্চে জ্বালানি বা বিদ্যুৎ নিয়ে কোনো চিন্তার কারণ নেই

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 145

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বই জ্বালানি সংকটে ফেঁসে যাবে বলে সতর্ক করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তবে চলমান মার্চ মাসে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির কোনো ঘাটতি হবে না বলে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রমজানে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জনমনে যে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে অভয় দিয়ে মন্ত্রী বলেন, মানুষের শঙ্কা দূর করার জন্যই আমরা নিরলস কাজ করছি। আশা করি, আমরা সফল হব। অন্তত চলতি মার্চ মাসে জ্বালানি বা বিদ্যুৎ নিয়ে কোনো চিন্তার কারণ নেই।

পরবর্তী মাসগুলোতে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে কিনা? সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা কাজ করছি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তার প্রভাব বাংলাদেশের ওপর পড়বে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে সতর্কবার্তা দিয়ে টুকু বলেন, যুদ্ধটা দীর্ঘমেয়াদি হলে অবশ্যই আমাদের জন্য সমস্যা হবে। শুধু বাংলাদেশ নয়, যুদ্ধের প্রভাব দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বের সব দেশই সংকটে ফেঁসে যাবে। যুদ্ধকালীন কিছু সমস্যা তো থাকেই, তবে আমাদের পক্ষ থেকে যতখানি চেষ্টা করা দরকার, তার সবটুকুই আমরা করব।

ইরানে হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামের অস্থিরতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ার যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় সরকার বিকল্প উৎস ও অভ্যন্তরীণ মজুত নিয়ে কাজ করছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। মন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক এই সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

চলতি মার্চে জ্বালানি বা বিদ্যুৎ নিয়ে কোনো চিন্তার কারণ নেই

প্রকাশের সময় : ১০:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বই জ্বালানি সংকটে ফেঁসে যাবে বলে সতর্ক করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তবে চলমান মার্চ মাসে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির কোনো ঘাটতি হবে না বলে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রমজানে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জনমনে যে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে অভয় দিয়ে মন্ত্রী বলেন, মানুষের শঙ্কা দূর করার জন্যই আমরা নিরলস কাজ করছি। আশা করি, আমরা সফল হব। অন্তত চলতি মার্চ মাসে জ্বালানি বা বিদ্যুৎ নিয়ে কোনো চিন্তার কারণ নেই।

পরবর্তী মাসগুলোতে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে কিনা? সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা কাজ করছি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তার প্রভাব বাংলাদেশের ওপর পড়বে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে সতর্কবার্তা দিয়ে টুকু বলেন, যুদ্ধটা দীর্ঘমেয়াদি হলে অবশ্যই আমাদের জন্য সমস্যা হবে। শুধু বাংলাদেশ নয়, যুদ্ধের প্রভাব দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বের সব দেশই সংকটে ফেঁসে যাবে। যুদ্ধকালীন কিছু সমস্যা তো থাকেই, তবে আমাদের পক্ষ থেকে যতখানি চেষ্টা করা দরকার, তার সবটুকুই আমরা করব।

ইরানে হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামের অস্থিরতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ার যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় সরকার বিকল্প উৎস ও অভ্যন্তরীণ মজুত নিয়ে কাজ করছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। মন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক এই সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।