Dhaka ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে কোলা ইউনিয়ন বিএনপির মানবিক উদ্যোগ রূপপুর প্রকল্পে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়ার অনুমতি টিকটকে যুক্ত হলো নতুন দুই সুবিধা পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাঙ্ক করে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন ৬১ বছরের নারী শূন্য থেকে শিখরে: কত সম্পদ রেখে গেলেন নানা পাটেকার জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নিবন্ধন শুরু ১৫ অক্টোবর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে পণ্যের সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫

এবার বদিউল আলম মজুমদার জানালেন, তিনি সরকারের অংশ ছিলেন না

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 178

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। তারা রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কারের লক্ষ্যে ১১টি কমিশন গঠন করে। এর মধ্যে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান হন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। এছাড়া তিনি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে কাজ করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন সরকারের অংশ ছিলেন না।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ‘অঙ্গীকার থেকে অনুশীলন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি এবং গণতান্ত্রিক জবাবদিহি- বাংলাদেশের নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান।

বদিউল আলম বলেন, কোনো কোনো সময় এমন ধারণা তৈরি করা হয় যে তিনি সরকারের অংশ ছিলেন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে এক সাংবাদিক ফোন করে জানান তাকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে দেখেন তাকে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান করা হয়েছে, অথচ এর আগে তার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। তিনি বলেন, সরকারের অংশ হিসেবে নয়, বরং অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সহায়তা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বয়োজ্যেষ্ঠ ও অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। কমিশনের আটজন সদস্য কয়েক মাস কাজ করে রিপোর্ট জমা দেন। তিনি এই কাজের জন্য কোনো বেতন-ভাতা নেননি এবং স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ঐকমত্য কমিশনের সদস্য হওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, ছয়টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। সেই কমিশনের সদস্যরা আট মাস রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেন। এখানেও তিনি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং কমিশন গঠনে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না।

এ প্রসঙ্গে সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, বদিউল আলম একজন ভালো মানুষ এবং কোনো অর্থ না নিয়ে দেশের জন্য কাজ করেছেন। তবে রাষ্ট্র অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে এবং কমিশনের দেওয়া সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি বলেই এখন ব্যাখ্যা দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, দুদক ও গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধানরাও একই কথা বলছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

এবার বদিউল আলম মজুমদার জানালেন, তিনি সরকারের অংশ ছিলেন না

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। তারা রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কারের লক্ষ্যে ১১টি কমিশন গঠন করে। এর মধ্যে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান হন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। এছাড়া তিনি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে কাজ করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন সরকারের অংশ ছিলেন না।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ‘অঙ্গীকার থেকে অনুশীলন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি এবং গণতান্ত্রিক জবাবদিহি- বাংলাদেশের নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান।

বদিউল আলম বলেন, কোনো কোনো সময় এমন ধারণা তৈরি করা হয় যে তিনি সরকারের অংশ ছিলেন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে এক সাংবাদিক ফোন করে জানান তাকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে দেখেন তাকে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান করা হয়েছে, অথচ এর আগে তার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। তিনি বলেন, সরকারের অংশ হিসেবে নয়, বরং অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সহায়তা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বয়োজ্যেষ্ঠ ও অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। কমিশনের আটজন সদস্য কয়েক মাস কাজ করে রিপোর্ট জমা দেন। তিনি এই কাজের জন্য কোনো বেতন-ভাতা নেননি এবং স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ঐকমত্য কমিশনের সদস্য হওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, ছয়টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। সেই কমিশনের সদস্যরা আট মাস রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেন। এখানেও তিনি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং কমিশন গঠনে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না।

এ প্রসঙ্গে সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, বদিউল আলম একজন ভালো মানুষ এবং কোনো অর্থ না নিয়ে দেশের জন্য কাজ করেছেন। তবে রাষ্ট্র অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে এবং কমিশনের দেওয়া সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি বলেই এখন ব্যাখ্যা দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, দুদক ও গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধানরাও একই কথা বলছেন।