ইন্টারনেটে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ালে ৫ বছর কারাদণ্ড, ৯৯ কোটি টাকা জরিমানা
- প্রকাশের সময় : ০২:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
- / 113
টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি বা বেতার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যদি কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠী ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচার করে, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৯৯ কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
এই বিধান [বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫]-এর খসড়ায় রাখা হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ বুধবার এই খসড়া প্রকাশ করেছে এবং সাধারণ নাগরিক ও অংশীজনের মতামত গ্রহণের জন্য ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত রেখেছে।
অধ্যাদেশের ৬৬ক ধারায় বলা হয়েছে, যদি টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি দেশের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা বা প্রতিরক্ষা ক্ষুণ্ণ করে, সহিংসতা সৃষ্টি করে, বা দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার চেষ্টা করে, অথবা হ্যাকিং, ভুয়া জিও লোকেশন, বাল্ক এসএমএস প্রতারণা, বা জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে, তাহা হলে অপরাধ ধরা হবে।
ধারা ৬৯(ক)-এ বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতির মাধ্যমে অশ্লীল, ভীতি প্রদর্শনমূলক বা অপমানজনক বার্তা পাঠালে প্রেরণকারী এবং প্রস্তাবক দণ্ডনীয় হবেন। সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ১.৫ কোটি টাকা জরিমানা হতে পারে।
ধারা ৭০ অনুযায়ী, বারবার বিরক্তিকর টেলিফোন করলে দোষী ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা বা ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।
মতামত পাঠানোর শেষ তারিখ ১৫ নভেম্বর, ই-মেইল: secretary@ptd.gov.bd বা ডাকযোগে সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।




















