রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীর তীর সংরক্ষণ কাজে আবার ভাঙন

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীর ডান তীর সংরক্ষণ কাজের ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার  গোদারবাজারের পশ্চিমে চরসিলিমপুরে শুরু হওয়া ভাঙনে ৩০ মিটার এলাকার সিসি ব্লক ধসে গেছে। এই নিয়ে  ১৪ দফা ভাঙনে অন্ততঃ এক হাজার মিটার এলাকার সিসি  ব্লক ধসে নদীতে বিলীন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভাঙনস্থলে গিয়ে দেখা যায়, আগেও একই জায়গায়  ভাঙন সৃষ্টি হয়েছিল। সেখানে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানো হয়েছে। তার ঠিক পাশ থেকেই ৩০ মিটার পর্যন্ত সিসি ব্লক ধসে বের হয়ে গেছে মাটি। নদী পাড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্য সহকারী সোহেল রানাসহ বেশ কিছু শ্রমিক বসে আছেন। সোহেল রানা জানান, ৩০ মিটার মত এলাকা ভেঙেছে। সেখানে  বালুর বস্তা ফেলার প্রস্তুতি চলছে।

পদ্মা নদী সংলগ্ন ধুঞ্চি গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম জানান, বুধবার সন্ধ্যা থেকে ভাঙন শুরু হয়। এর আগে নদী ভাঙনে অনেকটা জায়গা ভেঙে গেছে।  সেসব জায়গায়  বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এখানে ভাঙন শুরু হওয়ার পর  এখন পর্যন্ত বালুর বস্তা ফেলতে দেখেননি। নদী ভাঙন নিয়ে তারা খুব্ই আতঙ্কের মধ্যে আছেন বলে জানান।

রাজবাড়ী  পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী  আব্দুল আহাদ জানান, পদ্মা নদীর এক স্থানে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। সেটা সিরিয়াস কিছু না। জিও টিউব দিয়ে ভাঙন প্রতিরোধ করা হবে। পানি নেমে যাওয়ার পর সুন্দর করে মেরামত করা  হবে।

প্রসঙ্গত, পদ্মা নদীর ভাঙনরোধে ৩৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা নদীর ডান তীর সংরক্ষণ কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। ২০২০ সালে কাজটি শেষ হওয়ার কথা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, কাজটি তারা এখনও বুঝে নেয়নি। চলতি বছরের ১৭ জুলাই থেকে শুরু হয় তীর রক্ষা সংরক্ষণ কাজে ভাঙন। দফায় দফায় ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে এক হাজার মিটার এলাকা। রেহাই পায়নি স্কুল, বসতঘর, ফসলি জমিসহ বিভিন্ন স্থাপনা। কোথাও কোথাও বেরি বাঁধের খুব কাছে অবস্থান করছে নদী।

Print Friendly, PDF & Email

     একই ধরনের আরও কিছু খবর....

Top Posts & Pages

মোটরসাইকেল চুরি করে পালানোর সময় জনতার হাতে পাকড়াও
বালিয়াকান্দিতে পুলিশ পরিচয়ে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি।। গ্রেফতার ৩ জন
পাংশায় নৌকার মনোনয়ন চূড়ান্ত ॥ ৩ নতুন মুখ
বৃষ্টিতে ক্ষতি ৭ হাজার হেক্টর জমির ফসল
গোয়ালন্দে চার ভিক্ষুককে পুনর্বাসন