Dhaka ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে কোলা ইউনিয়ন বিএনপির মানবিক উদ্যোগ রূপপুর প্রকল্পে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়ার অনুমতি টিকটকে যুক্ত হলো নতুন দুই সুবিধা পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাঙ্ক করে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন ৬১ বছরের নারী শূন্য থেকে শিখরে: কত সম্পদ রেখে গেলেন নানা পাটেকার জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নিবন্ধন শুরু ১৫ অক্টোবর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে পণ্যের সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫

আদানির সঙ্গে চুক্তিতে অনিয়ম: পূর্ণাঙ্গ নিরীক্ষা করবে দুদক

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 103

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তিতে অনিয়মের বিষয়টি অনুসন্ধান ও পূর্ণাঙ্গ নিরীক্ষা করবে। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বছরে অন্তত ৩৯ কোটি ৭৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৬৭ ডলারের শুল্ক ফাঁকির প্রমাণ মিলেছে।

নতুন তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে আছেন দুদকের উপ-পরিচালক আল-আমিন। সঙ্গে রয়েছেন উপ-পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন ও সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান। কমিটি চুক্তির কাঠামো, আর্থিক ফিজিবিলিটি, সম্ভাব্য ক্ষতি ও অনিয়মসহ সব দিক পর্যালোচনা করবে। যাচাই শেষ করতে ৪৫ দিনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২৩ সালের ৯ মার্চ থেকে গড্ডা পাওয়ার প্লান্টের বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হলেও শুল্ক ও অন্যান্য কর পরিশোধ করা হয়নি। চুক্তির আওতায় ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত ১,০৫৮ কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়েছে, যার মূল্য ১২৮ কোটি ডলারের কাছাকাছি। তবে অনুমোদন ছাড়া শুল্ক ও কর অব্যাহতি দেওয়ার কারণে শুল্ক গোয়েন্দারা এটিকে ‘ফাঁকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

দুদকের কমিটি চুক্তি অবৈধ বা অযৌক্তিক প্রমাণিত হলে বাতিলের সুপারিশও করতে পারবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আদানির সঙ্গে চুক্তিতে অনিয়ম: পূর্ণাঙ্গ নিরীক্ষা করবে দুদক

প্রকাশের সময় : ১২:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তিতে অনিয়মের বিষয়টি অনুসন্ধান ও পূর্ণাঙ্গ নিরীক্ষা করবে। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বছরে অন্তত ৩৯ কোটি ৭৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৬৭ ডলারের শুল্ক ফাঁকির প্রমাণ মিলেছে।

নতুন তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে আছেন দুদকের উপ-পরিচালক আল-আমিন। সঙ্গে রয়েছেন উপ-পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন ও সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান। কমিটি চুক্তির কাঠামো, আর্থিক ফিজিবিলিটি, সম্ভাব্য ক্ষতি ও অনিয়মসহ সব দিক পর্যালোচনা করবে। যাচাই শেষ করতে ৪৫ দিনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২৩ সালের ৯ মার্চ থেকে গড্ডা পাওয়ার প্লান্টের বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হলেও শুল্ক ও অন্যান্য কর পরিশোধ করা হয়নি। চুক্তির আওতায় ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত ১,০৫৮ কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়েছে, যার মূল্য ১২৮ কোটি ডলারের কাছাকাছি। তবে অনুমোদন ছাড়া শুল্ক ও কর অব্যাহতি দেওয়ার কারণে শুল্ক গোয়েন্দারা এটিকে ‘ফাঁকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

দুদকের কমিটি চুক্তি অবৈধ বা অযৌক্তিক প্রমাণিত হলে বাতিলের সুপারিশও করতে পারবে।