Dhaka ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালীগঞ্জে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ভোজ্যতেল, ডিম ও চালসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ চায় স্থায়ী কমিটি দিল্লিতে আবাসিক এলাকায় আবারো ভবনধস যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর, আটকে দিলো পুলিশ ধর্ম-বর্ণ-পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না : প্রধানমন্ত্রী আবারও দেশে জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ডেঙ্গুতে আরো ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৬০ কালুখালীর মদাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী কুন্নুর সমর্থনে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ঝিনাইদহে মিশন আচার্যের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন রাশেদ খান

পরিবর্তন হচ্ছে বেবিচক আইন: সব ক্ষমতা যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ের হাতে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 102

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) আইন পরিবর্তন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ‘বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫’ খসড়া জনমত ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। তবে বেবিচক আশঙ্কা করছে, প্রস্তাবিত অধ্যাদেশ কার্যকর হলে বাংলাদেশের বিমান নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক মান রক্ষা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

বেবিচকের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের বিদ্যমান আইনের ১৪ ধারায় চেয়ারম্যানকে বিমান নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশ, আদেশ ও বিজ্ঞপ্তি জারি করার ক্ষমতা দেওয়া আছে, যা আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। কিন্তু নতুন অধ্যাদেশে অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি, ফলে আইকাও কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংশোধন কার্যকর করা সম্ভব হবে না। এতে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মূল্যায়নে ঝুঁকিতে ফেলা হতে পারে।

বেবিচক সুপারিশ করেছে, বর্তমান আইন ২০১৭-এর ১৪ ধারা অপরিবর্তিত রাখা এবং চেয়ারম্যানের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বজায় রাখা প্রয়োজন। এছাড়া নতুন অধ্যাদেশে ট্রাভেল এজেন্সি সংক্রান্ত ধারা ইতিমধ্যে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় নতুন ধারা যুক্ত করলে আইনগত জটিলতা তৈরি হতে পারে।

এছাড়া বিদেশি বিমান সংস্থাগুলোর কার্যক্রম তদারকিতে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে বেবিচক। বর্তমানে বিদেশি বিমান সংস্থাগুলো স্থানীয় সাধারণ বিক্রয় প্রতিনিধির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিং সহজ করে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী স্বাধীন অফিস স্থাপন করলে তদারকিতে সমস্যা হতে পারে।

বেবিচক জানিয়েছে, বর্তমান আইনেই বিমান চলাচল নিরাপত্তা, যাত্রীসেবা ও প্রযুক্তিগত নিয়মাবলি আন্তর্জাতিক মানে রক্ষা সম্ভব। তাই আইন সংশোধনের আগে বিস্তারিত মূল্যায়ন জরুরি।

উল্লেখযোগ্য, এ বিষয়ে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ উইং কমান্ডার (অব.) এটিএম নজরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান আইন সংসদের মাধ্যমে পাশ হওয়ায় তাড়াহুড়ো করে সংশোধনের প্রয়োজন নেই।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পরিবর্তন হচ্ছে বেবিচক আইন: সব ক্ষমতা যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ের হাতে

প্রকাশের সময় : ০১:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) আইন পরিবর্তন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ‘বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫’ খসড়া জনমত ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। তবে বেবিচক আশঙ্কা করছে, প্রস্তাবিত অধ্যাদেশ কার্যকর হলে বাংলাদেশের বিমান নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক মান রক্ষা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

বেবিচকের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের বিদ্যমান আইনের ১৪ ধারায় চেয়ারম্যানকে বিমান নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশ, আদেশ ও বিজ্ঞপ্তি জারি করার ক্ষমতা দেওয়া আছে, যা আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। কিন্তু নতুন অধ্যাদেশে অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি, ফলে আইকাও কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংশোধন কার্যকর করা সম্ভব হবে না। এতে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মূল্যায়নে ঝুঁকিতে ফেলা হতে পারে।

বেবিচক সুপারিশ করেছে, বর্তমান আইন ২০১৭-এর ১৪ ধারা অপরিবর্তিত রাখা এবং চেয়ারম্যানের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বজায় রাখা প্রয়োজন। এছাড়া নতুন অধ্যাদেশে ট্রাভেল এজেন্সি সংক্রান্ত ধারা ইতিমধ্যে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় নতুন ধারা যুক্ত করলে আইনগত জটিলতা তৈরি হতে পারে।

এছাড়া বিদেশি বিমান সংস্থাগুলোর কার্যক্রম তদারকিতে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে বেবিচক। বর্তমানে বিদেশি বিমান সংস্থাগুলো স্থানীয় সাধারণ বিক্রয় প্রতিনিধির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিং সহজ করে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী স্বাধীন অফিস স্থাপন করলে তদারকিতে সমস্যা হতে পারে।

বেবিচক জানিয়েছে, বর্তমান আইনেই বিমান চলাচল নিরাপত্তা, যাত্রীসেবা ও প্রযুক্তিগত নিয়মাবলি আন্তর্জাতিক মানে রক্ষা সম্ভব। তাই আইন সংশোধনের আগে বিস্তারিত মূল্যায়ন জরুরি।

উল্লেখযোগ্য, এ বিষয়ে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ উইং কমান্ডার (অব.) এটিএম নজরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান আইন সংসদের মাধ্যমে পাশ হওয়ায় তাড়াহুড়ো করে সংশোধনের প্রয়োজন নেই।