Dhaka ১০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিডনি ডায়ালাইসিসের রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে ‘গোলাপজল’ ও ‘কেওড়া জল’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:১০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 86

বাজারে বিক্রি হওয়া গোলাপজল ও কেওড়া জল নামক সুগন্ধি পণ্যে কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য ব্যবহৃত অননুমোদিত রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) মোবাইল কোর্টের অভিযানে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

তদন্তে দেখা গেছে, এসব সুগন্ধি খাদ্যে ব্যবহারযোগ্য বলে দাবি করা হলেও মানব স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক রাসায়নিক উপাদান মিশ্রিত রয়েছে। পণ্যের লেবেলে ‘খাবার উপযোগী’, ‘ফুড গ্রেড’ এবং ‘ভেজিটেরিয়ান খাদ্য’ উল্লেখ থাকলেও এগুলো সঠিক নয়।

বিএফএসএ জানায়, খাদ্য সংযোজন দ্রব্য হিসেবে ব্যবহারের সময় যদি লেবেলে অনুমোদিত উপাদান ও তথ্য না থাকে, তবে এটি নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৭ ও ৩২ ধারার লঙ্ঘন। তাই গোলাপজল ও কেওড়া জল উৎপাদন এবং বিপণন অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সব খাদ্য প্রস্তুতকারী, রেস্টুরেন্ট, বেকারি ও ক্যাটারিং সেবা প্রদানকারীদের সতর্ক করা হয়েছে, এসব সুগন্ধি খাদ্যে ব্যবহার না করার জন্য। সাধারণ জনগণকেও এমন পণ্য ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কিডনি ডায়ালাইসিসের রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে ‘গোলাপজল’ ও ‘কেওড়া জল’

প্রকাশের সময় : ০২:১০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

বাজারে বিক্রি হওয়া গোলাপজল ও কেওড়া জল নামক সুগন্ধি পণ্যে কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য ব্যবহৃত অননুমোদিত রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) মোবাইল কোর্টের অভিযানে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

তদন্তে দেখা গেছে, এসব সুগন্ধি খাদ্যে ব্যবহারযোগ্য বলে দাবি করা হলেও মানব স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক রাসায়নিক উপাদান মিশ্রিত রয়েছে। পণ্যের লেবেলে ‘খাবার উপযোগী’, ‘ফুড গ্রেড’ এবং ‘ভেজিটেরিয়ান খাদ্য’ উল্লেখ থাকলেও এগুলো সঠিক নয়।

বিএফএসএ জানায়, খাদ্য সংযোজন দ্রব্য হিসেবে ব্যবহারের সময় যদি লেবেলে অনুমোদিত উপাদান ও তথ্য না থাকে, তবে এটি নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৭ ও ৩২ ধারার লঙ্ঘন। তাই গোলাপজল ও কেওড়া জল উৎপাদন এবং বিপণন অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সব খাদ্য প্রস্তুতকারী, রেস্টুরেন্ট, বেকারি ও ক্যাটারিং সেবা প্রদানকারীদের সতর্ক করা হয়েছে, এসব সুগন্ধি খাদ্যে ব্যবহার না করার জন্য। সাধারণ জনগণকেও এমন পণ্য ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।